বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে টানা ৫ দিন গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনে এক এর একসহিংস ঘটনা ঘটছে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার,বুলেট ও টিয়ার্শেল গ্যাস ছুড়ছে।শ্রমিক আন্দোলনের পঞ্চম দিনে গাজীপুর মেট্রো পলিটন পুলিশের কাশিমপুর থানায় হামলা ও থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে।এসময় আন্দোলনকারীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকাল সোয়া ৪ টার দিকে হঠাৎ এই ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা চালায় এবং একপর্যায়ে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের একাংশ কাশিমপুর থানার পাশে জড়ো হয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। একপর্যায়ের তারা থানার সামনে এসে লাঠি হাতে ও ইট-পাটকেল মেরে হামলা ও ঘেরাওয়ের চেষ্টা করেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায় । এ সময় পুলিশের তৎপরতায় তাদের থানা প্রাঙ্গণে প্রবেশ ও হামলার চেষ্টা প্রতিহত করা সম্ভব হয়।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে থানা পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য এগিয়ে আসেন কাশিমপুর থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় শত শত নেতাকর্মীকে থানার সামনে এবং আশপাশের এলাকায় অবস্থান নিতে দেখা যায়। তারা পুলিশকে সহযোগিতা করতে সেখানে উপস্থিত হন। শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে থানা ঘেরাও ও হামলার চেষ্টার এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত ছিল।
এই বিষয়ে কাশিমপুর থানা বিএনপির সভাপতি খন্দকার মোঃ আলী হোসেন বলেন,শ্রমিক আন্দোলনের নামে কিছু অপশক্তি কাশিমপুর থানায় হামলা ও থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা চালায়।পরিস্থিতি বেশী উত্তপ্ত হলে পুলিশের পাশাপাশি থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরাসহযোগিতা করে।তিনি বলেন শিল্প বাঁচলে শ্রমিকও বাঁচবে।যদি শিল্প ধ্বংস হয় তাহলে দেশের অর্থনীতিব্যাপক ক্ষতি হয়ে যাবে।শ্রমিকরা বেকার হয়ে যাবে।তাই শিল্প ও শ্রমিক উভয়কেই বাঁচাতে হবে।কারো উস্কানিতে কোনো শ্রমিক যাতে কারও যান- মালের ক্ষতি না করে সকল শ্রমিকদের প্রতি তিনি এই আহ্বান জানান।
এই বিষয়েে কাশিমপুর থানা অফিসার ইনচার্জ এর গানম্যান কনস্টেবল জিয়া জানান আজ বিকাল সোয়া চারটা থেকে সোয়া ৫ টা পর্যন্ত জিএমএস,ডিবিএল এবং মতিন নামক কয়েকটি পোশাক কারখানা ছুটি হলে হঠাৎ করে কাশিমপুর থানায় এসে হামলা চালায়।ওই সময় থানা পুলিশের সাথে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।তিনি জানান প্রায় দুই হাজারআন্দোলনকারী হঠাৎ অতর্কিত হামলা চালালে
আমরা প্রতিহত করার চেষ্টা করি।পরে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেআমাদের সহযোগিতা করে।প্রায় এক ঘন্টা পর আন্দোলনকারীরা পিছু হটে।এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি সাভাবিক রয়েছে এবং আইন- শৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা খালিদ হোসেন জানান, শ্রমিকদের নাম ব্যবহার করে সরকারবিরোধী কোনো গোষ্ঠী এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে জোরালো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, কিংবা কত রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে টানা ৫ দিন গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনে এক এর একসহিংস ঘটনা ঘটছে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার,বুলেট ও টিয়ার্শেল গ্যাস ছুড়ছে।শ্রমিক আন্দোলনের পঞ্চম দিনে গাজীপুর মেট্রো পলিটন পুলিশের কাশিমপুর থানায় হামলা ও থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে।এসময় আন্দোলনকারীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকাল সোয়া ৪ টার দিকে হঠাৎ এই ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা চালায় এবং একপর্যায়ে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের একাংশ কাশিমপুর থানার পাশে জড়ো হয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। একপর্যায়ের তারা থানার সামনে এসে লাঠি হাতে ও ইট-পাটকেল মেরে হামলা ও ঘেরাওয়ের চেষ্টা করেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায় । এ সময় পুলিশের তৎপরতায় তাদের থানা প্রাঙ্গণে প্রবেশ ও হামলার চেষ্টা প্রতিহত করা সম্ভব হয়।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে থানা পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য এগিয়ে আসেন কাশিমপুর থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় শত শত নেতাকর্মীকে থানার সামনে এবং আশপাশের এলাকায় অবস্থান নিতে দেখা যায়। তারা পুলিশকে সহযোগিতা করতে সেখানে উপস্থিত হন। শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে থানা ঘেরাও ও হামলার চেষ্টার এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত ছিল।
এই বিষয়ে কাশিমপুর থানা বিএনপির সভাপতি খন্দকার মোঃ আলী হোসেন বলেন,শ্রমিক আন্দোলনের নামে কিছু অপশক্তি কাশিমপুর থানায় হামলা ও থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা চালায়।পরিস্থিতি বেশী উত্তপ্ত হলে পুলিশের পাশাপাশি থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরাসহযোগিতা করে।তিনি বলেন শিল্প বাঁচলে শ্রমিকও বাঁচবে।যদি শিল্প ধ্বংস হয় তাহলে দেশের অর্থনীতিব্যাপক ক্ষতি হয়ে যাবে।শ্রমিকরা বেকার হয়ে যাবে।তাই শিল্প ও শ্রমিক উভয়কেই বাঁচাতে হবে।কারো উস্কানিতে কোনো শ্রমিক যাতে কারও যান- মালের ক্ষতি না করে সকল শ্রমিকদের প্রতি তিনি এই আহ্বান জানান।
এই বিষয়েে কাশিমপুর থানা অফিসার ইনচার্জ এর গানম্যান কনস্টেবল জিয়া জানান আজ বিকাল সোয়া চারটা থেকে সোয়া ৫ টা পর্যন্ত জিএমএস,ডিবিএল এবং মতিন নামক কয়েকটি পোশাক কারখানা ছুটি হলে হঠাৎ করে কাশিমপুর থানায় এসে হামলা চালায়।ওই সময় থানা পুলিশের সাথে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।তিনি জানান প্রায় দুই হাজারআন্দোলনকারী হঠাৎ অতর্কিত হামলা চালালে
আমরা প্রতিহত করার চেষ্টা করি।পরে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেআমাদের সহযোগিতা করে।প্রায় এক ঘন্টা পর আন্দোলনকারীরা পিছু হটে।এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি সাভাবিক রয়েছে এবং আইন- শৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা খালিদ হোসেন জানান, শ্রমিকদের নাম ব্যবহার করে সরকারবিরোধী কোনো গোষ্ঠী এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে জোরালো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, কিংবা কত রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন