মোঃ জাকিরুল ইসলাম :
নতুন ভিশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ইউনিক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর আলীসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে প্রতারণা মামলা হয়েছে।
সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মো. জোনাইদের আদালতে আইনজীবী মো. সুলতান মাহমুদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ডিবিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী শোহেল মো. ফজলে রাব্বী।
মামলার অন্য আসামীরা হলেন নতুন ভিশন লিমিটেডের পরিচালক ও পিএইচপি পরিবারের পরিচালক মোহাম্মদ আলী হোসেন, দৈনিক আমাদের সময়ের সম্পাদক মো. শাখাওয়াত হোসেন, আমাদের সময়ের প্রকাশক ড. খন্দকার শওকত হোসেন, আমাদের সময়ের সাবেক সম্পাদক মোহাম্মদ গোলাম সারওয়ার, আমাদের সময়ের প্রধান মানব সম্পদ কর্মকর্তা মুসা আহামেদ।
মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়, বাদী ২০০৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০১৭ সালের ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত আমাদের সময় পত্রিকায় রিপোর্টিং এবং সম্পাদকীয় বিভাগে কাজ করেন।
চাকরি ছাড়ার পর বাদীকে তার পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। বারবার বলা সত্ত্বেও বাদিকে কোন টাকা পয়সা দেওয়া হয়নি। বাদী চাকরি ছাড়ার সময় তার হিসাব অনুযায়ী ১৫ লাখ ৫৯ হাজার ৬২৫ টাকা পাওনা থাকলেও অদ্যাবধি কোন টাকা দেওয়া হয়নি।
সর্বশেষ বাদী গত ১৫ই আগস্ট পত্রিকাটির সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং টাকা দিতে অস্বীকার করেন।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মোঃ জাকিরুল ইসলাম :
নতুন ভিশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ইউনিক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর আলীসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে প্রতারণা মামলা হয়েছে।
সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মো. জোনাইদের আদালতে আইনজীবী মো. সুলতান মাহমুদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ডিবিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী শোহেল মো. ফজলে রাব্বী।
মামলার অন্য আসামীরা হলেন নতুন ভিশন লিমিটেডের পরিচালক ও পিএইচপি পরিবারের পরিচালক মোহাম্মদ আলী হোসেন, দৈনিক আমাদের সময়ের সম্পাদক মো. শাখাওয়াত হোসেন, আমাদের সময়ের প্রকাশক ড. খন্দকার শওকত হোসেন, আমাদের সময়ের সাবেক সম্পাদক মোহাম্মদ গোলাম সারওয়ার, আমাদের সময়ের প্রধান মানব সম্পদ কর্মকর্তা মুসা আহামেদ।
মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়, বাদী ২০০৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০১৭ সালের ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত আমাদের সময় পত্রিকায় রিপোর্টিং এবং সম্পাদকীয় বিভাগে কাজ করেন।
চাকরি ছাড়ার পর বাদীকে তার পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। বারবার বলা সত্ত্বেও বাদিকে কোন টাকা পয়সা দেওয়া হয়নি। বাদী চাকরি ছাড়ার সময় তার হিসাব অনুযায়ী ১৫ লাখ ৫৯ হাজার ৬২৫ টাকা পাওনা থাকলেও অদ্যাবধি কোন টাকা দেওয়া হয়নি।
সর্বশেষ বাদী গত ১৫ই আগস্ট পত্রিকাটির সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং টাকা দিতে অস্বীকার করেন।

আপনার মতামত লিখুন