বিপ্লব মল্লিক মোংলা, বাগেরহাটঃ
বাগেরহাটের কচুয়ায় একই পরিবারের তিনজনকে হত্যার ঘটনায় রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে নিহতদের একজনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও চার্জার উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার।
পুলিশ সুপার জানান, পরকীয়া সম্পর্ক ও পারিবারিক বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। কচুয়া উপজেলার চান্দেরকোলা গ্রামে গত ২ আগস্ট দিবাগত রাত থেকে ৪ আগস্ট ভোর ৫টার মধ্যে একই পরিবারের তিনজনকে হত্যা করা হয়।
ঘটনার পর কচুয়া থানায় হত্যা মামলা করে রহস্য উদঘাটনে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কচুয়া থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৩ আগস্ট জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার রাতে আসাদুল শেখ ও মো. আরিফ হাওলাদার বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আসাদুলকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত আহাদের ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন ও চার্জার তার শয়নকক্ষের খাটের ওপর বালিশের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে আসাদুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১১টার দিকে আরিফকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশের দাবি, নিহত আহাদের পরিবারের এক নারী সদস্যের সঙ্গে জাহিদুল ইসলামের দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর নিহত মনিরা বেগমের সঙ্গে জাহিদুলের বিরোধ সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি নিজের স্ত্রীর সঙ্গেও তার পারিবারিক কলহ চলছিল। এসব বিরোধের জেরে জাহিদুল হত্যার পরিকল্পনা করেন এবং অন্যদের সহযোগিতায় তিনজনকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গ্রেপ্তার তিনজন হলেন—কচুয়ার চান্দেরকোলা গ্রামের মৃত মজিদ হাওলাদারের ছেলে জাহিদুল ইসলাম, সুলতান শেখের ছেলে আসাদুল শেখ এবং বারিক হাওলাদারের ছেলে মো. আরিফ হাওলাদার বাবু।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিপ্লব মল্লিক মোংলা, বাগেরহাটঃ
বাগেরহাটের কচুয়ায় একই পরিবারের তিনজনকে হত্যার ঘটনায় রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে নিহতদের একজনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও চার্জার উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার।
পুলিশ সুপার জানান, পরকীয়া সম্পর্ক ও পারিবারিক বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। কচুয়া উপজেলার চান্দেরকোলা গ্রামে গত ২ আগস্ট দিবাগত রাত থেকে ৪ আগস্ট ভোর ৫টার মধ্যে একই পরিবারের তিনজনকে হত্যা করা হয়।
ঘটনার পর কচুয়া থানায় হত্যা মামলা করে রহস্য উদঘাটনে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কচুয়া থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৩ আগস্ট জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার রাতে আসাদুল শেখ ও মো. আরিফ হাওলাদার বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আসাদুলকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত আহাদের ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন ও চার্জার তার শয়নকক্ষের খাটের ওপর বালিশের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে আসাদুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১১টার দিকে আরিফকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশের দাবি, নিহত আহাদের পরিবারের এক নারী সদস্যের সঙ্গে জাহিদুল ইসলামের দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর নিহত মনিরা বেগমের সঙ্গে জাহিদুলের বিরোধ সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি নিজের স্ত্রীর সঙ্গেও তার পারিবারিক কলহ চলছিল। এসব বিরোধের জেরে জাহিদুল হত্যার পরিকল্পনা করেন এবং অন্যদের সহযোগিতায় তিনজনকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গ্রেপ্তার তিনজন হলেন—কচুয়ার চান্দেরকোলা গ্রামের মৃত মজিদ হাওলাদারের ছেলে জাহিদুল ইসলাম, সুলতান শেখের ছেলে আসাদুল শেখ এবং বারিক হাওলাদারের ছেলে মো. আরিফ হাওলাদার বাবু।

আপনার মতামত লিখুন