নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের প্রবীণ শিক্ষক ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মী গোলাম কিবরিয়া আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছেন। সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রার পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন রূপরেখা তুলে ধরেছেন।
গোলাম কিবরিয়া বলেন, দীর্ঘ শিক্ষকতার সুবাদে এলাকায় সবাই তাঁকে ‘বিএসসি মাস্টার’ হিসেবে চেনেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয় ১৯৮৫ সালে, যখন তিনি বসুরহাট এ.এইচ.সি. হাইস্কুলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হন। পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে বসুরহাট সরকারি মুজিব কলেজের ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে কলেজ ও উপজেলা ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যের সার্বিক সহযোগিতায় চরকাকড়া ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদকেন্দ্রিক যাবতীয় কার্যক্রম সম্পূর্ণ দুর্নীতি ও লেনদেনমুক্ত রাখা তাঁর প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড, জন্মনিবন্ধন, ভিজিবি, ভিজিএফ কার্ড, কাবিখা ও টিআরসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তা বিতরণে 'জিরো টলারেন্স' বা শূন্য সহনশীলতা নীতি বজায় রাখার ঘোষণা দেন তিনি। যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা কালো টাকার কারবার কেউ করতে না পারে, সে বিষয়ে তিনি সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবেন বলে উল্লেখ করেন।
বিএনপিকে দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল উল্লেখ করে গোলাম কিবরিয়া বলেন, বর্তমান সময়ে দল সৎ, যোগ্য, শিক্ষিত ও চরিত্রহীনতা বা অপরাধমুক্ত প্রার্থীদের খোঁজ করছে। দলের সেই সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার সাথে নিজের জীবন ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি মিলে যাওয়ায় তিনি নিজেকে একজন উপযুক্ত প্রার্থী বলে মনে করেন। তিনি দল ও চরকাঁকড়াবাসীর সমর্থন কামনা করে আশা প্রকাশ করেন যে, দল তাঁকে মূল্যায়ন করলে তিনি এই ইউনিয়নটি একটি দুর্নীতিমুক্ত ও আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে উপহার দিতে পারবেন।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের প্রবীণ শিক্ষক ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মী গোলাম কিবরিয়া আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছেন। সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রার পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন রূপরেখা তুলে ধরেছেন।
গোলাম কিবরিয়া বলেন, দীর্ঘ শিক্ষকতার সুবাদে এলাকায় সবাই তাঁকে ‘বিএসসি মাস্টার’ হিসেবে চেনেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয় ১৯৮৫ সালে, যখন তিনি বসুরহাট এ.এইচ.সি. হাইস্কুলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হন। পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে বসুরহাট সরকারি মুজিব কলেজের ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে কলেজ ও উপজেলা ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যের সার্বিক সহযোগিতায় চরকাকড়া ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদকেন্দ্রিক যাবতীয় কার্যক্রম সম্পূর্ণ দুর্নীতি ও লেনদেনমুক্ত রাখা তাঁর প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড, জন্মনিবন্ধন, ভিজিবি, ভিজিএফ কার্ড, কাবিখা ও টিআরসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তা বিতরণে 'জিরো টলারেন্স' বা শূন্য সহনশীলতা নীতি বজায় রাখার ঘোষণা দেন তিনি। যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা কালো টাকার কারবার কেউ করতে না পারে, সে বিষয়ে তিনি সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবেন বলে উল্লেখ করেন।
বিএনপিকে দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল উল্লেখ করে গোলাম কিবরিয়া বলেন, বর্তমান সময়ে দল সৎ, যোগ্য, শিক্ষিত ও চরিত্রহীনতা বা অপরাধমুক্ত প্রার্থীদের খোঁজ করছে। দলের সেই সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার সাথে নিজের জীবন ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি মিলে যাওয়ায় তিনি নিজেকে একজন উপযুক্ত প্রার্থী বলে মনে করেন। তিনি দল ও চরকাঁকড়াবাসীর সমর্থন কামনা করে আশা প্রকাশ করেন যে, দল তাঁকে মূল্যায়ন করলে তিনি এই ইউনিয়নটি একটি দুর্নীতিমুক্ত ও আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে উপহার দিতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন