টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পারিবারিক বিরোধের জেরে আপন বড়ভাইয়ের লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত ছোট ভাই মোঃ লেবু (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার এজাহারনামীয় প্রধান দুই আসামি বড়ভাই মোঃ মালেক ভান্ডারী (৬০) ও তার স্ত্রী লাভলীকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের সদস্যরা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২ জুন ২০২৬ তারিখ বিকেলে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানাধীন বীরচারী গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে বড়ভাই মালেক ভান্ডারী ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছোট ভাই মোঃ লেবুর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হত্যার উদ্দেশ্যে লেবুর মাথায় বাঁশের লাঠি দিয়ে সজোরে আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ৪ জুন ঘাটাইল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি প্রথমে দণ্ডবিধির ৩২৩/৩২৫/৩০৭/৫০৬ ধারায় রুজু করা হলেও পরবর্তীতে মৃত্যুর ঘটনায় ৩০২ (হত্যা) ধারা সংযুক্ত করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় ঘাটাইল থানাধীন কাজীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি মোঃ মালেক ভান্ডারীকে এবং শাহাপুর পাতালিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপর আসামি লাভলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঘাটাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পারিবারিক বিরোধের জেরে আপন বড়ভাইয়ের লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত ছোট ভাই মোঃ লেবু (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার এজাহারনামীয় প্রধান দুই আসামি বড়ভাই মোঃ মালেক ভান্ডারী (৬০) ও তার স্ত্রী লাভলীকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের সদস্যরা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২ জুন ২০২৬ তারিখ বিকেলে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানাধীন বীরচারী গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে বড়ভাই মালেক ভান্ডারী ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছোট ভাই মোঃ লেবুর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হত্যার উদ্দেশ্যে লেবুর মাথায় বাঁশের লাঠি দিয়ে সজোরে আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ৪ জুন ঘাটাইল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি প্রথমে দণ্ডবিধির ৩২৩/৩২৫/৩০৭/৫০৬ ধারায় রুজু করা হলেও পরবর্তীতে মৃত্যুর ঘটনায় ৩০২ (হত্যা) ধারা সংযুক্ত করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় ঘাটাইল থানাধীন কাজীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি মোঃ মালেক ভান্ডারীকে এবং শাহাপুর পাতালিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপর আসামি লাভলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঘাটাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন