সুলতান আহম্মেদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, সমাজকর্মী ও মানবাধিকার কর্মী রোটারিয়ান ফেরদৌসী আক্তার রেহানার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই ছবিতে তার হাতে একটি মদের বোতল (মাদকদ্রব্য) দেখা গেছে বলে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জের এই নারী নেত্রীর এমন ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা মতবাদ ও বিতর্কের ঝড় উঠেছে। অনেকেই একজন সমাজকর্মী ও মানবাধিকার কর্মীর এমন ছবিতে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। তবে নেটিজেনদের একাংশের মতে, এই ছবিটির পেছনের প্রকৃত সত্য বা প্রেক্ষাপট নিশ্চিত না হয়ে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন নয়। এটি কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশ কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার অংশও হতে পারে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফেরদৌসী আক্তার রেহানা নারায়ণগঞ্জের একজন পরিচিত নারী মুখ, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে কাজ করছেন। বিভিন্ন সময়ে মানবাধিকার কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজেও তাকে সক্রিয় দেখা গেছে।
একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, অতীতেও এই নেত্রীকে নিয়ে স্থানীয় রাজনীতি ও সামাজিক অঙ্গনে নানামুখী আলোচনা হয়েছে। তাই নতুন করে ছড়িয়ে পড়া এই ছবিটি কোনো গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ কি না, কিংবা ছবিটির সত্যতা কতটুকু—তা নিয়ে খোদ সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত ফেরদৌসী আক্তার রেহানার কিংবা তার সংশ্লিষ্ট সংগঠনের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেবলই একটি গুজব, এডিটেড ছবি নাকি এর পেছনে অন্য কোনো সত্যতা রয়েছে, তা প্রশাসনের তদন্ত ও সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিক বিবৃতির পরেই স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
সুলতান আহম্মেদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, সমাজকর্মী ও মানবাধিকার কর্মী রোটারিয়ান ফেরদৌসী আক্তার রেহানার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই ছবিতে তার হাতে একটি মদের বোতল (মাদকদ্রব্য) দেখা গেছে বলে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জের এই নারী নেত্রীর এমন ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা মতবাদ ও বিতর্কের ঝড় উঠেছে। অনেকেই একজন সমাজকর্মী ও মানবাধিকার কর্মীর এমন ছবিতে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। তবে নেটিজেনদের একাংশের মতে, এই ছবিটির পেছনের প্রকৃত সত্য বা প্রেক্ষাপট নিশ্চিত না হয়ে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন নয়। এটি কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশ কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার অংশও হতে পারে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফেরদৌসী আক্তার রেহানা নারায়ণগঞ্জের একজন পরিচিত নারী মুখ, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে কাজ করছেন। বিভিন্ন সময়ে মানবাধিকার কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজেও তাকে সক্রিয় দেখা গেছে।
একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, অতীতেও এই নেত্রীকে নিয়ে স্থানীয় রাজনীতি ও সামাজিক অঙ্গনে নানামুখী আলোচনা হয়েছে। তাই নতুন করে ছড়িয়ে পড়া এই ছবিটি কোনো গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ কি না, কিংবা ছবিটির সত্যতা কতটুকু—তা নিয়ে খোদ সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত ফেরদৌসী আক্তার রেহানার কিংবা তার সংশ্লিষ্ট সংগঠনের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেবলই একটি গুজব, এডিটেড ছবি নাকি এর পেছনে অন্য কোনো সত্যতা রয়েছে, তা প্রশাসনের তদন্ত ও সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিক বিবৃতির পরেই স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন