প্রাইম টিভি
সর্বশেষ

 সারাদেশ সারাদেশ

ভিডিও সব ভিডিও

কোন ভিডিও নেই !

মতামতমতামত

মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, ব্যবসায়ীদের সতর্ক করলেন আইনমন্ত্রী

বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তাই যারা মজুতদারি করবেন, তাদের ভেবেচিন্তে ব্যবসা করতে হবে।শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকূপায় পাট ও পেঁয়াজের পাইকারি হাট ও আড়ত পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।আইনমন্ত্রী বলেন, সব ধরনের বাজার সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষক যাতে তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পান, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। বাজারে সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকরা জিম্মি হয়ে পড়ছেন। তারা পরিশ্রম করে ফসল উৎপাদন করলেও বাজারে এসে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হন।তিনি বলেন, এক মণ পাট বা পেঁয়াজে অতিরিক্ত দুই কেজি করে ‘তোলা’ নেওয়া হচ্ছে। এর সঙ্গে বাজারের পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ অন্যদেরও তোলা দিতে হচ্ছে। ফলে কৃষককে এক মণে ৪৫ কেজি পর্যন্ত পণ্য দিতে হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অনায্য।আইনমন্ত্রী আরও বলেন, বাজারের এসব সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘন করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।বাজার পরিদর্শনের সময় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সব শিক্ষিত বেকারকে চাকুরি দেওয়া হবে---- বিমান প্রতিমন্ত্রী

সাদিয়া ইসলাম, বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ(জামালপুর) প্রতিনিধি :সব শিক্ষিত বেকারদের চাকুরি দেওয়া হবে। বেকাররা যাতে পরিবারের লোকজনদের ভালো পরিবেশে থাকতে এ চিন্তা করেই সরকার শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থানের চিন্তা করছে। তরুন সমাজ যাতে বিপদগামি না হয় সে বিষয়ে প্রশাসন ও সচেতন ব্যাক্তিদের ভূমিকা রাখতে হবে। ৭ আগষ্ট শুক্রবার দুপুরে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা অডিটরিয়ামসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ সব কথা বলেন।তিনি আরও বলেন, যুব সমাজকে মাদক থেকে দুরে রাখার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে। মন্ত্রী বকশীগঞ্জ উপজেলাকে মাদকমুক্ত করার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতির চাইতেও তিন গুন কাজ বেশি করবে।উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেনের সভাপত্বিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামালপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাবেক মন্ত্রী সিরাজুল হক।অতিথি ছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগর, সাধারন সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স, পৌর বিএনপির সভাপতি পিপি এডভোকেট আনিসুজ্জামান গামা, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিল তালুকদার ও যুবদল সভাড়তি আব্দুল্লাহ সওদাগর।আলোচনা সভার পূর্বে অডিটরিয়াম ভবনের উদ্বোধন এবং পরে বিভিন্ন তালিকাভুক্ত পরিবারের মাঝে নানা ত্রান সামগ্রী ও নগদ টাকা বিতরণ করেন।  

গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে থাকবে সরকার: ভূমিমন্ত্রী

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের পাশে সরকার সবসময় থাকবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার অদম্য লড়াইয়ের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে বর্তমান সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে রাজশাহী মহানগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।ভূমিমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনে আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত এবং শহীদ পরিবারের সার্বিক কল্যাণে সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি তাদের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, শহীদ পরিবারের জন্য দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আত্মত্যাগ করেছেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।এ সময় শহীদ শাকিব আঞ্জুমের বাবা তার সন্তানের হত্যার বিচার দাবি করে বলেন, যারা তার সন্তানকে হত্যা করেছে, তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।এর আগে ভূমিমন্ত্রী জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম ড. বজলুর রশিদ, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম এবং রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা।এদিকে সকাল থেকেই জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হাজারো মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। স্মৃতিস্তম্ভ ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি নগরজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও তৎপরতা বাড়াতে হবে: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

মোঃ ওয়াশিম, চট্টগ্রামচট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বর্ষা মৌসুমে থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে এডিস মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তাই আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসকে সামনে রেখে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কোনো ধরনের শিথিলতার সুযোগ নেই। নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মশক নিধন কার্যক্রম আরও গতিশীল, বিজ্ঞানভিত্তিক ও সমন্বিতভাবে পরিচালনা করতে হবে।সোমবার (৩ আগস্ট) টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কার্যালয়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি, ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপের কার্যক্রম  বিষয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মেয়র বলেন, আল্লাহর রহমতে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিবেদন অনুসারে চলতি বছরের প্রথম ৭ মাসে এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সীমানাভুক্ত এলাকায় বসবাসরতদের মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার শূন্য রয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কম। জুলাই মাস শেষে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৩৮ জন। আগস্টের প্রথম কয়েক দিনে আরও ১৮ জন আক্রান্ত হওয়ায় বর্তমানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫৬ জন। এই ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে হলে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে বিশেষ সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।তিনি বলেন, অনেকেই মনে করেন টানা বৃষ্টি হলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। বাস্তবে বিষয়টি উল্টো। টানা বৃষ্টিতে জমে থাকা পানি ধুয়ে যায়, ফলে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নিতে পারে না। কিন্তু একদিন বৃষ্টি হয়ে দুই-তিন দিন পানি জমে থাকলে সেটিই ডেঙ্গু বিস্তারের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি করে। তাই নগরীর প্রতিটি এলাকায় জমে থাকা স্বচ্ছ পানি দ্রুত অপসারণ নিশ্চিত করতে হবে।মেয়র বলেন, সম্প্রতি ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। কিন্তু তাদের এনএস-ওয়ান পরীক্ষায় ডেঙ্গু শনাক্ত হয়নি। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী তারা অন্য রোগে আক্রান্ত ছিলেন, যার উপসর্গ অনেকাংশেই ডেঙ্গুর মতো। এ বিষয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, নগরীর কোতোয়ালী, বায়েজিদ, বন্দর, বাকলিয়া, হালিশহর, পাহাড়তলী, আকবরশাহ, সদরঘাট, ডবলমুরিং, খুলশী, পতেঙ্গা, চান্দগাঁও, ইপিজেড, আগ্রাবাদ ও চকবাজার এলাকাকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনতে হবে। এসব এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।সভায় মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পর্যালোচনা করে মেয়র জানান, বর্তমানে চসিকের কাছে আধুনিক ছয়টি বিশেষ স্প্রে মেশিন রয়েছে। তবে নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে জরুরি ভিত্তিতে আরও ১০টি স্প্রে মেশিন সংগ্রহের নির্দেশ দেন তিনি। ভবিষ্যতে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে মোট ৪১টি স্প্রে মেশিন সরবরাহের পরিকল্পনার কথাও জানান মেয়র।তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) স্বীকৃত কার্যকর লার্ভিসাইড ও বিটিআই ব্যবহার করা হচ্ছে। বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। যেখানে এডিস মশার প্রজননের সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।পরিত্যক্ত বাড়ি, নির্মাণাধীন ভবন, ছাদ, খালি প্লট ও যেসব স্থানে বৃষ্টির পানি জমে থাকতে পারে সেসব জায়গা নিয়মিত পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়ে মেয়র বলেন, প্রয়োজন হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সম্পৃক্ত করে বাড়ির ছাদ ও পরিত্যক্ত স্থানে অভিযান পরিচালনা করতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোনো অবহেলার সুযোগ নেই।সভায় ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপের কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন মেয়র।  সভায় জানানো হয় সোমবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত  ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৭৯৯টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ১৬০টি অভিযোগের সমাধান হয়েছে এবং ৬৩৯টি অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মশা সংক্রান্ত ৪১টি অভিযোগের মধ্যে ৩৬টির সমাধান করা হয়েছে।মেয়র নির্দেশ দেন, ওয়ার্ড সীমানা নিয়ে কোনো অভিযোগ যেন বাতিল না করা হয়। যদি কোনো অভিযোগ অন্য ওয়ার্ডের আওতায় পড়ে, তবে তা সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে ফরওয়ার্ড করে সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। নাগরিক যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হন। নগরবাসী যাতে পরিচ্ছন্নতা, মশক নিধন, রাস্তা, ড্রেন, আলোকায়নসহ যেকোনো নাগরিক সেবা সহজে এই অ্যাপের মাধ্যমে পেতে পারেন, সে বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। সভায়  নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো দ্রুত সংস্কার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের নির্দেশ দেন মেয়র। তিনি বলেন, হাটহাজারী রোড থেকে অক্সিজেন, লালখান বাজার, রেডিসন ব্লু, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে বিমানবন্দর পর্যন্ত সম্ভাব্য ভিআইপি রুটে কোথাও যেন খানাখন্দ, ভাঙা ম্যানহোল, নষ্ট স্টিল স্ট্রাকচার, অপরিচ্ছন্নতা বা আলোকস্বল্পতা না থাকে।এ লক্ষ্যে সভায় রোড সুপারভাইজারদের দুইটি বিশেষ টিম গঠনের নির্দেশ দেন মেয়র। একটি দল হাটহাজারী থেকে লালখান বাজার হয়ে রেডিসন ব্লু পর্যন্ত এবং অন্য দল রেডিসন ব্লু থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে বিমানবন্দর পর্যন্ত সম্ভাব্য রুট পরিদর্শন করবে।টিমগুলোকে আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়ে মেয়র বলেন, কোথায় মিডিয়ান আইল্যান্ডে ফুলের টব বসানো যাবে, কোথায় নতুন গাছ লাগানো প্রয়োজন, কোথায় রং করতে হবে, কোথায় সচেতনতামূলক প্ল্যাকার্ড স্থাপন করা যাবে—এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ দিতে হবে।তিনি নগর সৌন্দর্যবর্ধনে গাছ, ফুল, আলোকসজ্জা, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশবান্ধব বার্তা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি ‘গ্রিন, হেলদি, সেফ অ্যান্ড স্মার্ট চট্টগ্রাম’ স্লোগানকে সামনে রেখে নগরজুড়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিরও নির্দেশ দেন।মেয়র আরও বলেন, যারা নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনের দায়িত্ব নিয়েছেন, তাদের কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি থাকতে হবে। শুধু পরিকল্পনা নয়, বাস্তবায়নই হবে মূল বিষয়। জনগণ যেন পরিবর্তন চোখে দেখতে পারে, সেভাবেই কাজ করতে হবে।সভায় বক্তব্য রাখেন চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি, মেয়রের একান্ত সহকারী মারুফুল হক চৌধুরী (মারুফ)সহ বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

জুলাইয়ের শহীদ-আহতদের সম্মান নিশ্চিত করতে হবে: মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন

মোঃ ওয়াশিম, চট্টগ্রামজুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া সাহসী মানুষদের যথাযথ মর্যাদা, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর আন্দোলন ছিল না; বরং ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, নারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণে স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা একটি ঐতিহাসিক গণআন্দোলন। তাই এই আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং শহীদ ও আহতদের সম্মান রক্ষা করা জাতির নৈতিক দায়িত্ব।রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে নগরীর কাজীর দেউরী সেনা কল্যাণ কনভেনশন সেন্টারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ আয়োজিত শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। সঞ্চালনা করেন ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র যুগ্ম সম্পাদক আহমদ আব্দুল্লাহ আল সাহেদ।মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আন্দোলনের সময় রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে ছাত্রদের সামনের সারিতে রেখে পেছন থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হয়েছিল, যাতে আন্দোলনকে কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি হিসেবে আখ্যায়িত করার সুযোগ না থাকে। তবে আন্দোলনের প্রতিটি পর্যায়ে নেতাকর্মীরা রাজপথে ছিলেন এবং আহতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুলিবিদ্ধদের খোঁজ নিতে এবং শহীদদের মরদেহ শনাক্ত করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যেতে হয়েছে। সে সময় চিকিৎসকরাও অসাধারণ সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, যা জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।মেয়র আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার, আহত, পঙ্গু ও দৃষ্টিশক্তি হারানো যোদ্ধাদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা রয়েছে। তাদের সম্মান, পুনর্বাসন ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরদের মতোই তারা জাতির সম্মানিত আসনে অধিষ্ঠিত থাকবেন—এটাই সবার প্রত্যাশা।তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সব কৃতিত্ব নিজেদের বলে দাবি করে না। জুলাই আন্দোলন ছিল সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম এবং এই ঐক্যের শক্তিতেই স্বৈরাচারের পতন ঘটেছে। এখন নতুন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশার কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং অবাধ ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। মিথ্যা ও অপপ্রচারের রাজনীতি নয়, বাস্তবভিত্তিক উন্নয়নই এখন সময়ের দাবি।চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যকর ও জলাবদ্ধতামুক্ত নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশন নিরলসভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।সভাপতির বক্তব্যে আবুল হাশেম বক্কর বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান একদিনে সৃষ্টি হয়নি। দীর্ঘ ১৬-১৭ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ত্যাগ, নির্যাতন ও আত্মদানের ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়েই এই গণঅভ্যুত্থানের জন্ম হয়েছে।তিনি বলেন, জুলাইয়ের শহীদ, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনের সাহসী অংশগ্রহণকারীদের স্মৃতি অম্লান রাখতেই এই আয়োজন। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচারী শাসনামলে বিএনপির নেতাকর্মীরা অসংখ্য মামলা, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হলেও রাজপথ ছাড়েননি। সেই দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতাই শেষ পর্যন্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে চূড়ান্ত রূপ লাভ করে।অনুষ্ঠানে ১২টি শহীদ পরিবারের সদস্য এবং ১১০ জন আহত জুলাই যোদ্ধাকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।এ সময় বক্তব্য রাখেন শহীদ ফয়সাল শান্তের বাবা, ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ চট্টগ্রামের সভাপতি ওমর ফারুক, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম আবির। এছাড়া আহত জুলাই যোদ্ধা গাজী রাসেল, ওসমান কাশেমী, মো. লিটন ও সোলাইমান স্বপন স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠান আয়োজনে দায়িত্ব পালন করেন শহিদুল ইসলাম সজীব

সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স, সীতাকুণ্ড মডেল থানার বার্ষিক পরিদর্শন শেষে: এসপি মাসুদ আলম

রিপোর্ট: মোঃ মাইন উদ্দিন (সাগর), চট্টগ্রাম।চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, অদ্য ০২ আগস্ট ২০২৬ রবিবার সীতাকুণ্ড মডেল থানার বার্ষিক পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে তিনি থানার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ দমন কার্যক্রম, প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা এবং জনসেবার মান নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করেন। তিনি দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করে জনগণকে দ্রুত, আন্তরিক ও হয়রানিমুক্ত পুলিশি সেবা নিশ্চিতকরণ, পেশাদারিত্ব, সততা, শৃঙ্খলা, জবাবদিহিতা এবং মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।পরবর্তীতে তিনি সীতাকুণ্ড থানাধীন বাটিরখীল এলাকায় স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। এ সময় এলাকাবাসী চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও তার সহযোগীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ভীতি প্রদর্শন, মাদক কারবার এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার বিভিন্ন অভিযোগ পুলিশ সুপারের নিকট তুলে ধরেন।পুলিশ সুপার ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য মনোযোগসহকারে শুনে উপস্থাপিত প্রতিটি অভিযোগ আইনানুগভাবে তদন্তপূর্বক দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, কোনো অপরাধী, সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি কিংবা আইনভঙ্গকারী ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে নয়। অপরাধী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর, নিরপেক্ষ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।তিনি আরও বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি জনগণের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই যেকোনো অপরাধ, সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি কিংবা সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে দ্রুত নিকটস্থ থানায় অথবা পুলিশের জরুরি সেবায় তথ্য প্রদানের জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।সর্বশেষ তিনি নিশ্চিত করেন যে, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সন্ত্রাস, মাদক ও সকল প্রকার অপরাধ দমনের মাধ্যমে একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও জনবান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠায় পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

এক ইঞ্চি জমিও ফেলে রাখা যাবে না: ডিসি জাহিদুল ইসলাম মিঞা

মোঃ ওয়াশিম, চট্টগ্রামবন্যায় কৃষি ও মৎস্য খাতে হওয়া ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আবাদযোগ্য জমির সর্বোচ্চ ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, বন্যার কারণে চাষাবাদ কিছুটা পিছিয়ে গেলেও বাড়তি পরিশ্রমের মাধ্যমে কৃষকেরা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন। এ জন্য কোনো আবাদযোগ্য জমি ফেলে রাখা যাবে না।আজ শনিবার( ১ আগস্ট)চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার পেলাগাজী দিঘির মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও পরিবারের মধ্যে সবজির বীজ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন। উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি উপকারভোগীদের হাতে এসব সামগ্রী তুলে দেন।অনুষ্ঠানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪০ কৃষককে শসা, চালকুমড়া, লাউ, কলমি ও বেগুনের বীজ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত ৭০টি পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার ভোজ্যতেল, ১ কেজি লবণ এবং ২৫০ গ্রাম করে হলুদ, মরিচ ও অন্যান্য মসলা দেওয়া হয়।ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা যাতে দ্রুত চাষাবাদ শুরু করতে পারেন, সে জন্য সবজির বীজ ও কৃষি উপকরণ বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিতরণ করা বীজ দ্রুত বপন ও সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে তিনি কৃষকদের পরামর্শ দেন।জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের যতটুকু জমি আছে, তার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে। কোনো জমি যেন পড়ে না থাকে। জমি অবশ্যই চাষের আওতায় আনতে হবে। সেখানে ফসল, সবজি কিংবা ফুল—কিছু না কিছু আবাদ করতে হবে।’সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ফটিকছড়িসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দেখা দেয়। এতে বসতবাড়ির পাশাপাশি কৃষিজমি, ফসল ও মৎস্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জেলা প্রশাসক বলেন, দুর্যোগের সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে শুকনা খাবার ও চাল বিতরণসহ বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। পানি নেমে যাওয়ার পর কৃষি উৎপাদন পুনরুদ্ধারে বীজ ও কৃষি উপকরণ দেওয়া হচ্ছে।বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষি ও মৎস্য খাত পুনরুদ্ধারে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, দুর্যোগের প্রভাব যেন দীর্ঘস্থায়ী না হয়, সে লক্ষ্যেই বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।কৃষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যে সময়ে ফসল চাষ করার কথা ছিল, বন্যার কারণে সেটি হয়তো কিছুদিন পিছিয়ে যাবে। কিন্তু আপনারা আন্তরিকভাবে চেষ্টা ও একটু বেশি পরিশ্রম করলে সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন।’দেশের অর্থনীতিতে কৃষকদের অবদানের কথা তুলে ধরে জাহিদুল ইসলাম বলেন, কৃষক, তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিক ও প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। কৃষকেরা প্রতিনিয়ত খাদ্য উৎপাদন করে দেশের মানুষের চাহিদা পূরণ করছেন। তাই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা জরুরি।ফটিকছড়িকে সবজি উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, এ উপজেলায় উৎপাদিত শাকসবজি চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। এই উৎপাদন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সবজি চাষ আরও বাড়াতে হবে। কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে জেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. জুনায়েত কাউছার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী মো. তারেক আজিজ।উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গ্রাম পুলিশ, উপকারভোগী কৃষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ওয়াসিমের পরিবারসহ জুলাই শহীদদের স্বজনদের কথা শুনলেন চট্টগ্রামের ডিসি

মোঃ ওয়াশিম, চট্টগ্রাম কেউ হারিয়েছেন স্বামী, কেউ সন্তান, কেউবা ভাই। কোনো কোনো পরিবার হারিয়েছে তাদের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে স্বজন হারানো এসব পরিবারের অনেকে এখন আর্থিক সংকট, নিরাপত্তাহীনতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁদের দুঃখ-দুর্দশা, অভাব-অভিযোগ ও প্রত্যাশার কথা শুনেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এই সাক্ষাৎ শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। জেলা প্রশাসক প্রতিটি পরিবারের সদস্যের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন। তাঁদের সংসার কীভাবে চলছে, সন্তানদের পড়াশোনা কেমন হচ্ছে এবং পরিবারের সদস্যরা কোনো সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন কি না—এসব বিষয়ে জানতে চান তিনি। কোনো সমস্যা হলে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শও দেন।দুপুর ১২টায় শুরু হওয়া আয়োজনটি শেষ হয় বেলা আড়াইটায়। এ সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ পরিবারের সদস্যদের উপহারসামগ্রী দেওয়া হয়।নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সবাই পৌঁছাতে পারলেও শহীদ ওয়াসিম আকরামের পরিবারের সদস্য আসতে কিছুটা দেরি হয়। চট্টগ্রামের প্রথম এবং দেশের দ্বিতীয় জুলাই শহীদ হিসেবে পরিচিত ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরামের বোন সাবরিনা ইয়াসমিন সোমা এসেছিলেন।  তিনি নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘণ্টা পর পৌঁছান। ততক্ষণে মূল আয়োজন শেষ হয়ে গিয়েছিল।তবে জেলা প্রশাসক তাঁর কার্যালয় ত্যাগ করেননি। তিনি ওয়াসিমের পরিবারের সদস্যের জন্য নিজ কার্যালয়ে অপেক্ষা করেন। সাবরিনা ইয়াসমিন পৌঁছালে তাঁকে কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জেলা প্রশাসক হাসিমুখে তাঁকে স্বাগত জানান এবং পরিবারের সদস্যদের সার্বিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।সাবরিনা ইয়াসমিন সোমা বলেন, “আমি অনুষ্ঠানের নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে পৌঁছেছিলাম। কিন্তু ডিসি স্যার আমার জন্য অপেক্ষা করেছেন। পরে তাঁর কার্যালয়ে গেলে তিনি হাসিমুখে আমার কথা শুনেছেন। আমাদের পরিবারের সবার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।”জেলা প্রশাসকের এই অপেক্ষা ও আন্তরিক আচরণ তাঁকে আবেগাপ্লুত করেছে বলে জানান সাবরিনা।সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ঈদগাহ বউবাজার এলাকার শহীদ আলমের স্ত্রী নয়ন বেগম। জেলা প্রশাসক তাঁর সংসারের বর্তমান অবস্থা এবং সন্তানদের বিষয়ে জানতে চান। পরিবারের কোনো সমস্যা কিংবা বিশেষ প্রয়োজন আছে কি না, তা-ও জানতে চান তিনি।ঈদগাহ ঝরনাপাড়া এলাকার শহীদ ইউসুফের স্ত্রী সাজেদা আক্তারের কাছেও সংসারের বর্তমান অবস্থা জানতে চান জেলা প্রশাসক। স্বামীকে হারানোর পর তিনি কীভাবে সংসার চালাচ্ছেন, সন্তানদের পড়াশোনা ও জীবনযাপন কেমন চলছে এবং পরিবারটি কোনো সংকটে রয়েছে কি না—এসব বিষয়ে কথা বলেন তাঁরা।সাজেদা আক্তার বলেন, “ডিসি স্যার জানতে চেয়েছেন আমরা কেমন আছি, সন্তানদের অবস্থা কেমন এবং আমাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না। কোনো সমস্যায় পড়লে তাঁর কাছে যেতে বলেছেন। আমাদের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন।”লোহাগাড়ার আমিরাবাদ এলাকার শহীদ ইশমামুল হকের ভাই মুহিবুল হক জেলা প্রশাসকের কাছে পরিবারের নিরাপত্তাহীনতাসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তাঁরা কোনো সংকোচ ছাড়াই জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছেন।মুহিবুল হক বলেন, “শহীদ পরিবারের সদস্য হিসেবে আমরা প্রাণ খুলে ডিসি স্যারের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছি। নিরাপত্তাহীনতাসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তিনি মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং সেগুলো সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।”চকবাজার-বাকলিয়া এলাকার শহীদ শহীদুল ইসলামের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগমও পরিবারের দুঃখ-দুর্দশার কথা তুলে ধরেন।হোসনেয়ারা বেগম বলেন, “ডিসি স্যার আমাদের সব দুঃখ-দুর্দশার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। যেকোনো বিপদে আমাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।”সাক্ষাতে আরও উপস্থিত ছিলেন শহীদ ওমর বিন নুরুল আবছারের মা রুবি আক্তার, শহীদ মাহামদুর রহমান সৈকতের চাচা আমজাদ হোসেন, শহীদ জামালের স্ত্রী তসলিমা বেগম এবং শহীদ মাহিনের মা রহিমা। তাঁরা পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা, নিরাপত্তা, সন্তানদের ভবিষ্যৎ এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা সংকটের কথা জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন।জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্রত্যেকের বক্তব্য শোনেন। শহীদ পরিবারগুলো একা নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন তাঁদের পাশে থাকবে। কোনো সমস্যা কিংবা জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পরিবারগুলোর সদস্যদের পরামর্শ দেন তিনি।স্বজন হারানোর শূন্যতা কোনো উপহার বা সহায়তা দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে রাষ্ট্র ও প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের আন্তরিকতা এবং পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি শোকাহত পরিবারগুলোর মনে কিছুটা হলেও সাহস জোগাতে পারে। শহীদ পরিবারগুলোর কথা দীর্ঘ সময় ধরে শোনা এবং দেরিতে পৌঁছানো ওয়াসিম আকরামের বোনের জন্য অপেক্ষা করার মধ্য দিয়ে সেই সহমর্মিতারই প্রকাশ ঘটিয়েছেন সারাদেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম।

শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে শিল্পচর্চার কোনো বিকল্প নেই

রিপোর্ট : মোঃ ওয়াশিম, চট্টগ্রামচট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে শিল্পচর্চার কোনো বিকল্প নেই। চিত্রাঙ্কনের মতো সৃজনশীল কর্মকাণ্ড শিশুদের মননশীলতা বিকাশের পাশাপাশি তাদের সুন্দর ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রাফি স্মৃতি আর্ট কম্পিটিশনের মতো আয়োজন শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।তিনি মঙ্গলবার (২৮ জলাই) বিকেলে নগরীর নবাব সিরাজুদ্দৌলা রোড়স্থ সাফা আর্কেট কমিউনিটি সেন্টারে ২৭ তম রাফি স্মৃতি আর্ট কম্পিটিশন ২০২৬ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।রোটারি ক্লাব অব ইসলামাবাদ, চট্টগ্রামের উদ্যোগে আয়োজিত এ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম নগরী ও আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। শিক্ষার্থীদের বয়স ও শ্রেণিভিত্তিক ক, খ ও গ—তিনটি বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।রোটারি ক্লাব অব ইসলামাবাদ, চট্টগ্রামের পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান ওসমান গণি মনসুরের পুত্র প্রয়াত রাফির স্মরণে প্রতিবছর এ আয়োজন করা হয়। রাফির স্মৃতিকে ধারণ করে শিশু কিশোরদের সৃজনশীলতা ও শিল্পচর্চায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এবারের প্রতিযোগিতায় উপস্থিত ছিলেন রোটারিয়ান ওসমান গণি মনসুরও।প্রতিযোগিতায় প্রধান বিচারক ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর ইনস্টিটিউট অব ফাইন আর্টসের সহযোগী অধ্যাপক হাইদারি আন্দালুসিয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রোটারি ক্লাব অব ইসলামাবাদ চট্টগ্রামের সভাপতি রোটারিয়ান মো. সেলিম রেজা সাগর।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি এবং রোটারি ক্লাব অব ইসলামাবাদ, চট্টগ্রামের পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান ক্যাপ্টেন ওস্তাদ আজিজুল ইসলাম, পিপি শফিকুল আলম খান, পিপি ইসহাক চৌধুরী ও পিপি মাহফুজুর রহমান।প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা রং-তুলির মাধ্যমে তাদের সৃজনশীলতা, কল্পনা ও শিল্পভাবনা তুলে ধরে। প্রতিটি বিভাগে ৩ জন করে গ্র্যান্ড পুরস্কার এবং ১০ জন করে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়। গ্র্যান্ড ও বিশেষ পুরস্কারপ্রাপ্তদের ক্রেস্ট, সনদপত্র ও প্রাইজবন্ড প্রদান করা হয়। এ ছাড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সকল ৪৫০ জন শিক্ষার্থীকে সনদপত্র ও সৌজন্য পুরস্কার দেওয়া হয়।প্রধান বিচারক হাইদারি আন্দালুসিয়া প্রতিযোগীদের শিল্পকর্মের প্রশংসা করেন এবং শিশুদের নিয়মিত শিল্পচর্চায় উৎসাহিত করেন।রোটারি ক্লাব অব ইসলামাবাদ, চট্টগ্রামের সভাপতি রোটারিয়ান মো. সেলিম রেজা সাগর বলেন, শিশু-কিশোরদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। এত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যতেও রাফি স্মৃতি আর্ট কম্পিটিশন আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা হবে।আয়োজকেরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসা রাফি স্মৃতি আর্ট কম্পিটিশন রোটারি ক্লাব অব ইসলামাবাদ, চট্টগ্রামের অন্যতম নিয়মিত বার্ষিক আয়োজন। শিশুদের সৃজনশীল বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

৩ আগস্ট ২০২৬, ০৩:২৬ পিএম
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের চলমান পরিস্থিতিতে সবকিছুকে ‘ষড়যন্ত্র’ বলে উড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়। আপনিও কি তাই মনে করেন?

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের চলমান পরিস্থিতিতে সবকিছুকে ‘ষড়যন্ত্র’ বলে উড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়। আপনিও কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

মঠবাড়িয়ায় প্রাইম টিভির প্রতিনিধি গাজী আল আমিনকে উপজেলা প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা

সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে নির্যাতনের শিকার সাংবাদিক, গাজীপুরে গ্রেপ্তার ৫

সাতকানিয়ায় দেবরের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা বিধবা ভাবি অভিযুক্ত'রা আটক।

মতলব উত্তরে ধর্ষণকারী ও ধর্ষণের সহায়তাকারী বড় বোন গ্রেফতার

মতলব উত্তরে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ও গুণীজন সম্মাননা অনুষ্ঠিত

মতলব উত্তরে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রবাসী পরিবারের মানববন্ধন

সাতকানিয়ায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার

মতলব উত্তরে শিপু মিয়াজীর ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

সাপ্তাহিক ছুটিতে পর্যটকে মুখরিত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

১০

প্রাইেভেট পড়তে গিয়ে শিক্ষিকার বাবা হাতে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী

জনপ্রিয় সব খবর

সেচকাজে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারে নেয়া হচ্ছে হাজার কোটি টাকার প্রকল্প: বিএমডিএ চেয়ারম্যান

উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেওয়া হবে : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম

মহেশখালীর শাপলাপুর পাহাড়ে অস্ত্র তৈরির আস্তানার সন্ধান, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জামসহ আটক ১

শরণখোলায় ৬ বছরের শিশুকে ধ*র্ষ*ণে*র অভিযোগ,৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি আটক

মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের রাজনৈতিক পরিচয় দেখা হবে না : প্রতিমন্ত্রী ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।

পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবির বিশেষ অভিযান, সাইবার অপরাধে নাহিদ গ্রেফতার

গাজীপুরে নিটিং ফ্যাক্টরীতে নিরাপত্তা কর্মীর হাত-পা বেঁধে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

নওগাঁর মান্দায় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের আয়োজনে মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশ ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

১০

মোংলায় বৈধ কাগজপত্র ও দখল থাকার পরও জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ।

সর্বশেষ সব খবর

রাজধানী

কমলাপুর স্টেডিয়ামে চরম অব্যবস্থাপনা: ক্ষুব্ধ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, প্রশাসক বরখাস্ত

কমলাপুর স্টেডিয়ামে চরম অব্যবস্থাপনা: ক্ষুব্ধ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, প্রশাসক বরখাস্ত

ক্রীড়া ডেস্ক:রাজধানীর কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের চরম অব্যবস্থাপনা ও নোংরা পরিবেশ দেখে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। আকস্মিক পরিদর্শনকালে দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগে স্টেডিয়ামের প্রশাসককে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে কমলাপুর স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। সেখানে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) নির্বাহী পরিচালক এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুম, প্লেয়ার্স ওয়াশরুম, প্রেস বক্স এবং সিঁড়ি সংলগ্ন এলাকায় জমে থাকা ধুলোবালি ও আবর্জনার স্তূপ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তীব্র গরমের মাঝে অনুপযোগী ও নোংরা পরিবেশের কারণে খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুম ছেড়ে বাধ্য হয়ে মাঠের বাইরে এসে বিশ্রাম নিতে দেখা যায়। এছাড়া স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ও গ্যারেজ ব্যবসা পরিচালনা এবং ছাদের ওপর অবৈধ স্থাপনা দেখে অসন্তোষ ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী। স্টেডিয়াম এলাকার চারপাশের দোকানপাটের বরাদ্দ বাতিলেরও নির্দেশ দেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রায় দুই মাস আগে পরিদর্শন করে স্টেডিয়ামের ছাদের অবৈধ স্থাপনা, ময়লা-আবর্জনা সরানো ও পরিচ্ছন্নতার নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও প্রশাসনিক অবহেলার কারণে কোনো অগ্রগতি হয়নি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে স্টেডিয়ামের প্রশাসক শফি কামালকে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আরও আশ্বাস দেন, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) একটি প্রতিনিধি দল দ্রুত পুরো স্টেডিয়াম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে সংস্কার, মেরামত ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করবে। পাশাপাশি স্টেডিয়ামটির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নীতিগতভাবে এটি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। দেশজুড়ে ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে যেকোনো অনিয়মে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

ডিএনসিসি ও সোসাইটির সম্মিলিত উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতার পথে নিকুঞ্জ-টানপাড়া

ডিএনসিসি ও সোসাইটির সম্মিলিত উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতার পথে নিকুঞ্জ-টানপাড়া

মো: জাকিরুল ইসলাম : রাজধানীর খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ-টানপাড়াকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও সচেতনতা র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগ ও সার্বিক সহযোগিতায় এবং নিকুঞ্জ টানপাড়া কল্যাণ সোসাইটির সমন্বয়ে এ কর্মসূচি পরিচালিত হয়।রোববার সকাল ১০টায় নিকুঞ্জ-২-এর বটতলা থেকে সচেতনতামূলক র‍্যালিটি শুরু হয়। র‍্যালিটি জাহিদ ইকবাল চত্বর অতিক্রম করে জামতলার শেষ মাথায় গিয়ে শেষ হয়। এতে নিকুঞ্জ-টানপাড়ার বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, তরুণ সমাজ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকেরা অংশ নেন।র‍্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা দেন। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সড়ক ও আশপাশের বিভিন্ন স্থান থেকে ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ ও পরিষ্কার করেন। র‍্যালির মাধ্যমে টানপাড়া ও জামতলার বাসিন্দাদের যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলা এবং নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার বিষয়ে সচেতন করা হয়।এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুধু এক দিনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ না থেকে পুরো সপ্তাহজুড়ে টানপাড়ার বিভিন্ন সড়ক, গলি, ড্রেনের আশপাশ, জনসাধারণের চলাচলের স্থানসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো পর্যায়ক্রমে পরিষ্কার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।নিকুঞ্জ টানপাড়া কল্যাণ সোসাইটির সভাপতি জাহিদ ইকবাল বলেন, “পরিচ্ছন্নতা কোনো একক ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সিটি করপোরেশনের একার দায়িত্ব নয়। একটি আবাসিক এলাকার পরিবেশ সুন্দর রাখতে হলে নাগরিকদেরও সমানভাবে দায়িত্ব নিতে হবে। আমরা চাই, আজকের এই কর্মসূচি একটি দিনের অভিযান হয়ে না থেকে নিয়মিত সামাজিক উদ্যোগে পরিণত হোক।”তিনি আরও বলেন, “শুধু ময়লা পরিষ্কার করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। কোথায় ময়লা ফেলতে হবে, কীভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করতে হবে এবং ড্রেন বা পানি নিষ্কাশনের পথে যাতে কোনো ধরনের বর্জ্য না যায়—এসব বিষয়েও সবাইকে সচেতন হতে হবে। ‘আমার এলাকা, আমার দায়িত্ব’—এই মানসিকতা তৈরি করতে পারলেই নিকুঞ্জ-টানপাড়াকে সত্যিকার অর্থে পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব।”সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক সৈকত সরকার বলেন, “আমরা চাই টানপাড়ার প্রতিটি সড়ক ও গলি পরিচ্ছন্ন থাকুক। এ জন্য সপ্তাহজুড়ে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তবে কর্মীরা যতবারই পরিষ্কার করুন না কেন, বাসিন্দারা সচেতন না হলে সেই পরিচ্ছন্নতা ধরে রাখা কঠিন।”তিনি বলেন, “বাড়ির বর্জ্য রাস্তা, ফুটপাত কিংবা ড্রেনে না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে। একই সঙ্গে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে দায়িত্বশীল হতে হবে। আমরা চাই, ডিএনসিসির সহযোগিতায় এই কার্যক্রমকে একটি ধারাবাহিক কর্মসূচিতে রূপ দিতে।”র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে নিকুঞ্জ টানপাড়া কল্যাণ সোসাইটির সভাপতি জাহিদ ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক সৈকত সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক এ এম আইয়ুব পাপ্পু, কোষাধ্যক্ষ মতিউর রহমান স্বপন, নির্বাহী সদস্য আলতাফ হোসেন, মাহফুজুর রহমান, তাসবির ইকবাল, আক্তার হোসেনসহ সোসাইটির সদস্য ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।আয়োজকেরা জানান, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য শুধু রাস্তা থেকে ময়লা-আবর্জনা সরিয়ে ফেলা নয়। এর পাশাপাশি নাগরিকদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি, ড্রেন ও পানি নিষ্কাশনের পথ সচল রাখা, যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার প্রবণতা কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদে পরিচ্ছন্ন নাগরিক আচরণ গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য।আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, একটি পরিচ্ছন্ন আবাসিক এলাকার জন্য নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি নাগরিকদের আচরণেও পরিবর্তন দরকার। তাই পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির সঙ্গে সচেতনতামূলক প্রচারও অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।নিকুঞ্জ-টানপাড়ার বাড়ির মালিক, ব্যবসায়ী, তরুণ সমাজ, সামাজিক সংগঠন, নারী-পুরুষসহ সর্বস্তরের বাসিন্দাদের এ উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে নিকুঞ্জ টানপাড়া কল্যাণ সোসাইটি।আয়োজকদের প্রত্যাশা, ডিএনসিসির সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে ধীরে ধীরে নিকুঞ্জ-টানপাড়ার প্রতিটি সড়ক, গলি ও জনপরিসর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে।‘আমার এলাকা, আমার দায়িত্ব’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে পরিচ্ছন্নতার এই উদ্যোগকে একটি নিয়মিত সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে চান আয়োজকেরা।

চতুর্থ শ্রেণি থেকেই বাধ্যতামূলক খেলাধুলা, মাঠেই হবে ব্যবহারিক মূল্যায়ন: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

চতুর্থ শ্রেণি থেকেই বাধ্যতামূলক খেলাধুলা, মাঠেই হবে ব্যবহারিক মূল্যায়ন: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:আগামী শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেন, ফুটবল, ক্রিকেট, সাঁতার, মার্শাল আর্টসহ বিভিন্ন খেলাধুলা পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং শুধু লিখিত পরীক্ষা নয়, মাঠে ব্যবহারিক মূল্যায়নেরও ব্যবস্থা রাখা হবে।শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে পল্লবী থানার বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সনদ, নগদ অর্থ ও ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিশুদের সুস্থ ও মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। শুধু শিশুদের নয়, অভিভাবকদেরও শরীরচর্চা ও খেলাধুলায় সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে শিশুদের মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল ডিভাইসের অতিনির্ভরতা কমিয়ে মাঠমুখী করতে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।তিনি জানান, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির আওতায় সারা দেশের ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। গত ১ জুলাই থেকে এর অনলাইন নিবন্ধন শুরু হয়েছে। অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্তানদের খেলাধুলার সুযোগ করে দিলে তাদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতের জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ তৈরি হবে।মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাঠে বেশি সময় কাটালে শিশুরা প্রযুক্তির আসক্তি ও মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধি থেকে দূরে থাকবে। এ লক্ষ্যেই দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে খেলার মাঠ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও জানান, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার প্রায় এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন খেলার মাঠে প্রবীণদের হাঁটার জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ড. এল. এম. কামরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব জয়নুল আবেদীন জয়, শিক্ষা সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এটিএম অলিউল হাসানাত তুহিন, পল্লবী থানা আহ্বায়ক আলী আকবর এবং সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পল্লবী থানা শাখার সভাপতি মো. হায়দার ইসলাম।

‘জুলাইয়ের লেন্স’ প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও সংগ্রামের ইতিহাস

‘জুলাইয়ের লেন্স’ প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও সংগ্রামের ইতিহাস

সাভার প্রতিনিধি:জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং নতুন প্রজন্মের কাছে আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরার লক্ষ্যে সাভারে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী আলোকচিত্র প্রদর্শনী ‘জুলাইয়ের লেন্স’।শনিবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় সাভারের ব্যাংক কলোনি এলাকায় ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবুর বাসভবনের অডিটোরিয়ামে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান উদযাপন কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন তিনি। আয়োজকরা জানান, প্রদর্শনীটি এক সপ্তাহ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডা. সালাউদ্দিন বাবু বলেন, ইতিহাস সংরক্ষণে আলোকচিত্রের গুরুত্ব অপরিসীম। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের ঘটনা, আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস জানতে পারে, সে লক্ষ্যেই এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।প্রদর্শনীতে গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, আন্দোলনকারীদের প্রতিরোধ, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ এবং বিশেষ করে সাভারে নিহতদের স্মরণে সংরক্ষিত আলোকচিত্র স্থান পেয়েছে। প্রদর্শনী ঘুরে দর্শনার্থীরা আন্দোলনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন এবং নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী অংশ নেন।আয়োজকদের ভাষ্য, এটি শুধু একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনী নয়; বরং গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার একটি উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও ইতিহাসভিত্তিক এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে।প্রদর্শনী শেষে ‘জুলাইয়ের লেন্স’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত সেরা ১০ আলোকচিত্রীকে পুরস্কার ও সনদ প্রদান করা হয়।

 সারাদেশ সারাদেশ

সেচকাজে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারে নেয়া হচ্ছে হাজার কোটি টাকার প্রকল্প: বিএমডিএ চেয়ারম্যান

সেচকাজে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারে নেয়া হচ্ছে হাজার কোটি টাকার প্রকল্প: বিএমডিএ চেয়ারম্যান

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিএমডিএ'র চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন বলেছেন, বরেন্দ্র অঞ্চলে ধীরে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। তাই সরকার ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে মহানন্দা নদী থেকে পানি উত্তোলন করে খালে ফেলার পর আবার তা জমিতে সেচ কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হবে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর কয়েকটি উপজেলার কৃষকরা উপকৃত হবেন। এলাকার কৃষকদের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রাথমিকভাবে রাজি হয়েছেন। আশা করি, আগামী অর্থবছর থেকেই এর কার্যক্রম শুরু হবে। শনিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএমডিএ'র বীজ প্রক্রিয়াজাতকরন কেন্দ্র, খাল-নদী ও বরেন্দ্র অঞ্চলের ফসলী মাঠ পরিদর্শন এবং কৃষকদের সাথে মতবিনিময় শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে বরেন্দ্র অঞ্চলে সেচকাজে বিদ্যুৎ ব্যবহার বন্ধ করা হবে। সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করে বরেন্দ্র অঞ্চলের ১৭০০টি পাম্প চালানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। যাতে চলমান বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার উপর নির্ভরতা না থাকে। খাল খনন করে নদী ও খালে বর্ষার পানি ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহার করা হবে। এছাড়াও ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহার নিশ্চিত করতে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএমডিএ'র নির্বাহী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম খান, বিএমডিএ রাজশাহী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান, বিএমডিএ চাঁপাইনবাবগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আল মামুনুর রশীদসহ বিএমডিএ'র বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

৫ ঘন্টা আগে

 রাজনীতি রাজনীতি

 বৃষ্টি উপেক্ষা করে মঠবাড়িয়ায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

১৫ আগস্ট ঘিরে আওয়ামী লীগের নাশকতা প্রতিহতের ঘোষণা, / বৃষ্টি উপেক্ষা করে মঠবাড়িয়ায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

গাজী আল আমিন, মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:আগামী ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের নাশকতা ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও শোডাউন করেছে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।বুধবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বৃষ্টির মধ্যেই পৌর ভবনের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বের হওয়া মিছিলটি পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বর হয়ে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।মিছিল ও শোডাউনে নেতৃত্ব দেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান। এতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।পথসভায় বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মজিবুর রহমান, পৌর যুবদলের সভাপতি মাইনুল ইসলাম রিপন মুন্সীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।পথসভায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন, আগামী ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ কোনো ধরনের নাশকতা কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করা হবে।তিনি দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তথ্য পেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে।বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে মিছিল ও শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়।

১৪ আগস্ট ২০২৬

 খেলা খেলা

কমলাপুর স্টেডিয়ামে চরম অব্যবস্থাপনা: ক্ষুব্ধ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, প্রশাসক বরখাস্ত

কমলাপুর স্টেডিয়ামে চরম অব্যবস্থাপনা: ক্ষুব্ধ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, প্রশাসক বরখাস্ত

ক্রীড়া ডেস্ক:রাজধানীর কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের চরম অব্যবস্থাপনা ও নোংরা পরিবেশ দেখে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। আকস্মিক পরিদর্শনকালে দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগে স্টেডিয়ামের প্রশাসককে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে কমলাপুর স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। সেখানে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) নির্বাহী পরিচালক এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুম, প্লেয়ার্স ওয়াশরুম, প্রেস বক্স এবং সিঁড়ি সংলগ্ন এলাকায় জমে থাকা ধুলোবালি ও আবর্জনার স্তূপ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তীব্র গরমের মাঝে অনুপযোগী ও নোংরা পরিবেশের কারণে খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুম ছেড়ে বাধ্য হয়ে মাঠের বাইরে এসে বিশ্রাম নিতে দেখা যায়। এছাড়া স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ও গ্যারেজ ব্যবসা পরিচালনা এবং ছাদের ওপর অবৈধ স্থাপনা দেখে অসন্তোষ ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী। স্টেডিয়াম এলাকার চারপাশের দোকানপাটের বরাদ্দ বাতিলেরও নির্দেশ দেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রায় দুই মাস আগে পরিদর্শন করে স্টেডিয়ামের ছাদের অবৈধ স্থাপনা, ময়লা-আবর্জনা সরানো ও পরিচ্ছন্নতার নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও প্রশাসনিক অবহেলার কারণে কোনো অগ্রগতি হয়নি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে স্টেডিয়ামের প্রশাসক শফি কামালকে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আরও আশ্বাস দেন, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) একটি প্রতিনিধি দল দ্রুত পুরো স্টেডিয়াম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে সংস্কার, মেরামত ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করবে। পাশাপাশি স্টেডিয়ামটির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নীতিগতভাবে এটি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। দেশজুড়ে ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে যেকোনো অনিয়মে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়, প্রস্তুতি ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়, প্রস্তুতি ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক:দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে গিয়ে প্রস্তুতি ম্যাচেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে লড়াই করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস ও ৩৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে টাইগাররা।আগামী ১৩ আগস্ট থেকে মাঠে গড়াবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। তবে তার আগে ডারউইনে আয়োজিত চার দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের এমন ভরাডুবি মূল সিরিজের আগে লাল-সবুজের প্রতিনিধি দলকে বড় দুশ্চিন্তায় ফেলে দিল।ম্যাচে ৯২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ক্যামবেল থম্পসনের তোপের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। সাদমান ইসলাম (৬), মুমিনুল হক (৬), অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত (০), সৌম্য সরকার (৫) ও মুশফিকুর রহিম (২)—শীর্ষ সারির ব্যাটাররা দায়িত্বহীনভাবে একে একে সাজঘরে ফেরেন।মাত্র ৩৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা দলের পক্ষে তানজিদ হাসান ২২ রানের সামান্য লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাকে ফিরিয়ে আবারও আঘাত হানেন থম্পসন। মেহেদি হাসান মিরাজও (৬) বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ২১.৬ ওভারে মাত্র ৫৪ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। অস্ট্রেলীয় পেসার ক্যামবেল থম্পসন একাই ১১ ওভারে ২৫ রান দিয়ে নেন ৮টি উইকেট।এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৬৩ রান সংগ্রহ করেছিল। দলের পক্ষে ১৪১ বলে ১০৯ রানের ঝলমলে অপরাজিত ইনিংস খেলেন মেহেদি হাসান মিরাজ (১১ চার ও ৪ ছক্কা)। এছাড়া শান্ত ৩৭ এবং সাদমান ৩১ রান করেন। অস্ট্রেলিয়া একাদশের হয়ে প্রথম ইনিংসে কোরি রকিচোলি ৬টি উইকেট শিকার করেন।জবাবে ব্যাট করতে নেমে টিগ উইলির দুর্দান্ত শতকে (১৩০) ৩৫৫ রানের পাহাড়ি পুঁজি দাঁড় করায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ। এতে ৯২ রানের লিড পায় তারা। বাংলাদেশের পক্ষে বোলার হাসান মাহমুদ ৪২ রান দিয়ে ৪টি উইকেট পান। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও মিরাজ নেন ২টি করে উইকেট।

শঙ্কায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলতে বাংলাদেশের সামনে যে সমীকরণ

আগের দুই আসরের বাছাইপর্ব খেলতে হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। একবার সেই বাধা পেরিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিলেও ২০২৩ সালের আসরে বাছাইপর্ব উতরাতে পারেনি ক্যারিবীয়রা। এবার টানা তৃতীয়বারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে খেলার শঙ্কায় পড়েছে তারা। আর সেই সমীকরণের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ভাগ্যও।আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আফগানিস্তানের জয়ের পর ২০২৭ বিশ্বকাপের সরাসরি টিকিট পাওয়ার লড়াইয়ে নতুন হিসাব তৈরি হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।২০২৭ বিশ্বকাপের সমীকরণআফ্রিকায় অনুষ্ঠেয় ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশ নেবে মোট ১৪টি দল। সহ-আয়োজক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাচ্ছে।বাকি আটটি জায়গা নির্ধারিত হবে আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে। দুই আয়োজকের মধ্যে একটি দল যদি র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আটে থাকে, তাহলে নবম স্থানে থাকা দলও সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে। আর দুই আয়োজকই যদি শীর্ষ আটে থাকে, তাহলে শীর্ষ ১০-এ থাকা দলগুলো সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করবে।বর্তমানে আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আটে রয়েছে। ফলে নবম স্থানে থাকা দলও সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট পাবে।এই মুহূর্তে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবস্থান ১০ নম্বরে। তাদের রেটিং পয়েন্ট ৭৭। নবম স্থানে থাকা বাংলাদেশের রেটিং ৮৩, আর আট নম্বরে থাকা আফগানিস্তানের রেটিং ৯০।অর্থাৎ সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অন্তত নবম স্থানে উঠতে হবে।ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাজটা কতটা কঠিন?ওয়েস্ট ইন্ডিজের হাতে ৩০ সেপ্টেম্বরের আগে বাকি আছে মাত্র দুটি ওয়ানডে। দুটিই ভারতের বিপক্ষে, তাও আবার ভারতের মাটিতে।সেই সিরিজে দুই ম্যাচ জিতলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে অষ্টম স্থানে ওঠা সম্ভব হবে না। এমনকি নবম স্থানেও ওঠার পথও প্রায় বন্ধ।কারণ, বাংলাদেশের সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রেটিং পয়েন্টের ব্যবধান বর্তমানে ৬। ভারতের বিপক্ষে দুই ম্যাচেই জিতলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রেটিং সর্বোচ্চ ৮২ হতে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থাকবে ৮৩ পয়েন্টে।এই সময়ে বাংলাদেশের কোনো ওয়ানডে না থাকায় তাদের রেটিং পয়েন্ট বাড়বে না। একই সঙ্গে ম্যাচ না থাকায় রেটিং কমার ঝুঁকিও নেই। ফলে ভারতের বিপক্ষে দুই ম্যাচ জিতেও বাংলাদেশকে টপকানো ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য কার্যত অসম্ভব।তবে বাংলাদেশের জন্যও আছে শঙ্কাতবে হিসাব পুরোপুরি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নয়। বাংলাদেশের সামনে তৈরি হতে পারে নতুন বিপদ।আগামী ১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের ভারতের বিপক্ষে একটি সিরিজ খেলার কথা রয়েছে। যদিও সিরিজটি শেষ পর্যন্ত মাঠে গড়াবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।সিরিজটি অনুষ্ঠিত হলে এবং বাংলাদেশ সেখানে হেরে গেলে র‍্যাঙ্কিংয়ের হিসাব বদলে যেতে পারে। তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য নবম স্থানে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে।সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করবে ভারতের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের শেষ দুই ম্যাচের ফলের ওপর। অর্থাৎ সরাসরি ২০২৭ বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করতে শুধু নিজেদের অবস্থান ধরে রাখলেই হবে না, র‍্যাঙ্কিংয়ের এই জটিল সমীকরণও মাথায় রাখতে হবে লিটন দাসের দলকে।সব মিলিয়ে, আপাতত ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে বাংলাদেশই কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও সেপ্টেম্বরের সম্ভাব্য বাংলাদেশ-ভারত সিরিজই বদলে দিতে পারে পুরো সমীকরণ।

শঙ্কায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলতে বাংলাদেশের সামনে যে সমীকরণ

মেসির বাবা হোর্হে মেসি মারা গেছেন—বিভিন্ন গণমাধ্যমের দাবি

আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি মারা গেছেন বলে খবর প্রকাশ করেছে একাধিক আর্জেন্টাইন ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। শনিবার (৮ আগস্ট) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬৮ বছর বয়সে মারা গেছেন তিনি।বেশ কিছুদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন হোর্হে মেসি। এর আগে তার স্বাস্থ্য নিয়ে নানা খবর ছড়িয়ে পড়লে মেসি পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এবং তার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছিল।ছোটবেলা থেকেই লিওনেল মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল হোর্হে মেসির। মাত্র ১৩ বছর বয়সে ২০০০ সালে মেসির বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে ছেলের এজেন্ট হিসেবেও কাজ করেন তিনি।তবে সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, হোর্হে মেসির মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও মেসি পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত নিশ্চিত হওয়ার জন্য পরিবারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষা রয়েছে।

মেসির বাবা হোর্হে মেসি মারা গেছেন—বিভিন্ন গণমাধ্যমের দাবি

সাকিবকে ইঙ্গিত করে পোস্ট? ‘খুনীর প্রমাণিত দোসর, ফ্যাসিস্ট’ লিখলেন আসিফ আকবর

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে কারও নাম উল্লেখ না করেই কঠোর মন্তব্য করেছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকের ধারণা, তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানকে ইঙ্গিত করেছেন।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দেওয়া ওই পোস্টে আসিফ লেখেন, “দেশের গ্রেট প্লেয়ার হিসেবে তার প্রতি সিমপ্যাথি ছিল। আসলে সে খুনীর প্রমাণিত দোসর, ফ্যাসিস্ট। বিলম্বিত বোধোদয়ের জন্য আমি লজ্জিত, দুঃখিত, ক্ষমাপ্রার্থী।”পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, সম্প্রতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে সাকিব আল হাসানের অংশগ্রহণের বিষয়টিকেই ইঙ্গিত করেছেন তিনি। তবে পোস্টে আসিফ আকবর কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি।এদিকে সাকিব আল হাসানকে ঘিরে আরেকটি ঘটনাও আলোচনায় এসেছে। বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে মাগুরা শহরের কেশব মোড় এলাকায় তার পৈতৃক বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা বাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, ককটেল সদৃশ বস্তু ছোড়া এবং আগুন দেওয়ার চেষ্টা করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অগ্নিসংযোগের চেষ্টার প্রাথমিক আলামত পেয়েছে। কয়েকটি মোটরসাইকেলে করে আসা দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) খন্দকার খাইরুল হাসান বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।তবে আসিফ আকবরের ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে কিংবা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো নিয়ে এখন পর্যন্ত সাকিব আল হাসান বা তার প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সাকিবকে ইঙ্গিত করে পোস্ট? ‘খুনীর প্রমাণিত দোসর, ফ্যাসিস্ট’ লিখলেন আসিফ আকবর

অস্ট্রেলিয়া সফরের শুরুতেই ধাক্কা, মিরাজের সেঞ্চুরিতে সম্মান বাঁচাল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২০০৩ সালের পর প্রথমবার টেস্ট সিরিজ খেলতে যাওয়া বাংলাদেশ দল প্রস্তুতি ম্যাচেই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে অভিজ্ঞ ব্যাটারদের ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি নাজমুল হোসেন শান্তর দল। তবে মেহেদী হাসান মিরাজের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে শেষ পর্যন্ত লড়াই করার মতো সংগ্রহ পেয়েছে সফরকারীরা।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ডারউইনে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ৭ রানের মাথায় কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। হ্যানো জ্যাকবসের বলে স্যাম কন্সটাসের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।অন্য ওপেনার সাদমান ইসলাম কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। কোরি রকিচোলির বলে আউট হওয়ার আগে ৪৭ বলে ৩১ রান করেন তিনি। একই বোলারের শিকার হয়ে মুমিনুল হক ফেরেন ১৬ রান করে। এরপর অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম মাত্র চার বল খেলেই রানের খাতা না খুলে বিদায় নেন। ফলে মধ্যাহ্ন বিরতির আগেই ৭৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।পরে নাজমুল হোসেন শান্ত ও অমিত হাসান জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে অমিত ১৫ রান এবং শান্ত ৩৭ রান করে আউট হলে আবারও বিপদে পড়ে দল। সৌম্য সরকারও ১৬ রান করে ফিরে যান।একপ্রান্ত আগলে রেখে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়লেও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে সম্মানজনক সংগ্রহ এনে দেন তিনি। ১৪১ বল মোকাবিলা করে ১১টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে অপরাজিত ১০৯ রান করেন এই অলরাউন্ডার।মিরাজের সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ৭৫.৫ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬৩ রান।ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন অফস্পিনার কোরি রকিচোলি। তিনি একাই শিকার করেন ৬ উইকেট। বাকি চার বোলার নেন একটি করে উইকেট।উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের কোনো বোলারেরই এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। তবুও তাদের বোলিং আক্রমণের সামনে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপের দুর্বলতা স্পষ্ট হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া সফরের শুরুতেই ধাক্কা, মিরাজের সেঞ্চুরিতে সম্মান বাঁচাল বাংলাদেশ

 বিনোদন বিনোদন

সকল জেলার খবর

আন্তর্জাতিক

আর্কাইভ

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি

সাতকানিয়ায় ১৯মে হতে ২১ মে পর্যন্ত আয়োজিত হতে যাচ্ছে &ampquotভূমিসেবা মেলা ২০২৬&ampquot।

সাতকানিয়ায় ১৯মে হতে ২১ মে পর্যন্ত আয়োজিত হতে যাচ্ছে &quotভূমিসেবা মেলা ২০২৬&quot।

সাতকানিয়ায় ১৯মে হতে ২১ মে পর্যন্ত আয়োজিত হতে যাচ্ছে "ভূমিসেবা মেলা ২০২৬"।স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশ হিসেবে ভূমিসেবাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব করতে দেশব্যাপী ১৯মে হতে ২১ মে পর্যন্ত আয়োজিত হতে যাচ্ছে "ভূমিসেবা মেলা ২০২৬"।উপজেলা ভূমি অফিস, সাতকানিয়া-র পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে এই মেলায় সাদর আমন্ত্রণ জানানো হয়। মেলায় এসে কোনো ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে বসে ডিজিটাল ভূমিসেবা গ্রহণের চমৎকার সব উপায় জেনে নিন এবং তাৎক্ষণিক বিভিন্ন সেবা উপভোগ করুন।দালালমুক্ত, হয়রানিহীন এবং আধুনিক ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মেলায় আসুন, স্মার্ট ভূমিসেবার পরিধি জানুন এবং নিজের অধিকার সুরক্ষিত রাখুন।উদ্বোধন: ১৯ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, সকাল ১০টাস্থান: উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণ, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন