বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার আসামি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে চরম অশালীন আচরণ, গালাগাল ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ তুলে হুমকি দিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তথ্য সংগ্রহের জন্য ফোন করা হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিককে বলেন, "আমাকে নিয়ন্ত্রণ করেন ডিসি-টিএনও। আমি আপনার প্রশ্নের উত্তর কেন দেব? আপনি কে? আপনি কি আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছেন? আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে কল দিন।"
কথোপকথনের এক পর্যায়ে ওই সংবাদকর্মীকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও অশোভন আচরণ করেন ইউপি চেয়ারম্যান কামাল। নিজেকে রক্ষায় তিনি আরও বলেন, "আমার ভাই একজন সাংবাদিক, আপনি আমাকে আপনার কার্ড দিন।"
এদিকে, এই মামলার আসামি ও জনপ্রতিনিধির এমন মারমুখী আচরণের বিষয়ে বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি রহস্যজনক মন্তব্য করেন। ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, "আমি কামাল চেয়ারম্যান নামে কাউকে চিনি না, আমি এখানে নতুন এসেছি।" এই বলেই তিনি ফোন কেটে দেন। একজন থানা প্রধানের এলাকার তালিকাভুক্ত মামলার আসামি ও ইউপি চেয়ারম্যানকে ‘চিনি না’ বলে এড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শেখর ইউপি চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারনামীয় আসামি। মামলা হওয়ার পরও তিনি এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং পরিষদ চালাচ্ছেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, মামলার বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য চেয়ারম্যান কামাল আহমেদকে ফোন দেওয়া হলে তিনি শুরু থেকেই উগ্র আচরণ করতে থাকেন। ডিসি ও ইউএনও ছাড়া তিনি কাউকে তোয়াক্কা করেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এরপর কোনো প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে উল্টো সাংবাদিককে ব্ল্যাকমেইলার আখ্যা দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করেন এবং হোয়াটসঅ্যাপে ফোন দেওয়ার জন্য চাপ দেন। নিজের প্রভাব জাহির করতে তার ভাই সাংবাদিক বলেও দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে সাংবাদিকরা যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন। একজন মামলার আসামির এমন প্রকাশ্য হুমকি এবং থানা ওসির দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে এই ইউপি চেয়ারম্যানের গ্রেপ্তার এবং ওসির দায়িত্বে অবহেলার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার আসামি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে চরম অশালীন আচরণ, গালাগাল ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ তুলে হুমকি দিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তথ্য সংগ্রহের জন্য ফোন করা হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিককে বলেন, "আমাকে নিয়ন্ত্রণ করেন ডিসি-টিএনও। আমি আপনার প্রশ্নের উত্তর কেন দেব? আপনি কে? আপনি কি আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছেন? আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে কল দিন।"
কথোপকথনের এক পর্যায়ে ওই সংবাদকর্মীকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও অশোভন আচরণ করেন ইউপি চেয়ারম্যান কামাল। নিজেকে রক্ষায় তিনি আরও বলেন, "আমার ভাই একজন সাংবাদিক, আপনি আমাকে আপনার কার্ড দিন।"
এদিকে, এই মামলার আসামি ও জনপ্রতিনিধির এমন মারমুখী আচরণের বিষয়ে বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি রহস্যজনক মন্তব্য করেন। ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, "আমি কামাল চেয়ারম্যান নামে কাউকে চিনি না, আমি এখানে নতুন এসেছি।" এই বলেই তিনি ফোন কেটে দেন। একজন থানা প্রধানের এলাকার তালিকাভুক্ত মামলার আসামি ও ইউপি চেয়ারম্যানকে ‘চিনি না’ বলে এড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শেখর ইউপি চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারনামীয় আসামি। মামলা হওয়ার পরও তিনি এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং পরিষদ চালাচ্ছেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, মামলার বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য চেয়ারম্যান কামাল আহমেদকে ফোন দেওয়া হলে তিনি শুরু থেকেই উগ্র আচরণ করতে থাকেন। ডিসি ও ইউএনও ছাড়া তিনি কাউকে তোয়াক্কা করেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এরপর কোনো প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে উল্টো সাংবাদিককে ব্ল্যাকমেইলার আখ্যা দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করেন এবং হোয়াটসঅ্যাপে ফোন দেওয়ার জন্য চাপ দেন। নিজের প্রভাব জাহির করতে তার ভাই সাংবাদিক বলেও দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে সাংবাদিকরা যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন। একজন মামলার আসামির এমন প্রকাশ্য হুমকি এবং থানা ওসির দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে এই ইউপি চেয়ারম্যানের গ্রেপ্তার এবং ওসির দায়িত্বে অবহেলার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন