গোপাল মালাকা,সাভার।
শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে সাভারের আমিনবাজার বড়দেশি পশ্চিমপাড়া মদিনা হাউজিংয়ে পুলিশের বিশেষ শাখার এস আই আলতাব হোসেনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।
স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায় মদিনা হাউজিং এর একটি অটো গ্যারেজের সামনে রিক্সা গ্যারেজের মালিকের সাথে প্রাইভেট কার আরোহীদের বাগ বিতজ্ঞা শুরু হয়। এই সময় আলতাব হোসেন নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে বিষয়টি দেখে তাদের মীমাংসা করার জন্য সামনে এগিয়ে যায়। পরক্ষণেই প্রাইভেট কারের আরোহীরা কথাকাটাকাটির এক পর্যায় আরো কয়েকজনকে ডেকে এনে আলতাব হোসেনের উপর হামলা চালায়। এ সময় তিনি নিজেকে পুলিশ পরিচয় দেওয়ার পরও হামলাকারীরা তার ওপর চড়াও হয় এবং মাথায়,বুকে আঘাত করতে থাকে। একপর্যায় তিনি নিজেকে রক্ষা করার জন্য তার ছেলের গেঞ্জি তৈরির কারখানায় আশ্রয় নেয় সন্ত্রাসীরা সেখানে গিয়েও তাকে ও তার ছোট ছেলে আরিফুল ইসলামকেও মারধর করে।
পরবর্তীতে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে আলতাব হোসেন ও তার ছেলে আরিফুলকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যায়। এই সময় দায়িত্বরত চিকিৎসক আফতাব হোসেন কে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এবং মৃত ঘোষণা করেন করেন।
নিহত আফতাব হোসেনের ছেলের অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় তাকে সেখানেই ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শারমিন সুলতানা বলেন, পুলিশের এসআই আলতাব হোসেনের হত্যার ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা জানান সেই সাথে তিনি জানান অপরাধীদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে আমাদের প্রশাসনের কয়েকটি ইউনিট কাজ করছে।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলম জানান হত্যা কান্ডের ঘটনায় নিহত পুলিশ সদস্যের স্ত্রী বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় ত্রিশ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরো জানান এখন পর্যন্ত সাভার মডেল থানা পুলিশ মামলার প্রধান আসামী
জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন এবং চৌদ্দ জন আসামীদের পরিচয় সনাক্ত করা হয়েছে এবং সকল আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলমান রয়েছে।
নিহত আলতাফ হোসেন সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার সাধুপাড়া গ্রামের প্রয়াত জুরাইন আলী শেখের ছেলে। তিনি সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশি মদিনা হাউজিং এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গোপাল মালাকা,সাভার।
শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে সাভারের আমিনবাজার বড়দেশি পশ্চিমপাড়া মদিনা হাউজিংয়ে পুলিশের বিশেষ শাখার এস আই আলতাব হোসেনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।
স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায় মদিনা হাউজিং এর একটি অটো গ্যারেজের সামনে রিক্সা গ্যারেজের মালিকের সাথে প্রাইভেট কার আরোহীদের বাগ বিতজ্ঞা শুরু হয়। এই সময় আলতাব হোসেন নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে বিষয়টি দেখে তাদের মীমাংসা করার জন্য সামনে এগিয়ে যায়। পরক্ষণেই প্রাইভেট কারের আরোহীরা কথাকাটাকাটির এক পর্যায় আরো কয়েকজনকে ডেকে এনে আলতাব হোসেনের উপর হামলা চালায়। এ সময় তিনি নিজেকে পুলিশ পরিচয় দেওয়ার পরও হামলাকারীরা তার ওপর চড়াও হয় এবং মাথায়,বুকে আঘাত করতে থাকে। একপর্যায় তিনি নিজেকে রক্ষা করার জন্য তার ছেলের গেঞ্জি তৈরির কারখানায় আশ্রয় নেয় সন্ত্রাসীরা সেখানে গিয়েও তাকে ও তার ছোট ছেলে আরিফুল ইসলামকেও মারধর করে।
পরবর্তীতে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে আলতাব হোসেন ও তার ছেলে আরিফুলকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যায়। এই সময় দায়িত্বরত চিকিৎসক আফতাব হোসেন কে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এবং মৃত ঘোষণা করেন করেন।
নিহত আফতাব হোসেনের ছেলের অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় তাকে সেখানেই ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শারমিন সুলতানা বলেন, পুলিশের এসআই আলতাব হোসেনের হত্যার ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা জানান সেই সাথে তিনি জানান অপরাধীদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে আমাদের প্রশাসনের কয়েকটি ইউনিট কাজ করছে।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলম জানান হত্যা কান্ডের ঘটনায় নিহত পুলিশ সদস্যের স্ত্রী বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় ত্রিশ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরো জানান এখন পর্যন্ত সাভার মডেল থানা পুলিশ মামলার প্রধান আসামী
জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন এবং চৌদ্দ জন আসামীদের পরিচয় সনাক্ত করা হয়েছে এবং সকল আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলমান রয়েছে।
নিহত আলতাফ হোসেন সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার সাধুপাড়া গ্রামের প্রয়াত জুরাইন আলী শেখের ছেলে। তিনি সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশি মদিনা হাউজিং এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

আপনার মতামত লিখুন