| জাহিদ শিকদার |
পটুয়াখালীর বাউফলের দুই সাংবাদিককে একটি চাঁদাবাজি মামলায় আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে এনামুল হক এনা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) উপকূলীয় প্রতিনিধির দায়িত্বে আছেন এবং মো. রিয়াজ দৈনিক জাগো জনতার নামক পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধির দায়িত্বে আছেন।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন ওই দুই সাংবাদিক৷ আদালতের বিচারক মো. শহিদুল্লাহ জামিন নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানায়, চলতি বছরের ২৫ জুলাই বিকেলে এনামুল হক এনা, রিয়াজ হোসেন ও স্থানীয় আরও দুজন সাংবাদিক উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের খেজুরবাড়িয়া গ্রামের একটি বাড়িতে যান। সেখানে আন্তঃধর্মীয় বিয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রতন মন্ডলের পরিবারের কাছে অভিযুক্তরা তিন লাখ টাকা দাবি করেন। তখনই ভয়ভীতি দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা আদায় করেন, বাকি টাকা পরে নেওয়ার কথা জানান। পরে স্থানীয় এক বিএনপি নেতা ও কয়েকজন সাংবাদিকের সহযোগিতায় ভুক্তভোগী পরিবারকে ওই টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এঘটনায় ভুক্তভোগীরা অভিযুক্ত দু'জনের নামে বাউফল থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা করেছিলেন। পুলিশ তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন এবং ইতোমধ্যে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্তরা সাংবাদিক ও ডিবি পুলিশ পরিচয় দেন। দাবিকৃত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাদের বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখান হয়। বাধ্য হয়ে স্থানীয় এক দোকানির কাছ থেকে ধার করে তাদের ২০ হাজার টাকা দেন এবং পরদিন আরও টাকা দেওয়া হবে আশ্বাস দিলে অভিযুক্তরা চলে যান।
তবে অভিযুক্ত সাংবাদিকদের দাবি, তারা শুধু আন্তঃধর্মীয় বিয়ের তথ্য সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। চাঁদাবাজির অভিযোগ মিথ্যা দাবি করেন তারা৷
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, হাইকোর্ট থেকে আসামিরা ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন নিয়েছিলো। জামিনের সময় শেষ হওয়ায় আজ তারা পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পুলিশের তদন্তে ঘটনার সত্যতার প্রমাণ মিলেছে, তাই আদালতের এই সিদ্ধান্তে মামলার বাদীপক্ষ সন্তুষ্ট বলেও জানান তিনি।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
| জাহিদ শিকদার |
পটুয়াখালীর বাউফলের দুই সাংবাদিককে একটি চাঁদাবাজি মামলায় আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে এনামুল হক এনা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) উপকূলীয় প্রতিনিধির দায়িত্বে আছেন এবং মো. রিয়াজ দৈনিক জাগো জনতার নামক পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধির দায়িত্বে আছেন।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন ওই দুই সাংবাদিক৷ আদালতের বিচারক মো. শহিদুল্লাহ জামিন নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানায়, চলতি বছরের ২৫ জুলাই বিকেলে এনামুল হক এনা, রিয়াজ হোসেন ও স্থানীয় আরও দুজন সাংবাদিক উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের খেজুরবাড়িয়া গ্রামের একটি বাড়িতে যান। সেখানে আন্তঃধর্মীয় বিয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রতন মন্ডলের পরিবারের কাছে অভিযুক্তরা তিন লাখ টাকা দাবি করেন। তখনই ভয়ভীতি দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা আদায় করেন, বাকি টাকা পরে নেওয়ার কথা জানান। পরে স্থানীয় এক বিএনপি নেতা ও কয়েকজন সাংবাদিকের সহযোগিতায় ভুক্তভোগী পরিবারকে ওই টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এঘটনায় ভুক্তভোগীরা অভিযুক্ত দু'জনের নামে বাউফল থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা করেছিলেন। পুলিশ তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন এবং ইতোমধ্যে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্তরা সাংবাদিক ও ডিবি পুলিশ পরিচয় দেন। দাবিকৃত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাদের বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখান হয়। বাধ্য হয়ে স্থানীয় এক দোকানির কাছ থেকে ধার করে তাদের ২০ হাজার টাকা দেন এবং পরদিন আরও টাকা দেওয়া হবে আশ্বাস দিলে অভিযুক্তরা চলে যান।
তবে অভিযুক্ত সাংবাদিকদের দাবি, তারা শুধু আন্তঃধর্মীয় বিয়ের তথ্য সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। চাঁদাবাজির অভিযোগ মিথ্যা দাবি করেন তারা৷
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, হাইকোর্ট থেকে আসামিরা ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন নিয়েছিলো। জামিনের সময় শেষ হওয়ায় আজ তারা পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পুলিশের তদন্তে ঘটনার সত্যতার প্রমাণ মিলেছে, তাই আদালতের এই সিদ্ধান্তে মামলার বাদীপক্ষ সন্তুষ্ট বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন