শেখ ফয়েজ আহমেদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী পুরাতন কালীবাড়ি মন্দির থেকে চুরি হওয়া প্রায় ২০ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের কালীমূর্তি, স্বর্ণ-রৌপ্যের অলংকার ও পিতলের প্রতিমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) জেলা পুলিশের প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজি এ তথ্য জানান।
প্রেস ব্রিফিং এ আরও জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে মন্দিরে তালা দিয়ে চলে যাওয়ার পর ২০ সেপ্টেম্বর সকালে দেখা যায়, তালা কেটে কালীমূর্তি, স্বর্ণ-রৌপ্যের অলংকার ও পিতলের প্রতিমা চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়।
তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের একাধিক টিম আলফাডাঙ্গার আসাদুজ্জামান সাদ্দাম, তার মা সাজেদা বেগম, বোয়ালমারীর আল আমিন মোল্লা ও আতিয়ার রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আলফাডাঙ্গা ও বোয়ালমারীর বিভিন্ন স্থান থেকে কালীমূর্তি, অলংকার ও ছয়টি পিতলের প্রতিমা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একটি জুয়েলারি দোকান থেকে চুরি হওয়া অলংকার গলিয়ে তৈরি প্রায় আট আনা স্বর্ণও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার ছয় দিনের মধ্যেই কালীমূর্তিসহ অধিকাংশ মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
চাঞ্চল্যকর এবং ক্লু-লেস চুরির মামলার ঘটনার ৬ দিনের মধ্যেই এই ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনসহ সংঘবদ্ধ চক্র আসামীদের গ্রেফতার এবং চোরাই মালামাল উদ্ধার নিঃসন্দেহে ফরিদপুর জেলা পুলিশের একটি সফলতা বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন ।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শেখ ফয়েজ আহমেদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী পুরাতন কালীবাড়ি মন্দির থেকে চুরি হওয়া প্রায় ২০ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের কালীমূর্তি, স্বর্ণ-রৌপ্যের অলংকার ও পিতলের প্রতিমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) জেলা পুলিশের প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজি এ তথ্য জানান।
প্রেস ব্রিফিং এ আরও জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে মন্দিরে তালা দিয়ে চলে যাওয়ার পর ২০ সেপ্টেম্বর সকালে দেখা যায়, তালা কেটে কালীমূর্তি, স্বর্ণ-রৌপ্যের অলংকার ও পিতলের প্রতিমা চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়।
তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের একাধিক টিম আলফাডাঙ্গার আসাদুজ্জামান সাদ্দাম, তার মা সাজেদা বেগম, বোয়ালমারীর আল আমিন মোল্লা ও আতিয়ার রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আলফাডাঙ্গা ও বোয়ালমারীর বিভিন্ন স্থান থেকে কালীমূর্তি, অলংকার ও ছয়টি পিতলের প্রতিমা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একটি জুয়েলারি দোকান থেকে চুরি হওয়া অলংকার গলিয়ে তৈরি প্রায় আট আনা স্বর্ণও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার ছয় দিনের মধ্যেই কালীমূর্তিসহ অধিকাংশ মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
চাঞ্চল্যকর এবং ক্লু-লেস চুরির মামলার ঘটনার ৬ দিনের মধ্যেই এই ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনসহ সংঘবদ্ধ চক্র আসামীদের গ্রেফতার এবং চোরাই মালামাল উদ্ধার নিঃসন্দেহে ফরিদপুর জেলা পুলিশের একটি সফলতা বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন ।

আপনার মতামত লিখুন