শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি ও মেধার স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে গাজীপুরে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে 'আব্দুল খালেক শিক্ষা ফাউন্ডেশন বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬'।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে গাজীপুর মহানগরের কলমেশ্বর রোকেয়া স্বরণী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অত্যন্ত সুষ্ঠু, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।
গাজীপুর গাছা থানার আওতাধীন বিভিন্ন এলাকার ৪২টি স্কুল ও মাদ্রাসার প্রায় ৬০০ জন মেধাবী ছাত্রছাত্রী এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন আয়োজক কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সুধীজনরা। এ সময় অভিভাবকরা বলেন, এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষা শিশুদের মেধা বিকাশের একটি চমৎকার মাধ্যম। এটি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে স্বাস্থ্যকর ও প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পরীক্ষার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপস্থিত শিক্ষকরাও। তারা ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে আয়োজকদের সাধুবাদ জানান।
পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ ও সাফল্য নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন বলেন, "সকলের সহযোগিতা এবং অনুপ্রেরণায় প্রতি বছরই এই বৃত্তি প্রকল্প চালু থাকবে ইনশাআল্লাহ। এই ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে অনুপ্রাণিত করবে।"
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ শিগগিরই শুরু হবে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের বিশেষ দিনে এই বৃত্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি ও মেধার স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে গাজীপুরে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে 'আব্দুল খালেক শিক্ষা ফাউন্ডেশন বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬'।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে গাজীপুর মহানগরের কলমেশ্বর রোকেয়া স্বরণী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অত্যন্ত সুষ্ঠু, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।
গাজীপুর গাছা থানার আওতাধীন বিভিন্ন এলাকার ৪২টি স্কুল ও মাদ্রাসার প্রায় ৬০০ জন মেধাবী ছাত্রছাত্রী এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন আয়োজক কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সুধীজনরা। এ সময় অভিভাবকরা বলেন, এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষা শিশুদের মেধা বিকাশের একটি চমৎকার মাধ্যম। এটি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে স্বাস্থ্যকর ও প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পরীক্ষার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপস্থিত শিক্ষকরাও। তারা ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে আয়োজকদের সাধুবাদ জানান।
পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ ও সাফল্য নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন বলেন, "সকলের সহযোগিতা এবং অনুপ্রেরণায় প্রতি বছরই এই বৃত্তি প্রকল্প চালু থাকবে ইনশাআল্লাহ। এই ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে অনুপ্রাণিত করবে।"
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ শিগগিরই শুরু হবে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের বিশেষ দিনে এই বৃত্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন