বিপ্লব মল্লিক মোংলা, বাগেরহাটঃ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। গত ১০ই অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখ মহালয়ার মাধ্যমে এই দুর্গোৎসব শুরু হয়েছে এবং আগামী ২১ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখ বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে পূজার কার্যক্রম শেষ হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপন আমাদের মূল লক্ষ্য।
এসআরবি ফোর্সেস সদর দপ্তর এর নির্দেশনা অনুযায়ী পূজা মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে গত ১৩ অক্টোবর থেকে আমরা আমাদের স্পেশাল টহল কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি।
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-৬ এর দায়িত্বপূর্ণ আটটি জেলায় মোট ৫,৩৫৪ টি পূজা মণ্ডপ আছে, যার মধ্যে খুলনা জেলা ও মহানগর মিলিয়ে ৩৯৪টি পূজা মণ্ডপে পূজার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আমরা পূজা মণ্ডপগুলোকে প্রথমে জেলা এবং পরে উপজেলা ভিত্তিক ভাগ করে প্রত্যেকটি উপজেলার জন্য আমরা ফোকাল পয়েন্ট অফিসার নির্ধারণ করে দিয়েছি। বর্তমানে ফোকাল পয়েন্ট অফিসাররা তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন টহল দল নিয়ে তাদের দায়িত্বাধীন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছে।
শারদীয় দুর্গা উৎসবকে সফল ও নির্বিঘ্ন করতে তিনটি স্তরে আমরা পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করছি। প্রথম স্তরে আমাদের টহল দলগুলো পূজামণ্ডপ গুলো সরেজমিনে ভিজিট করে নিরাপত্তা বিধান করছে এবং শহর ও উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। দ্বিতীয় স্তরে আমাদের ফিল্ড এজেন্ট বা গোয়েন্দারা সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এবং তৃতীয় স্তরে আমরা রিজার্ভ ফোর্স রেখে দিয়েছি, যেন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমরা দ্রুত রেসপন্স করতে পারি।
শারদীয় দুর্গা উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে আমাদের এসআরবি সদর দপ্তরে কেন্দ্রীয়ভাবে সাইবার মনিটরিং সম্পন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক পর্যায়ে আমাদের ব্যাটালিয়নে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে নজরদারির মধ্যে রেখেছি, যেন অনলাইন প্লাটফর্মগুলোকে মনিটরিং এর মাধ্যমে কোনো একটি থ্রেড বা দূর্ঘটনা সংঘটিত হবার আগেই আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি।
আপনারা জানেন, ইতোমধ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আইনশৃঙখলার সকল বাহিনীর সমন্বয় মিটিং গুলো সম্পন্ন হয়েছে। আমি আশা পোষণ করছি, প্রতি বছরের ন্যায় এছরও আয়োজক কমিটি, সম্মানিত জনগণ, মিডিয়া ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে নিরাপত্তার সাথে নির্বিঘ্নে পূজা উৎসব সম্পন্ন করতে পারব।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
বিপ্লব মল্লিক মোংলা, বাগেরহাটঃ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। গত ১০ই অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখ মহালয়ার মাধ্যমে এই দুর্গোৎসব শুরু হয়েছে এবং আগামী ২১ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখ বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে পূজার কার্যক্রম শেষ হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপন আমাদের মূল লক্ষ্য।
এসআরবি ফোর্সেস সদর দপ্তর এর নির্দেশনা অনুযায়ী পূজা মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে গত ১৩ অক্টোবর থেকে আমরা আমাদের স্পেশাল টহল কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি।
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-৬ এর দায়িত্বপূর্ণ আটটি জেলায় মোট ৫,৩৫৪ টি পূজা মণ্ডপ আছে, যার মধ্যে খুলনা জেলা ও মহানগর মিলিয়ে ৩৯৪টি পূজা মণ্ডপে পূজার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আমরা পূজা মণ্ডপগুলোকে প্রথমে জেলা এবং পরে উপজেলা ভিত্তিক ভাগ করে প্রত্যেকটি উপজেলার জন্য আমরা ফোকাল পয়েন্ট অফিসার নির্ধারণ করে দিয়েছি। বর্তমানে ফোকাল পয়েন্ট অফিসাররা তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন টহল দল নিয়ে তাদের দায়িত্বাধীন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছে।
শারদীয় দুর্গা উৎসবকে সফল ও নির্বিঘ্ন করতে তিনটি স্তরে আমরা পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করছি। প্রথম স্তরে আমাদের টহল দলগুলো পূজামণ্ডপ গুলো সরেজমিনে ভিজিট করে নিরাপত্তা বিধান করছে এবং শহর ও উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। দ্বিতীয় স্তরে আমাদের ফিল্ড এজেন্ট বা গোয়েন্দারা সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এবং তৃতীয় স্তরে আমরা রিজার্ভ ফোর্স রেখে দিয়েছি, যেন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমরা দ্রুত রেসপন্স করতে পারি।
শারদীয় দুর্গা উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে আমাদের এসআরবি সদর দপ্তরে কেন্দ্রীয়ভাবে সাইবার মনিটরিং সম্পন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক পর্যায়ে আমাদের ব্যাটালিয়নে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে নজরদারির মধ্যে রেখেছি, যেন অনলাইন প্লাটফর্মগুলোকে মনিটরিং এর মাধ্যমে কোনো একটি থ্রেড বা দূর্ঘটনা সংঘটিত হবার আগেই আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি।
আপনারা জানেন, ইতোমধ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আইনশৃঙখলার সকল বাহিনীর সমন্বয় মিটিং গুলো সম্পন্ন হয়েছে। আমি আশা পোষণ করছি, প্রতি বছরের ন্যায় এছরও আয়োজক কমিটি, সম্মানিত জনগণ, মিডিয়া ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে নিরাপত্তার সাথে নির্বিঘ্নে পূজা উৎসব সম্পন্ন করতে পারব।

আপনার মতামত লিখুন