আনিসুল ইসলাম,গাজীপুর প্রতিনিধি:
গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার বাদে কলমেশ্বর এলাকায় ‘সাদিয়া জুয়েলার্স’-এর মালিক ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী মো. আবুল কালাম আজাদ (৪২) হত্যা ও ডাকাতির ঘটনায় মূল দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় আসামিদের কাছ থেকে লুট হওয়া স্বর্ণালংকার এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ও মধুপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) গ্রেপ্তারদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন—টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানার চৈথট্ট গ্রামের মো. মতিয়ার রহমানের ছেলে মো. নাসির উদ্দিন (৩১) এবং মধুপুর থানার জলছত্র (দরদরিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প) এলাকার মো. দুলাল মিয়ার ছেলে মো. সুজন মিয়া (২৭)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ আগস্ট দুপুরে বাদে কলমেশ্বর এলাকার ভূষির মিল রোডের ‘সাদিয়া জুয়েলার্স’ দোকানটি বন্ধ দেখে স্বজনদের খবর দেন স্থানীয়রা। পরে নিহতের বড় ভাই মো. কামাল হোসেনসহ স্থানীয়রা গিয়ে দেখেন একটি শাটার ভেতর থেকে আটকানো এবং অন্যটি বাইরে থেকে তালা দেওয়া। সন্দেহ হলে তারা জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা খুলে ভেতরে গলায় ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতপ্রাপ্ত আবুল কালাম আজাদের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. কামাল হোসেন বাদী হয়ে গাছা থানায় অজ্ঞাতনামা চারজনকে আসামি করে হত্যা ও ডাকাতি মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুল আউয়াল সরদারের নেতৃত্বে এসআই মো. সাইফুল আলম, এএসআই মো. ইব্রাহিম মিয়া ও এএসআই মো. সেলিম মিয়াসহ পুলিশের একটি দল ঘটনার তদন্তে নামে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ দেখতে পায়, ২৩ আগস্ট রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিটে চারজন ব্যক্তি দোকানে প্রবেশ করে এবং ভোর ৫টা ১২ মিনিটে বের হয়ে যায়। ওই সময়ের মধ্যেই ব্যবসায়ীকে হত্যা করে আনুমানিক ৮ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লুট করা হয়।
গাছা থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আনিসুল ইসলাম,গাজীপুর প্রতিনিধি:
গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার বাদে কলমেশ্বর এলাকায় ‘সাদিয়া জুয়েলার্স’-এর মালিক ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী মো. আবুল কালাম আজাদ (৪২) হত্যা ও ডাকাতির ঘটনায় মূল দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় আসামিদের কাছ থেকে লুট হওয়া স্বর্ণালংকার এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ও মধুপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) গ্রেপ্তারদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন—টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানার চৈথট্ট গ্রামের মো. মতিয়ার রহমানের ছেলে মো. নাসির উদ্দিন (৩১) এবং মধুপুর থানার জলছত্র (দরদরিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প) এলাকার মো. দুলাল মিয়ার ছেলে মো. সুজন মিয়া (২৭)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ আগস্ট দুপুরে বাদে কলমেশ্বর এলাকার ভূষির মিল রোডের ‘সাদিয়া জুয়েলার্স’ দোকানটি বন্ধ দেখে স্বজনদের খবর দেন স্থানীয়রা। পরে নিহতের বড় ভাই মো. কামাল হোসেনসহ স্থানীয়রা গিয়ে দেখেন একটি শাটার ভেতর থেকে আটকানো এবং অন্যটি বাইরে থেকে তালা দেওয়া। সন্দেহ হলে তারা জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা খুলে ভেতরে গলায় ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতপ্রাপ্ত আবুল কালাম আজাদের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. কামাল হোসেন বাদী হয়ে গাছা থানায় অজ্ঞাতনামা চারজনকে আসামি করে হত্যা ও ডাকাতি মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুল আউয়াল সরদারের নেতৃত্বে এসআই মো. সাইফুল আলম, এএসআই মো. ইব্রাহিম মিয়া ও এএসআই মো. সেলিম মিয়াসহ পুলিশের একটি দল ঘটনার তদন্তে নামে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ দেখতে পায়, ২৩ আগস্ট রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিটে চারজন ব্যক্তি দোকানে প্রবেশ করে এবং ভোর ৫টা ১২ মিনিটে বের হয়ে যায়। ওই সময়ের মধ্যেই ব্যবসায়ীকে হত্যা করে আনুমানিক ৮ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লুট করা হয়।
গাছা থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন