বেলাল খান, মাদারীপুর প্রতিনিধি,
মাদারীপুর জেলার সবএ পাট খড়ির কদর বেড়েছে। আগের মত এখন আর পাট খড়ি ফেলনা নয়।বিপূল সম্ভাবনাময় পাটখড়ি র ছাই এখন বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। এছাড়া পল্লীগ্রামের সব পরিবারের
রান্না করার জন্য জ্বালানি হিসেবে পাটখড়িই একমাত্র ভরসা।
সম্প্রতি সদর উপজেলার রাস্তি ইউনিয়নের কিছু লোকের সাথে আলাপ করে জানা যায়, গৃহস্থালি কাজের জ্বালানি ,গৃহ নির্মাণ কাজে ঘরের বেড়া ,সিলিং ও মাচান, বাড়ির সীমানা,পানের বরজ ও তরকারি ক্ষেতের জানালাসহ সব কাজে পাট খড়ির ব্যবহার বেড়েছে ব্যাপক ভাবে।
মাদারীপুর জেলার চারটি উপজেলায় প্রচুর পরিমাণে পাট চাষ হয়। আগে চাষিরা পাট পচানোর সময় পাট খড়ি পানিতে অথবা যএতএ
ফেলে দিতো। বর্তমান পানের বরজে পাটখড়ির ব্যাপক ব্যবহার হওয়ায় এর চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। সম্প্রতি শরিয়তপুর ও বরিশাল
অঞ্চল থেকে বেপারীরা এসে পানের বরজে ব্যবহার করার জন্য নৌকা , ট্রলার ও ট্রাক ভর্তি করে পাটখড়ি কিনে নিচ্ছে।
ধুন্দুল, লাউ ,কুমড়া ,ঝিঙা, করল্লা ও পূইশাকের জানালার জন্য প্রচুর পরিমাণে পাটখড়ি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া রান্না ঘর ও গরুর ঘরে বেড়া হিসেবে পাটখড়ি ব্যবহার করা হয়।
সদর উপজেলার লক্ষিগণ্জ গ্রামের মেরজন খালাসি জানান, বর্তমান পাটখড়ি সংরক্ষণের সময়। শীতকালে ব্যবহারের জন্য অনেক কৃষক মাচানে পাটখড়ি সংরক্ষণ করে থাকে। বাজারে বর্তমানে ১০ আটি খড়ি ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এখানকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা মাদারীপুর শহরের অলিগলিতে ফেরি করে খড়ি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে।
পাটখড়ি র ছাই দিয়ে ফটো স্ট্যাটাস মেশিনের কালি তৈরি করা হয়। মাগুরা ও বাংলাদেশের অনেক স্হানে ইতিমধ্যে এই কালি বানানোর কারখানা স্থাপন হয়েছে ।যে কারণে আগমীতে পাটখড়ি দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
বেলাল খান, মাদারীপুর প্রতিনিধি,
মাদারীপুর জেলার সবএ পাট খড়ির কদর বেড়েছে। আগের মত এখন আর পাট খড়ি ফেলনা নয়।বিপূল সম্ভাবনাময় পাটখড়ি র ছাই এখন বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। এছাড়া পল্লীগ্রামের সব পরিবারের
রান্না করার জন্য জ্বালানি হিসেবে পাটখড়িই একমাত্র ভরসা।
সম্প্রতি সদর উপজেলার রাস্তি ইউনিয়নের কিছু লোকের সাথে আলাপ করে জানা যায়, গৃহস্থালি কাজের জ্বালানি ,গৃহ নির্মাণ কাজে ঘরের বেড়া ,সিলিং ও মাচান, বাড়ির সীমানা,পানের বরজ ও তরকারি ক্ষেতের জানালাসহ সব কাজে পাট খড়ির ব্যবহার বেড়েছে ব্যাপক ভাবে।
মাদারীপুর জেলার চারটি উপজেলায় প্রচুর পরিমাণে পাট চাষ হয়। আগে চাষিরা পাট পচানোর সময় পাট খড়ি পানিতে অথবা যএতএ
ফেলে দিতো। বর্তমান পানের বরজে পাটখড়ির ব্যাপক ব্যবহার হওয়ায় এর চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। সম্প্রতি শরিয়তপুর ও বরিশাল
অঞ্চল থেকে বেপারীরা এসে পানের বরজে ব্যবহার করার জন্য নৌকা , ট্রলার ও ট্রাক ভর্তি করে পাটখড়ি কিনে নিচ্ছে।
ধুন্দুল, লাউ ,কুমড়া ,ঝিঙা, করল্লা ও পূইশাকের জানালার জন্য প্রচুর পরিমাণে পাটখড়ি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া রান্না ঘর ও গরুর ঘরে বেড়া হিসেবে পাটখড়ি ব্যবহার করা হয়।
সদর উপজেলার লক্ষিগণ্জ গ্রামের মেরজন খালাসি জানান, বর্তমান পাটখড়ি সংরক্ষণের সময়। শীতকালে ব্যবহারের জন্য অনেক কৃষক মাচানে পাটখড়ি সংরক্ষণ করে থাকে। বাজারে বর্তমানে ১০ আটি খড়ি ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এখানকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা মাদারীপুর শহরের অলিগলিতে ফেরি করে খড়ি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে।
পাটখড়ি র ছাই দিয়ে ফটো স্ট্যাটাস মেশিনের কালি তৈরি করা হয়। মাগুরা ও বাংলাদেশের অনেক স্হানে ইতিমধ্যে এই কালি বানানোর কারখানা স্থাপন হয়েছে ।যে কারণে আগমীতে পাটখড়ি দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন