গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের কারণে জনজীবনে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। টানা চার দিন ধরে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
এ ছাড়া গত কয়েক দিনে শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি থাকায় উৎপাদনে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন পোশাক শিল্পমালিকরা।
আন্দোলন মোকাবিলায় আজ মঙ্গলবার সকালে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ভোগড়া বাইপাস ও চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থান নেন।
এছাড়াও নগরীর কোনাবাড়ী বিসিক এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রাখতে অবস্থান নেন কোনাবাড়ী মেট্টো থানা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস আলী সরকারসহ কোনাবাড়ী মেট্টো থানা বিএনপি ও ৬ টি ওয়ার্ড বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
স্থানীয় বিএনপির নেতারা দাবি করেন, প্রতিদিনই শ্রমিকরা কারখানায় কাজে যোগ দিতে গেলে শ্রমিক পরিচয়ে একশ্রেণির বহিরাগত লোক তাদের কাজে যোগ দিতে বাধা সৃষ্টি করছেন। শ্রমিকদের তারা জোর করে বের করে এনে তাদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। এতে করে শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, শ্রমিক পরিচয়ে রাস্তায় যানবাহন ভাঙচুর, পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাচ্ছেন তারা। এসব অপ্রীতিকর ঘটনার প্রতিবাদে গাজীপুরে বিএনপির নেতাকর্মীরা মঙ্গলবার সকাল থেকেই মাঠে রয়েছেন।
মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের শান্ত থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার আহ্বান জানান। শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে যেন কোনো ধরনের নাশকতা কেউ করতে না পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।
এ ছাড়াও নগরীর বোর্ডবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মহাসড়কের পাশে অবস্থান নেন।
গতকাল সোমবার সকালে গাজীপুর- ১ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান মহানগরের নাওজোড় এলাকায় নেতাকর্মীদের নিয়ে অবস্থান নেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বাসন থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
কারও উস্কানিতে আন্দোলনে না গিয়ে কর্মস্থলে ফিরে যেতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানান গার্মেন্টস শ্রমিক ও শিল্প রক্ষা জাতীয় মঞ্চের সদস্য সচিব এবং বাংলাদেশ গার্মেন্টস এন্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম সুজন।এসময় তিনি বলেন,মজুরী বোর্ড গঠন হয়েছে।সেখানে শ্রমিকদের
পক্ষ থেকে ২ জন শ্রমিক প্রতিনিধি যুক্ত আছেন।সরকারী পে স্কেলের সাথে সামঞ্জস্য ও বর্তমান বাজার দরের সাথে সংগতি রেখে গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য একটি মানসম্মত ন্যায্য মজুরী ঘোষণা হবে এই প্রত্যাশা করেন তিনি।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের কারণে জনজীবনে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। টানা চার দিন ধরে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
এ ছাড়া গত কয়েক দিনে শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি থাকায় উৎপাদনে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন পোশাক শিল্পমালিকরা।
আন্দোলন মোকাবিলায় আজ মঙ্গলবার সকালে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ভোগড়া বাইপাস ও চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থান নেন।
এছাড়াও নগরীর কোনাবাড়ী বিসিক এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রাখতে অবস্থান নেন কোনাবাড়ী মেট্টো থানা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস আলী সরকারসহ কোনাবাড়ী মেট্টো থানা বিএনপি ও ৬ টি ওয়ার্ড বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
স্থানীয় বিএনপির নেতারা দাবি করেন, প্রতিদিনই শ্রমিকরা কারখানায় কাজে যোগ দিতে গেলে শ্রমিক পরিচয়ে একশ্রেণির বহিরাগত লোক তাদের কাজে যোগ দিতে বাধা সৃষ্টি করছেন। শ্রমিকদের তারা জোর করে বের করে এনে তাদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। এতে করে শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, শ্রমিক পরিচয়ে রাস্তায় যানবাহন ভাঙচুর, পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাচ্ছেন তারা। এসব অপ্রীতিকর ঘটনার প্রতিবাদে গাজীপুরে বিএনপির নেতাকর্মীরা মঙ্গলবার সকাল থেকেই মাঠে রয়েছেন।
মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের শান্ত থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার আহ্বান জানান। শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে যেন কোনো ধরনের নাশকতা কেউ করতে না পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।
এ ছাড়াও নগরীর বোর্ডবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মহাসড়কের পাশে অবস্থান নেন।
গতকাল সোমবার সকালে গাজীপুর- ১ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান মহানগরের নাওজোড় এলাকায় নেতাকর্মীদের নিয়ে অবস্থান নেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বাসন থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
কারও উস্কানিতে আন্দোলনে না গিয়ে কর্মস্থলে ফিরে যেতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানান গার্মেন্টস শ্রমিক ও শিল্প রক্ষা জাতীয় মঞ্চের সদস্য সচিব এবং বাংলাদেশ গার্মেন্টস এন্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম সুজন।এসময় তিনি বলেন,মজুরী বোর্ড গঠন হয়েছে।সেখানে শ্রমিকদের
পক্ষ থেকে ২ জন শ্রমিক প্রতিনিধি যুক্ত আছেন।সরকারী পে স্কেলের সাথে সামঞ্জস্য ও বর্তমান বাজার দরের সাথে সংগতি রেখে গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য একটি মানসম্মত ন্যায্য মজুরী ঘোষণা হবে এই প্রত্যাশা করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন