গোপাল মালাকার,সাভার প্রতিনিধি।
সাভারের হেমায়েতপুর বড় মসজিদ এলাকায় রাস্তার পাশে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা এক অজ্ঞাত অসুস্থ বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেছে একদল কিশোর। সাহায্যের জন্য জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেও কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত নিজেদের উদ্যোগেই ওই বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করে তারা।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকালে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নোহান নামে এক কিশোর হেমায়েতপুর বড় মসজিদ এলাকায় রাস্তার পাশে এক বৃদ্ধাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। বিষয়টি স্থানীয়দের জানিয়ে বৃদ্ধার সাহায্যে এগিয়ে আসার অনুরোধ করে সে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কেউ এগিয়ে না আসায় নোহান জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে সহযোগিতা চায়।
পরবর্তীতে ফোনের মাধ্যমে প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পাওয়ায় নোহান বিষয়টি তার কয়েকজন বন্ধুকে জানায়। খবর পেয়ে তার বন্ধুরা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে অসুস্থ বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে দ্রুত সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। বর্তমানে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ওই বৃদ্ধার চিকিৎসা চলছে।
এখনও ওই বৃদ্ধার পরিচয় জানা যায়নি। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, কয়েক বছর ধরে ওই নারী হেমায়েতপুর এলাকায় ঘুরে ঘুরে শাক বিক্রি করতেন।
এ বিষয়ে নোহান ও তার বন্ধুরা জানান, অসহায় মানুষের বিপদে এগিয়ে আসা তাদের নৈতিক দায়িত্ব। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই তারা ওই বৃদ্ধাকে উদ্ধারে এগিয়ে এসেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের কয়েকজন বলেন, অল্প বয়সেই অসহায় একজন মানুষের জীবন রক্ষায় কিশোরদের এভাবে এগিয়ে আসা সত্যিই প্রশংসনীয়। বর্তমান সময়ে এমন মানবিক উদ্যোগ খুব একটা দেখা যায় না।
অজ্ঞাত ওই বৃদ্ধার পরিচয় শনাক্ত করে স্বজনদের কাছে পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গোপাল মালাকার,সাভার প্রতিনিধি।
সাভারের হেমায়েতপুর বড় মসজিদ এলাকায় রাস্তার পাশে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা এক অজ্ঞাত অসুস্থ বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেছে একদল কিশোর। সাহায্যের জন্য জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেও কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত নিজেদের উদ্যোগেই ওই বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করে তারা।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকালে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নোহান নামে এক কিশোর হেমায়েতপুর বড় মসজিদ এলাকায় রাস্তার পাশে এক বৃদ্ধাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। বিষয়টি স্থানীয়দের জানিয়ে বৃদ্ধার সাহায্যে এগিয়ে আসার অনুরোধ করে সে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কেউ এগিয়ে না আসায় নোহান জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে সহযোগিতা চায়।
পরবর্তীতে ফোনের মাধ্যমে প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পাওয়ায় নোহান বিষয়টি তার কয়েকজন বন্ধুকে জানায়। খবর পেয়ে তার বন্ধুরা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে অসুস্থ বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে দ্রুত সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। বর্তমানে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ওই বৃদ্ধার চিকিৎসা চলছে।
এখনও ওই বৃদ্ধার পরিচয় জানা যায়নি। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, কয়েক বছর ধরে ওই নারী হেমায়েতপুর এলাকায় ঘুরে ঘুরে শাক বিক্রি করতেন।
এ বিষয়ে নোহান ও তার বন্ধুরা জানান, অসহায় মানুষের বিপদে এগিয়ে আসা তাদের নৈতিক দায়িত্ব। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই তারা ওই বৃদ্ধাকে উদ্ধারে এগিয়ে এসেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের কয়েকজন বলেন, অল্প বয়সেই অসহায় একজন মানুষের জীবন রক্ষায় কিশোরদের এভাবে এগিয়ে আসা সত্যিই প্রশংসনীয়। বর্তমান সময়ে এমন মানবিক উদ্যোগ খুব একটা দেখা যায় না।
অজ্ঞাত ওই বৃদ্ধার পরিচয় শনাক্ত করে স্বজনদের কাছে পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন