চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ৩০ হাজার পিস ইয়াবা লুটের অভিযোগে আলোচনায় এসেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের রাজারচর গ্রামের বাসিন্দা পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদ। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ছবি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ইতোমধ্যে ইয়াবা লুটের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ফয়েজ আহমেদসহ তিন পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত চলছে।
রোববার (১ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফয়েজ আহমেদের বিভিন্ন ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার বড় ভাই ও রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি রনি। ফয়েজ আহমেদের বাবা মো. ইয়াকুব গাজী এবং মা নাছিমা বেগম।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ অক্টোবর (শনিবার) রাতে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে একটি মিনি ট্রাকে করে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা চট্টগ্রামের দিকে নেওয়া হচ্ছিল। পথে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের একটি নির্জন সড়কে মোটরসাইকেল দিয়ে ট্রাকটির গতিরোধ করেন পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য।
এ ঘটনায় সাতকানিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল ইসলাম এবং কনস্টেবল মো. গাজী মহসীনের নামও অভিযোগে উঠে এসেছে।
মিনি ট্রাকচালক নাছিরের অভিযোগ, তাকে হাতকড়া পরিয়ে জিম্মি করা হয়। পরে ট্রাকটি সাতকানিয়ার কেরানীহাট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পুলিশের কথিত দুই সোর্স রবিন ও মোমিনের সহযোগিতায় ট্রাকের চালকের আসনের ভেতর থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা সরিয়ে নেওয়া হয়।
এ ছাড়া ঘটনার প্রমাণ মুছে ফেলতে ট্রাকে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং মেমোরি কার্ড ফরম্যাট করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন চালক নাছির।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তল্লাশির মাধ্যমে উদ্ধার করা ৩০ হাজার পিস ইয়াবা থানায় জমা না দিয়ে লুটের অভিযোগ ওঠে তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম চলছে।
এদিকে চাঁদপুরের রাজরাজেশ্বরের বাসিন্দা ফয়েজ আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা এমন গুরুতর অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, ইয়াবা উদ্ধারের প্রকৃত ঘটনা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছে এলাকাবাসী।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ৩০ হাজার পিস ইয়াবা লুটের অভিযোগে আলোচনায় এসেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের রাজারচর গ্রামের বাসিন্দা পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদ। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ছবি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ইতোমধ্যে ইয়াবা লুটের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ফয়েজ আহমেদসহ তিন পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত চলছে।
রোববার (১ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফয়েজ আহমেদের বিভিন্ন ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার বড় ভাই ও রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি রনি। ফয়েজ আহমেদের বাবা মো. ইয়াকুব গাজী এবং মা নাছিমা বেগম।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ অক্টোবর (শনিবার) রাতে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে একটি মিনি ট্রাকে করে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা চট্টগ্রামের দিকে নেওয়া হচ্ছিল। পথে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের একটি নির্জন সড়কে মোটরসাইকেল দিয়ে ট্রাকটির গতিরোধ করেন পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য।
এ ঘটনায় সাতকানিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল ইসলাম এবং কনস্টেবল মো. গাজী মহসীনের নামও অভিযোগে উঠে এসেছে।
মিনি ট্রাকচালক নাছিরের অভিযোগ, তাকে হাতকড়া পরিয়ে জিম্মি করা হয়। পরে ট্রাকটি সাতকানিয়ার কেরানীহাট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পুলিশের কথিত দুই সোর্স রবিন ও মোমিনের সহযোগিতায় ট্রাকের চালকের আসনের ভেতর থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা সরিয়ে নেওয়া হয়।
এ ছাড়া ঘটনার প্রমাণ মুছে ফেলতে ট্রাকে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং মেমোরি কার্ড ফরম্যাট করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন চালক নাছির।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তল্লাশির মাধ্যমে উদ্ধার করা ৩০ হাজার পিস ইয়াবা থানায় জমা না দিয়ে লুটের অভিযোগ ওঠে তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম চলছে।
এদিকে চাঁদপুরের রাজরাজেশ্বরের বাসিন্দা ফয়েজ আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা এমন গুরুতর অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, ইয়াবা উদ্ধারের প্রকৃত ঘটনা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছে এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন