লগইন
প্রাইম টিভি
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

সংবাদ প্রকাশের পর তিন বোনের পাশে উপজেলা প্রশাসন

সংবাদ প্রকাশের পর তিন বোনের পাশে উপজেলা প্রশাসন



স্বামী-সন্তানহীন তিন বোন। বয়সের ভার, অসুস্থতা ও প্রতিবন্ধিতায় অন্যের সহায়তা ছাড়া তাঁদের চলাফেরাও কঠিন। জরাজীর্ণ একটি ঘরে দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবন কাটছিল তাঁদের। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর তিন বোনের পাশে দাঁড়িয়েছে নাগেশ্বরী উপজেলা প্রশাসন।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের দেবীপুর পণ্ডিতপাড়া গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের তিন মেয়ে মন্তনী বেওয়া (৭৯), বোছ বেগম (৭৫) ও তুলি বেগম (৫৫)। তাঁদের মধ্যে মন্তনী বেওয়ার কোমরের হাড় ভাঙা, বোছ বেগম শারীরিকভাবে অসুস্থ এবং তুলি বেগম বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী।

গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে ‘তিন বোনের নেই আপনজন, ভাঙা ঘরে অসহায় জীবন’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তিন বোনের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের শুকনা খাবার ও নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রীজীব কুন্ডু ও সংবাদকর্মী মিজানুর।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় ৩০ বছর ধরে তিন বোন একে অপরকে অবলম্বন করে জীবন কাটাচ্ছেন। তাঁদের নিয়মিত কোনো আয়ের উৎস নেই। জরাজীর্ণ ঘরে বসবাসের পাশাপাশি খাবার ও চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতেও তাঁদের কষ্ট হয়।

এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আলাউদ্দিন জানিয়েছিলেন, তাঁদের প্রাথমিক আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে ঘরের জন্য টিনসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা তিন বোনের জন্য নিয়মিত খাদ্য ও চিকিৎসাসহ বসবাসের উপযোগী একটি নিরাপদ ঘরের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
প্রাইম টিভি

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


সংবাদ প্রকাশের পর তিন বোনের পাশে উপজেলা প্রশাসন

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image



স্বামী-সন্তানহীন তিন বোন। বয়সের ভার, অসুস্থতা ও প্রতিবন্ধিতায় অন্যের সহায়তা ছাড়া তাঁদের চলাফেরাও কঠিন। জরাজীর্ণ একটি ঘরে দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবন কাটছিল তাঁদের। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর তিন বোনের পাশে দাঁড়িয়েছে নাগেশ্বরী উপজেলা প্রশাসন।


কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের দেবীপুর পণ্ডিতপাড়া গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের তিন মেয়ে মন্তনী বেওয়া (৭৯), বোছ বেগম (৭৫) ও তুলি বেগম (৫৫)। তাঁদের মধ্যে মন্তনী বেওয়ার কোমরের হাড় ভাঙা, বোছ বেগম শারীরিকভাবে অসুস্থ এবং তুলি বেগম বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী।


গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে ‘তিন বোনের নেই আপনজন, ভাঙা ঘরে অসহায় জীবন’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে।


বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তিন বোনের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের শুকনা খাবার ও নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রীজীব কুন্ডু ও সংবাদকর্মী মিজানুর।


স্থানীয়রা জানান, প্রায় ৩০ বছর ধরে তিন বোন একে অপরকে অবলম্বন করে জীবন কাটাচ্ছেন। তাঁদের নিয়মিত কোনো আয়ের উৎস নেই। জরাজীর্ণ ঘরে বসবাসের পাশাপাশি খাবার ও চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতেও তাঁদের কষ্ট হয়।

এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আলাউদ্দিন জানিয়েছিলেন, তাঁদের প্রাথমিক আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে ঘরের জন্য টিনসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা তিন বোনের জন্য নিয়মিত খাদ্য ও চিকিৎসাসহ বসবাসের উপযোগী একটি নিরাপদ ঘরের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।


প্রাইম টিভি

নির্বাহী পরিচালক  

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত প্রাইম টিভি