শফিকুল ইসলাম শামীম,নিজস্ব প্রতিবেদক:
কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটির বন্দি শাহাদাত হোসেন লিটন (৫২) নামের এক কারাবন্দী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার(৬ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৯ টার দিকে তার মৃত্যু হয়।কারাগার সূত্র জানায়, বন্দি শাহাদাত হোসেন লিটনের বাড়ি খুলনার দৌলতপুর থানার পাবলা গ্রামে। লিটন গাজীপুরের কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটিতে বন্দী ছিলেন। গত ২৮ আগস্ট অসুস্থ অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকাল পৌনে ৯টায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মামলা নম্বর ১১/০৭ এবং উত্তরা থানার মামলা ৯(১১)০৬-এর ৩০২, ৩৪ ও ২০১ ধারার মামলায় বন্দী ছিলেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, শাহাদাত হোসেন লিটনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ফারুক আহমেদ বলেন,লিটন নামের ওই ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকালে তার মৃত্যু হয়।
এই বিষয়ে আজ সোমবার কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আবদুল্লাহ আল- মামুন যুগান্তরকে জানান - অসুস্থ অবস্থায় গত ২৮ আগস্ট-২০২৬ বন্দী লিটনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। লিটনের হার্টের রোগ ছিল।তার হার্টে রিং লাগানো ছিলো।হার্টের অসুস্থতার জন্যই মূলত ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছিল।এছাড়াও তার পায়ে কাটা ছিল।তবে কিভাবে কাটছে তা জানিনা। অন্যান্য রোগেও ভোগছিলেন তিনি।চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল ৬ সেপ্টেম্বর রোববার সকাল ৮ টার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।তিনি বিভিন্ন মামলার যাবৎজীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী হিসেবে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন।

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শফিকুল ইসলাম শামীম,নিজস্ব প্রতিবেদক:
কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটির বন্দি শাহাদাত হোসেন লিটন (৫২) নামের এক কারাবন্দী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার(৬ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৯ টার দিকে তার মৃত্যু হয়।কারাগার সূত্র জানায়, বন্দি শাহাদাত হোসেন লিটনের বাড়ি খুলনার দৌলতপুর থানার পাবলা গ্রামে। লিটন গাজীপুরের কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটিতে বন্দী ছিলেন। গত ২৮ আগস্ট অসুস্থ অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকাল পৌনে ৯টায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মামলা নম্বর ১১/০৭ এবং উত্তরা থানার মামলা ৯(১১)০৬-এর ৩০২, ৩৪ ও ২০১ ধারার মামলায় বন্দী ছিলেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, শাহাদাত হোসেন লিটনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ফারুক আহমেদ বলেন,লিটন নামের ওই ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকালে তার মৃত্যু হয়।
এই বিষয়ে আজ সোমবার কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আবদুল্লাহ আল- মামুন যুগান্তরকে জানান - অসুস্থ অবস্থায় গত ২৮ আগস্ট-২০২৬ বন্দী লিটনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। লিটনের হার্টের রোগ ছিল।তার হার্টে রিং লাগানো ছিলো।হার্টের অসুস্থতার জন্যই মূলত ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছিল।এছাড়াও তার পায়ে কাটা ছিল।তবে কিভাবে কাটছে তা জানিনা। অন্যান্য রোগেও ভোগছিলেন তিনি।চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল ৬ সেপ্টেম্বর রোববার সকাল ৮ টার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।তিনি বিভিন্ন মামলার যাবৎজীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী হিসেবে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন