এস এম হুমায়ুন বাগেরহাট প্রতিনিধি।।
বাগেরহাটের শরণখোলায় ভাড়া বাড়ি থেকে শান্তা আক্তার জুই (২৬) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে রায়েন্দা ইউনিয়নের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসংলগ্ন এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত জুই আক্তার শরণখোলা উপজেলার পশ্চিম রাজাপুর গ্রামের কুয়েত প্রবাসী আনোয়ার হাওলাদারের স্ত্রী। তাঁর স্বামী বর্তমানে কুয়েতে অবস্থান করছেন। নিহত জুইয়ের ১১ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, স্বামী প্রবাসে থাকাকালে অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে জুই আক্তারের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই ব্যক্তির সঙ্গে তিনি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকে ওই ব্যক্তিকে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে তাঁর পরিচয় ও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
ভারাটিয়া বাসার মালিক মোঃ ফরিদ হোসেন জানান, গত ৫অক্টোবর জুই আক্তার স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বাসা ভাড়া নেয়।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। একই সঙ্গে ঘটনার পেছনের পরিস্থিতি এবং অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
এস এম হুমায়ুন বাগেরহাট প্রতিনিধি।।
বাগেরহাটের শরণখোলায় ভাড়া বাড়ি থেকে শান্তা আক্তার জুই (২৬) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে রায়েন্দা ইউনিয়নের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসংলগ্ন এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত জুই আক্তার শরণখোলা উপজেলার পশ্চিম রাজাপুর গ্রামের কুয়েত প্রবাসী আনোয়ার হাওলাদারের স্ত্রী। তাঁর স্বামী বর্তমানে কুয়েতে অবস্থান করছেন। নিহত জুইয়ের ১১ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, স্বামী প্রবাসে থাকাকালে অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে জুই আক্তারের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই ব্যক্তির সঙ্গে তিনি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকে ওই ব্যক্তিকে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে তাঁর পরিচয় ও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
ভারাটিয়া বাসার মালিক মোঃ ফরিদ হোসেন জানান, গত ৫অক্টোবর জুই আক্তার স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বাসা ভাড়া নেয়।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। একই সঙ্গে ঘটনার পেছনের পরিস্থিতি এবং অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন