বেলাল খান, মাদারীপুর প্রতিনিধি
মাদারীপুর পৌর শহরের তরমুগরিয়া–নতুন মাদারীপুর–লক্ষ্মীগঞ্জ সড়কে কুমার নদীর ওপর ব্রীজ নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ৩৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৯৫ মিটার দৈর্ঘ্যের ব্রীজটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রকল্প হিসেবে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে ব্রীজটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৭ তারিখে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
ব্রীজটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে মাদারীপুর সদর উপজেলার রাস্তি, পাঁচখোলা ও কালিকাপুর ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষ সরাসরি এর সুফল পাবেন। এতে ওই এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা আরও উন্নত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এলজিইডি সূত্র আরও জানায়, ব্রীজটি চালু হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। পাশাপাশি মাদারীপুর পৌর শহরের সঙ্গে আশপাশের গ্রামীণ এলাকার যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই ব্রীজটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে কুমার নদী পারাপারে তাদের ভোগান্তি কমবে এবং এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বেলাল খান, মাদারীপুর প্রতিনিধি
মাদারীপুর পৌর শহরের তরমুগরিয়া–নতুন মাদারীপুর–লক্ষ্মীগঞ্জ সড়কে কুমার নদীর ওপর ব্রীজ নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ৩৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৯৫ মিটার দৈর্ঘ্যের ব্রীজটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রকল্প হিসেবে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে ব্রীজটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৭ তারিখে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
ব্রীজটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে মাদারীপুর সদর উপজেলার রাস্তি, পাঁচখোলা ও কালিকাপুর ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষ সরাসরি এর সুফল পাবেন। এতে ওই এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা আরও উন্নত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এলজিইডি সূত্র আরও জানায়, ব্রীজটি চালু হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। পাশাপাশি মাদারীপুর পৌর শহরের সঙ্গে আশপাশের গ্রামীণ এলাকার যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই ব্রীজটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে কুমার নদী পারাপারে তাদের ভোগান্তি কমবে এবং এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন