জাহিদ শিকদার
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সরকারি ‘হলুদ ট্যাগ’ ও নামীদামি ব্র্যান্ডের ভরসায় মানহীন বীজ কিনে প্রতারিত হয়েছেন অর্ধশতাধিক আমন চাষী। উপজেলার আলিপুর ও মহিপুর এলাকায় ‘ইউনাইটেড সীড’ কোম্পানির ‘ব্রি-৪৯’ জাতের ধান রোপণের মাত্র ১৫ দিনের মাথায় অসময়ে শীষ বেরিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ফসল।
প্রতি ১০ কেজির বস্তা ১ হাজার ২০০ টাকায় কেনা এসব বীজে উৎপাদন তারিখ ছিল না। সরকারি প্রত্যয়ন বা হলুদ ট্যাগ দেখে বিশ্বাস করলেও, চড়া দামের বীজ রোপণ করে এখন সার, সেচ ও শ্রমিকের বড় অংকের বিনিয়োগ হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন লতাচাপলি ইউনিয়নের কালু মুসল্লী ও মেহেদী খানের মতো বহু কৃষক।
বীজ সরবরাহ প্রক্রিয়া নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন। নিবন্ধিত পরিবেশক 'হাওলাদার কৃষি ঘর'-এর মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার ২০০ বস্তা বীজ বিভিন্ন ডিলার ও খুচরা বাজারে ছড়িয়ে পড়লেও কৃষি অফিসের কোনো কার্যকর তদারকি ছিল না। লোকসানের মুখে ডিলাররা মৌখিক আশ্বাস দিলেও ক্ষতিপূরণের লিখিত কোনো প্রতিশ্রুতি নেই।
কৃষকদের দাবি—শুধুমাত্র বীজের দাম নয়, আবাদের পেছনে যাওয়া পুরো খরচের পূর্ণাঙ্গ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। একইসাথে সরকারি ট্যাগের আড়ালে কৃষক ঠকানো চক্রকে তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা সাইদুর রহমান জানান, হলুদ ট্যাগটি কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হয়েছিল; মান খারাপ হলে কোম্পানি ও ডিলার দায়ী থাকবেন। কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরাফাত হোসেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় আলোচনার আশ্বাস দিয়েছেন।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
জাহিদ শিকদার
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সরকারি ‘হলুদ ট্যাগ’ ও নামীদামি ব্র্যান্ডের ভরসায় মানহীন বীজ কিনে প্রতারিত হয়েছেন অর্ধশতাধিক আমন চাষী। উপজেলার আলিপুর ও মহিপুর এলাকায় ‘ইউনাইটেড সীড’ কোম্পানির ‘ব্রি-৪৯’ জাতের ধান রোপণের মাত্র ১৫ দিনের মাথায় অসময়ে শীষ বেরিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ফসল।
প্রতি ১০ কেজির বস্তা ১ হাজার ২০০ টাকায় কেনা এসব বীজে উৎপাদন তারিখ ছিল না। সরকারি প্রত্যয়ন বা হলুদ ট্যাগ দেখে বিশ্বাস করলেও, চড়া দামের বীজ রোপণ করে এখন সার, সেচ ও শ্রমিকের বড় অংকের বিনিয়োগ হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন লতাচাপলি ইউনিয়নের কালু মুসল্লী ও মেহেদী খানের মতো বহু কৃষক।
বীজ সরবরাহ প্রক্রিয়া নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন। নিবন্ধিত পরিবেশক 'হাওলাদার কৃষি ঘর'-এর মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার ২০০ বস্তা বীজ বিভিন্ন ডিলার ও খুচরা বাজারে ছড়িয়ে পড়লেও কৃষি অফিসের কোনো কার্যকর তদারকি ছিল না। লোকসানের মুখে ডিলাররা মৌখিক আশ্বাস দিলেও ক্ষতিপূরণের লিখিত কোনো প্রতিশ্রুতি নেই।
কৃষকদের দাবি—শুধুমাত্র বীজের দাম নয়, আবাদের পেছনে যাওয়া পুরো খরচের পূর্ণাঙ্গ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। একইসাথে সরকারি ট্যাগের আড়ালে কৃষক ঠকানো চক্রকে তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা সাইদুর রহমান জানান, হলুদ ট্যাগটি কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হয়েছিল; মান খারাপ হলে কোম্পানি ও ডিলার দায়ী থাকবেন। কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরাফাত হোসেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় আলোচনার আশ্বাস দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন