নাজমুল হক, নওগাঁ প্রতিনিধি
নওগাঁর মান্দায় সড়ক নির্মাণকাজে স্পেসিফিকেশনবহির্ভূত ও নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। পরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সড়ক থেকে নিম্নমানের খোয়া অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী আজ বুধবার বিকেলে সড়ক থেকে ওই খোয়া তুলে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, শ্রমিকেরা সড়কে ব্যবহৃত নিম্নমানের ইটের খোয়া তুলে ফেলছেন। এ সময় এলজিইডির কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন অপসারণের কাজ তদারক করছিলেন।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও মান্দা উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অভিযোগের ভিত্তিতে সড়কটি পরিদর্শন করেন। এ সময় সড়কের ডাব্লিউবিএম (WBM) কাজে ব্যবহৃত খোয়ার মান নিয়ে অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নিম্নমানের খোয়া অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ‘নওগাঁ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় মান্দা উপজেলার বাদলঘাটা এলাকায় ১ হাজার ৭৩০ মিটার সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬৮ লাখ ২১ হাজার ৯২৭ টাকা। কাজটি করছে রাজশাহীর বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী ওয়াসিম।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সড়কের ডাব্লিউবিএম কাজে রাতের আঁধারে স্পেসিফিকেশনবহির্ভূত ও নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।
মান্দা উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল কাদের বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তারা সড়কটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তদন্তে অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়ে নিম্নমানের সামগ্রী অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী খোয়া অপসারণের কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, সড়ক নির্মাণকাজে কোনো ধরনের অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না। নিম্নমানের সব খোয়া অপসারণ করে মানসম্মতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কোনো চূড়ান্ত বিল দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
নাজমুল হক, নওগাঁ প্রতিনিধি
নওগাঁর মান্দায় সড়ক নির্মাণকাজে স্পেসিফিকেশনবহির্ভূত ও নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। পরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সড়ক থেকে নিম্নমানের খোয়া অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী আজ বুধবার বিকেলে সড়ক থেকে ওই খোয়া তুলে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, শ্রমিকেরা সড়কে ব্যবহৃত নিম্নমানের ইটের খোয়া তুলে ফেলছেন। এ সময় এলজিইডির কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন অপসারণের কাজ তদারক করছিলেন।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও মান্দা উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অভিযোগের ভিত্তিতে সড়কটি পরিদর্শন করেন। এ সময় সড়কের ডাব্লিউবিএম (WBM) কাজে ব্যবহৃত খোয়ার মান নিয়ে অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নিম্নমানের খোয়া অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ‘নওগাঁ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় মান্দা উপজেলার বাদলঘাটা এলাকায় ১ হাজার ৭৩০ মিটার সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬৮ লাখ ২১ হাজার ৯২৭ টাকা। কাজটি করছে রাজশাহীর বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী ওয়াসিম।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সড়কের ডাব্লিউবিএম কাজে রাতের আঁধারে স্পেসিফিকেশনবহির্ভূত ও নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।
মান্দা উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল কাদের বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তারা সড়কটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তদন্তে অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়ে নিম্নমানের সামগ্রী অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী খোয়া অপসারণের কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, সড়ক নির্মাণকাজে কোনো ধরনের অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না। নিম্নমানের সব খোয়া অপসারণ করে মানসম্মতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কোনো চূড়ান্ত বিল দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন