পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কবিরাজি চিকিৎসার নামে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরীর সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক ও অন্তরঙ্গের ভিডিও মোবাইলে ধারন করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে তাইজুল ইসলাম মুসা (৪০) নামের এক কথিত কবিরাজকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-৮ এর সদস্যরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চৌরাস্তা সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে থানায় সোপর্দ করা হয়। মুসা উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের রাজ্জাক মোল্লার ছেলে। সে দীর্ঘদিন ঝাঁড়ফুকের মাধ্যমে কবিরাজি চিকিৎসা দেয়ায় এলাকায় তিনি মুসা হুজুর নামে পরিচিত। এ ঘটনায় গত ৩১ আগষ্ট ওই কিশোরীর সৎপিতা বাদী হয়ে মুসাসহ ১১ জনের নামে কলাপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মালমা সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরীর সৎ বাবা বরিশাল রুপাতলী এলাকার বাসিন্দা। সে, তার সৎ বাবা ও মা দুই মাস ধরে কলাপাড়া শহরের মদিনাবাগের একটি বাসায় ভাড়া থাকেন। সে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হওয়ায় দুই মাস আগে চিকিৎসার জন্য পূর্ব পরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে মুসার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে চিকিৎসার সুবাদে মুসা প্রায়ই তাদের ভাড়া বাসায় যাওয়া আসা করতো এবং এক পর্যায়ে ওই কিশোরীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ০২ অক্টোবর রাত সাড়ে দশটায় তার সৎ বাবা বাসায় না থাকার সুবাদে মুসা ১০ থেকে ১১জন লোক নিয়ে তাদের বাসায় যায়। পরে তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মুসা তার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এসময় মুসার সঙ্গে যাওয়া লোকজন তার অজান্তে তাদের দৈহিক সম্পর্কের ভিডিও মোবাইলে ধারন করে। কয়েকদিন পরে তাদের মধ্যে আরো মেলামেশা হয় এবং গোপনে তার লোকজন ভিডিও করে রাখে। এছাড়া বিভিন্ন সময় তার মায়ের অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারন করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে সে মুসাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে মুসা তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে তার সঙ্গে থাকা লোকজন তাদের অন্তরঙ্গের ওই ভিডিও বিভিন্ন নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ এবং মা-মেয়ের নম্বরে পাঠায়। গত ১৫ অক্টোবর মুসাসহ তার লোকজন ফের ওই বাসায় গিয়ে মুসা তাকে বিয়ে না করার কথা জানিয়ে দেয় এবং তাদের কথামতো না চললে অন্তরঙ্গের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়।
কলাপাড়া থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আসামীকে আগামীকাল আদালতে প্রেরন করা হবে। এছাড়া অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কবিরাজি চিকিৎসার নামে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরীর সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক ও অন্তরঙ্গের ভিডিও মোবাইলে ধারন করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে তাইজুল ইসলাম মুসা (৪০) নামের এক কথিত কবিরাজকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-৮ এর সদস্যরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চৌরাস্তা সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে থানায় সোপর্দ করা হয়। মুসা উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের রাজ্জাক মোল্লার ছেলে। সে দীর্ঘদিন ঝাঁড়ফুকের মাধ্যমে কবিরাজি চিকিৎসা দেয়ায় এলাকায় তিনি মুসা হুজুর নামে পরিচিত। এ ঘটনায় গত ৩১ আগষ্ট ওই কিশোরীর সৎপিতা বাদী হয়ে মুসাসহ ১১ জনের নামে কলাপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মালমা সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরীর সৎ বাবা বরিশাল রুপাতলী এলাকার বাসিন্দা। সে, তার সৎ বাবা ও মা দুই মাস ধরে কলাপাড়া শহরের মদিনাবাগের একটি বাসায় ভাড়া থাকেন। সে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হওয়ায় দুই মাস আগে চিকিৎসার জন্য পূর্ব পরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে মুসার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে চিকিৎসার সুবাদে মুসা প্রায়ই তাদের ভাড়া বাসায় যাওয়া আসা করতো এবং এক পর্যায়ে ওই কিশোরীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ০২ অক্টোবর রাত সাড়ে দশটায় তার সৎ বাবা বাসায় না থাকার সুবাদে মুসা ১০ থেকে ১১জন লোক নিয়ে তাদের বাসায় যায়। পরে তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মুসা তার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এসময় মুসার সঙ্গে যাওয়া লোকজন তার অজান্তে তাদের দৈহিক সম্পর্কের ভিডিও মোবাইলে ধারন করে। কয়েকদিন পরে তাদের মধ্যে আরো মেলামেশা হয় এবং গোপনে তার লোকজন ভিডিও করে রাখে। এছাড়া বিভিন্ন সময় তার মায়ের অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারন করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে সে মুসাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে মুসা তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে তার সঙ্গে থাকা লোকজন তাদের অন্তরঙ্গের ওই ভিডিও বিভিন্ন নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ এবং মা-মেয়ের নম্বরে পাঠায়। গত ১৫ অক্টোবর মুসাসহ তার লোকজন ফের ওই বাসায় গিয়ে মুসা তাকে বিয়ে না করার কথা জানিয়ে দেয় এবং তাদের কথামতো না চললে অন্তরঙ্গের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়।
কলাপাড়া থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আসামীকে আগামীকাল আদালতে প্রেরন করা হবে। এছাড়া অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে

আপনার মতামত লিখুন