জামাল উদ্দিন : কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জে জেলা পুলিশের এক সদস্যের ডোপ টেস্টে মাদক গ্রহণের প্রমাণ শনাক্ত হয়েছে। মো. ওসমান গনি জেলা পুলিশের ড্রাইভার কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।
মঙ্গলবার সকালে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে তার ডোপ টেস্ট করা হলে পরীক্ষার প্রতিবেদন পজিটিভ আসে।
জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে ওই পুলিশ সদস্যের আচরণ ও চালচলন নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে তাকে ডোপ টেস্টের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. নূর মো. শামসুল আলম ডোপ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পরীক্ষার প্রতিবেদনটি পুলিশ সুপারের কাছে পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, মো. ওসমান গনি ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার সাহাবেলীশ্বর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুছের ছেলে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, মাদকের বিষয়ে জেলা পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। পুলিশ সদস্যদের ক্ষেত্রেও এ নীতি সমভাবে প্রযোজ্য। মাদকের সঙ্গে জেলা পুলিশের কোনো ধরনের সংযোগ না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর।
তিনি আরও বলেন, সন্দেহভাজন পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট করানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার কনস্টেবল মো. ওসমান গনির ডোপ টেস্ট করা হয়। পরীক্ষায় তার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
জামাল উদ্দিন : কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জে জেলা পুলিশের এক সদস্যের ডোপ টেস্টে মাদক গ্রহণের প্রমাণ শনাক্ত হয়েছে। মো. ওসমান গনি জেলা পুলিশের ড্রাইভার কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।
মঙ্গলবার সকালে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে তার ডোপ টেস্ট করা হলে পরীক্ষার প্রতিবেদন পজিটিভ আসে।
জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে ওই পুলিশ সদস্যের আচরণ ও চালচলন নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে তাকে ডোপ টেস্টের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. নূর মো. শামসুল আলম ডোপ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পরীক্ষার প্রতিবেদনটি পুলিশ সুপারের কাছে পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, মো. ওসমান গনি ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার সাহাবেলীশ্বর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুছের ছেলে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, মাদকের বিষয়ে জেলা পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। পুলিশ সদস্যদের ক্ষেত্রেও এ নীতি সমভাবে প্রযোজ্য। মাদকের সঙ্গে জেলা পুলিশের কোনো ধরনের সংযোগ না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর।
তিনি আরও বলেন, সন্দেহভাজন পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট করানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার কনস্টেবল মো. ওসমান গনির ডোপ টেস্ট করা হয়। পরীক্ষায় তার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন