নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটের মহোৎসব চলছে। তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ব্যবহার করে উপজেলাজুড়ে গড়ে উঠেছে ৫৬টিরও বেশি অবৈধ চুনা কারখানা। বারবার অভিযান আর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেও থামানো যাচ্ছে না এই অবৈধ বাণিজ্য। পিরোজপুরে নেয়ামত উল্লাহর কারখানা: ভেঙেও দমানো যাচ্ছে না। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পিরোজপুর ইউনিয়নের পিয়ার নগর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে চুনা কারখানা পরিচালনা করে আসছেন নেয়ামত উল্লাহ। এর আগে তিতাস কর্তৃপক্ষ অভিযান চালিয়ে তার কারখানা গুঁড়িয়ে দিয়ে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, এরপরও তিনি আবারও বিভিন্ন জায়গায় কারখানা স্থাপন করে দিনের আলোয় প্রকাশ্যভাবে অবৈধ গ্যাস সংযোগের মাধ্যমে কারখানা পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
এলাকাবাসীর ভাষায়, এটি স্থানীয় প্রশাসন ও তিতাস কর্তৃপক্ষকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের শামিল। ঘণ্টায় ২০ হাজার ঘনফুট গ্যাস চুরি, মাসে কোটি টাকার ক্ষতি।
স্থানীয়দের দাবি, প্রতিটি কারখানা ঘণ্টায় প্রায় ২০ হাজার ঘনফুট অবৈধ গ্যাস ব্যবহার করছে। এতে সরকার প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। অথচ বৈধ গ্রাহকরা গ্যাস না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন: কার ছত্রছায়ায় নেয়ামত উল্লাহ?
এখন এলাকাবাসীর মনে একটাই প্রশ্ন - রাষ্ট্রীয় সম্পদ এভাবে লুটপাটের পরও কেন গ্রেফতার হচ্ছেন না নেয়ামত উল্লাহ? কোথায় তার জোর? কার খুঁটির জোরে, কাদের ছত্রছায়ায় দিনের পর দিন এই অবৈধ কারখানা চলছে?
তাকে কেন নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে না, কে বা কারা এর পেছনে জড়িত - তা খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে এমপির ১৫ দিনের আল্টিমেটাম
ও কোন কর্ণবাদ করছে না এই নেয়ামত উল্লাহ। স্থানীয় সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বাকি সব অবৈধ চুনা কারখানা বন্ধের আল্টিমেটাম দিয়েছেন। পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোও দীর্ঘদিন ধরে এসব কারখানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। এলাকাবাসীর দাবি, শুধু কারখানা ভাঙা নয়, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটের অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। নইলে এই লুটপাট থামবে না।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটের মহোৎসব চলছে। তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ব্যবহার করে উপজেলাজুড়ে গড়ে উঠেছে ৫৬টিরও বেশি অবৈধ চুনা কারখানা। বারবার অভিযান আর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেও থামানো যাচ্ছে না এই অবৈধ বাণিজ্য। পিরোজপুরে নেয়ামত উল্লাহর কারখানা: ভেঙেও দমানো যাচ্ছে না। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পিরোজপুর ইউনিয়নের পিয়ার নগর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে চুনা কারখানা পরিচালনা করে আসছেন নেয়ামত উল্লাহ। এর আগে তিতাস কর্তৃপক্ষ অভিযান চালিয়ে তার কারখানা গুঁড়িয়ে দিয়ে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, এরপরও তিনি আবারও বিভিন্ন জায়গায় কারখানা স্থাপন করে দিনের আলোয় প্রকাশ্যভাবে অবৈধ গ্যাস সংযোগের মাধ্যমে কারখানা পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
এলাকাবাসীর ভাষায়, এটি স্থানীয় প্রশাসন ও তিতাস কর্তৃপক্ষকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের শামিল। ঘণ্টায় ২০ হাজার ঘনফুট গ্যাস চুরি, মাসে কোটি টাকার ক্ষতি।
স্থানীয়দের দাবি, প্রতিটি কারখানা ঘণ্টায় প্রায় ২০ হাজার ঘনফুট অবৈধ গ্যাস ব্যবহার করছে। এতে সরকার প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। অথচ বৈধ গ্রাহকরা গ্যাস না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন: কার ছত্রছায়ায় নেয়ামত উল্লাহ?
এখন এলাকাবাসীর মনে একটাই প্রশ্ন - রাষ্ট্রীয় সম্পদ এভাবে লুটপাটের পরও কেন গ্রেফতার হচ্ছেন না নেয়ামত উল্লাহ? কোথায় তার জোর? কার খুঁটির জোরে, কাদের ছত্রছায়ায় দিনের পর দিন এই অবৈধ কারখানা চলছে?
তাকে কেন নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে না, কে বা কারা এর পেছনে জড়িত - তা খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে এমপির ১৫ দিনের আল্টিমেটাম
ও কোন কর্ণবাদ করছে না এই নেয়ামত উল্লাহ। স্থানীয় সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বাকি সব অবৈধ চুনা কারখানা বন্ধের আল্টিমেটাম দিয়েছেন। পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোও দীর্ঘদিন ধরে এসব কারখানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। এলাকাবাসীর দাবি, শুধু কারখানা ভাঙা নয়, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটের অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। নইলে এই লুটপাট থামবে না।

আপনার মতামত লিখুন