গোপাল মালাকার, সাভার প্রতিনিধি।
বিদেশী ফলের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।
সাভারের বিভিন্ন ফলের দোকান ঘুরে দেখা যায় খুচরা বাজারে
বিদেশি মালটার দাম ১৫ দিনের ব্যবধানে ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৪৫০-৫০০ টাকা হয়ে হয়ে গেছে।এছাড়াও খুচরা বাজারে কমলা বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫২০ টাকা।এছাড়াও বিদেশী আপেল, আঙ্গুর,নাশপাতীসহ অন্যান্য ফলের দাম কেজি প্রতি ৩০০- ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা বিগত ১৫ দিন আগের তুলনায় ১০০ -২০০ টাকা বেশি।
বিক্রেতাদের দাবী জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ফলের এ অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
এছাড়াও তারা জানান বেশি দাম দিয়ে আড়ৎ থেকে কেনার ফলে বেশি দামেই বিক্রয় করতে হচ্ছে। বিদেশি ফলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় কমেছে বিক্রিও ফলে লাভ আশঙ্কা জনক হারে কমে গিয়েছে।
এদিকে বিদেশি ফলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সাধারণ ভোক্তারা।
তারা জানান ফলের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তা ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।
এদিকে কিছু অসাধু সুযোগ সন্ধানী ব্যবসায়ী ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ফলের দাম বাড়িয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে বিপুল পরিমান টাকা। ফলে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ ভোক্তাদের এমনটাই অভিযোগ করছেন সাধারণ ক্রেতারা
দেশী ফলের বাজার ঘুরে দেখা গেছে এর বিপরীত চিত্র।
পেয়ারা,দেশী মালটা,আমড়া সহ অন্যান্য দেশী ফল কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে।
বিদেশি ফলের অসহনীয় মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ নাগরিকরা।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
গোপাল মালাকার, সাভার প্রতিনিধি।
বিদেশী ফলের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।
সাভারের বিভিন্ন ফলের দোকান ঘুরে দেখা যায় খুচরা বাজারে
বিদেশি মালটার দাম ১৫ দিনের ব্যবধানে ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৪৫০-৫০০ টাকা হয়ে হয়ে গেছে।এছাড়াও খুচরা বাজারে কমলা বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫২০ টাকা।এছাড়াও বিদেশী আপেল, আঙ্গুর,নাশপাতীসহ অন্যান্য ফলের দাম কেজি প্রতি ৩০০- ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা বিগত ১৫ দিন আগের তুলনায় ১০০ -২০০ টাকা বেশি।
বিক্রেতাদের দাবী জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ফলের এ অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
এছাড়াও তারা জানান বেশি দাম দিয়ে আড়ৎ থেকে কেনার ফলে বেশি দামেই বিক্রয় করতে হচ্ছে। বিদেশি ফলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় কমেছে বিক্রিও ফলে লাভ আশঙ্কা জনক হারে কমে গিয়েছে।
এদিকে বিদেশি ফলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সাধারণ ভোক্তারা।
তারা জানান ফলের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তা ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।
এদিকে কিছু অসাধু সুযোগ সন্ধানী ব্যবসায়ী ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ফলের দাম বাড়িয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে বিপুল পরিমান টাকা। ফলে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ ভোক্তাদের এমনটাই অভিযোগ করছেন সাধারণ ক্রেতারা
দেশী ফলের বাজার ঘুরে দেখা গেছে এর বিপরীত চিত্র।
পেয়ারা,দেশী মালটা,আমড়া সহ অন্যান্য দেশী ফল কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে।
বিদেশি ফলের অসহনীয় মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ নাগরিকরা।

আপনার মতামত লিখুন