সবুজ হোসেন, নওগাঁ:
নওগাঁর সাপাহারের হাপানিয়া কে.এম ফাজিল মাদ্রাসায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে পুনঃনিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় মাদ্রাসার সামনে হাপানিয়া গ্রামবাসী ও সচেতন নাগরিকবৃন্দের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি উক্ত মাদরাসায় চারটি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অবৈধ অর্থ লেনদেন, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হলে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলাউদ্দীন শিরাজীর পদত্যাগের দাবি করেন। সেই সাথে অভিযোগ গুলোর তদন্ত করে অনিয়ম প্রমাণিত হলে নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পুনঃনিয়োগের দাবি জানান।
উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, শফিকুল ইসলাম, ইসমাইল হোসেন, চাকরিপ্রত্যাশী আব্দুল কাইয়ুম ও সানাউল ইসলাম। এ সময় চাকরিপ্রত্যাশী, গ্রামবাসী ও সচেতন অর্ধশতাধিক নাগরিক উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, উক্ত মাদরাসায় গত ৯ এপ্রিল জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। সে বিজ্ঞপ্তিতে ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট (পদার্থ), ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট (রসায়ন), অফিস সহায়ক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে আবেদন আহ্বান করেন মাদরাসার অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন সিরাজী। প্রকাশিত এই চার পদে আবেদন জমা পড়ে ৩৫টি। এরপর গত বুধবার সন্ধ্যায় মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ডিজির প্রতিনিধির চিঠি আসে। চিঠি আসার পর তড়িঘড়ি করে পরীক্ষার আগের দিন গতকাল বৃহস্পতিবার প্রার্থীদের কাছে পরীক্ষার প্রবেশ পত্র দেন। এরই পর বৃহস্পতিবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট (পদার্থ) পদে মোছাম্মদ নাহিদা আক্তার, ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট (রসায়ন) পদে আবুজার গিফারী, অফিস সহায়ক পদে এমরান আলী এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে মোহাম্মদ সেমাজুল এর নিয়োগ পাচ্ছেন বলে ভাইরাল হয়। এ অভিযোগ উঠার পর শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হলে নিয়োগ পরীক্ষা বর্জন করে প্রতিবাদ করেছে চাকরিপ্রার্থীরা। এ সময় চাকরি প্রার্থীরা দাবি করেন মাদরাসার সভাপতি শমসুল হক নিয়োগ বোর্ডে উপস্থিত নেই। সভাপতি অনুপস্থিত থাকার পরেও কিভাবে নিয়োগ বোর্ড হচ্ছে?
সে সময় টাকার বিনিময়ে নিয়োগের সত্যতা নিশ্চিত করেছিলেন মাদরাসার অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন সিরাজী। তিনি বলেছিলেন তাদের নিয়োগ বোর্ডের খরচ ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে ১০ লাখ এবং অফিস সহায়ক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে ৮ লাখ করে টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এবিষয়ে জানতে মাদরাসার অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন সিরাজীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও সেটা বন্ধ পাওয়া যায়। তাই তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সবুজ হোসেন, নওগাঁ:
নওগাঁর সাপাহারের হাপানিয়া কে.এম ফাজিল মাদ্রাসায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে পুনঃনিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় মাদ্রাসার সামনে হাপানিয়া গ্রামবাসী ও সচেতন নাগরিকবৃন্দের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি উক্ত মাদরাসায় চারটি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অবৈধ অর্থ লেনদেন, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হলে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলাউদ্দীন শিরাজীর পদত্যাগের দাবি করেন। সেই সাথে অভিযোগ গুলোর তদন্ত করে অনিয়ম প্রমাণিত হলে নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পুনঃনিয়োগের দাবি জানান।
উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, শফিকুল ইসলাম, ইসমাইল হোসেন, চাকরিপ্রত্যাশী আব্দুল কাইয়ুম ও সানাউল ইসলাম। এ সময় চাকরিপ্রত্যাশী, গ্রামবাসী ও সচেতন অর্ধশতাধিক নাগরিক উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, উক্ত মাদরাসায় গত ৯ এপ্রিল জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। সে বিজ্ঞপ্তিতে ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট (পদার্থ), ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট (রসায়ন), অফিস সহায়ক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে আবেদন আহ্বান করেন মাদরাসার অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন সিরাজী। প্রকাশিত এই চার পদে আবেদন জমা পড়ে ৩৫টি। এরপর গত বুধবার সন্ধ্যায় মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ডিজির প্রতিনিধির চিঠি আসে। চিঠি আসার পর তড়িঘড়ি করে পরীক্ষার আগের দিন গতকাল বৃহস্পতিবার প্রার্থীদের কাছে পরীক্ষার প্রবেশ পত্র দেন। এরই পর বৃহস্পতিবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট (পদার্থ) পদে মোছাম্মদ নাহিদা আক্তার, ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট (রসায়ন) পদে আবুজার গিফারী, অফিস সহায়ক পদে এমরান আলী এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে মোহাম্মদ সেমাজুল এর নিয়োগ পাচ্ছেন বলে ভাইরাল হয়। এ অভিযোগ উঠার পর শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হলে নিয়োগ পরীক্ষা বর্জন করে প্রতিবাদ করেছে চাকরিপ্রার্থীরা। এ সময় চাকরি প্রার্থীরা দাবি করেন মাদরাসার সভাপতি শমসুল হক নিয়োগ বোর্ডে উপস্থিত নেই। সভাপতি অনুপস্থিত থাকার পরেও কিভাবে নিয়োগ বোর্ড হচ্ছে?
সে সময় টাকার বিনিময়ে নিয়োগের সত্যতা নিশ্চিত করেছিলেন মাদরাসার অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন সিরাজী। তিনি বলেছিলেন তাদের নিয়োগ বোর্ডের খরচ ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে ১০ লাখ এবং অফিস সহায়ক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে ৮ লাখ করে টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এবিষয়ে জানতে মাদরাসার অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন সিরাজীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও সেটা বন্ধ পাওয়া যায়। তাই তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন