প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যের আধার সুন্দরবনে নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার। অধিক মাছ ধরার লোভে একশ্রেণির অসাধু জেলে নদী-খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছের পোনা, ডিমসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী ধ্বংস করছে। এতে হুমকির মুখে পড়ছে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ। বনদস্যুদের পাশাপাশি বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার করা ব্যক্তিরাও এখন সুন্দরবন রক্ষার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
সুন্দরবন দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় কয়েক লাখ মানুষের জীবন-জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন। মাছ আহরণ, মধু সংগ্রহসহ বনের বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করেন এসব এলাকার মানুষ। অথচ সাময়িক আর্থিক লাভের আশায় কিছু অসাধু ব্যক্তি বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার করায় দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এই প্রাকৃতিক সম্পদ।
সম্প্রতি সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারের সময় দুই ব্যক্তিকে আটক করতে গেলে তারা বন বিভাগের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। পরে বন বিভাগের সদস্যরা তাদের আটক করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)আতিকুর রহমান বলেন,আটক দুই আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে তাদের আজ রবিবার বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বিষ প্রয়োগের ফলে শুধু বড় মাছই নয়, মাছের পোনা, ডিম এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে সুন্দরবনের খাদ্যশৃঙ্খল ও প্রাকৃতিক প্রতিবেশব্যবস্থায় বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকায়।
সচেতন মহলের মতে, সুন্দরবন শুধু বর্তমান প্রজন্মের সম্পদ নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ। তাই বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার বন্ধে বন বিভাগের অভিযান জোরদারের পাশাপাশি স্থানীয় জেলে, বনজীবী ও উপকূলীয় জনগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। সুন্দরবন রক্ষায় এখনই বিষ দস্যুদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যের আধার সুন্দরবনে নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার। অধিক মাছ ধরার লোভে একশ্রেণির অসাধু জেলে নদী-খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছের পোনা, ডিমসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী ধ্বংস করছে। এতে হুমকির মুখে পড়ছে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ। বনদস্যুদের পাশাপাশি বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার করা ব্যক্তিরাও এখন সুন্দরবন রক্ষার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
সুন্দরবন দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় কয়েক লাখ মানুষের জীবন-জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন। মাছ আহরণ, মধু সংগ্রহসহ বনের বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করেন এসব এলাকার মানুষ। অথচ সাময়িক আর্থিক লাভের আশায় কিছু অসাধু ব্যক্তি বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার করায় দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এই প্রাকৃতিক সম্পদ।
সম্প্রতি সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারের সময় দুই ব্যক্তিকে আটক করতে গেলে তারা বন বিভাগের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। পরে বন বিভাগের সদস্যরা তাদের আটক করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)আতিকুর রহমান বলেন,আটক দুই আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে তাদের আজ রবিবার বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বিষ প্রয়োগের ফলে শুধু বড় মাছই নয়, মাছের পোনা, ডিম এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে সুন্দরবনের খাদ্যশৃঙ্খল ও প্রাকৃতিক প্রতিবেশব্যবস্থায় বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকায়।
সচেতন মহলের মতে, সুন্দরবন শুধু বর্তমান প্রজন্মের সম্পদ নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ। তাই বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার বন্ধে বন বিভাগের অভিযান জোরদারের পাশাপাশি স্থানীয় জেলে, বনজীবী ও উপকূলীয় জনগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। সুন্দরবন রক্ষায় এখনই বিষ দস্যুদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন