শফিকুল ইসলাম শামীম,নিজস্ব প্রতিবেদক:
গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুরে ঝালমুড়ি বিক্রেতার ছুরিকাঘাতে গাজী রাফেজ আহমেদ নামের এক পোশাকশ্রমিক নিহত হয়েছেন। এসময় ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন দুজন।
বুধবার রাত ৯টার দিকে চক্রবর্তীটেক এলাকায় বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের ২ নম্বর গেইট লাগোয়া নুরু মার্কেটের গেইটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের সহায়তায় ঝালমুড়ি বিক্রেতা আতাউর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
নিহত রাফেজ (৩৫) খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বাসাখালী এলাকার গাজী খোরশেদ আলমের ছেলে। তার স্ত্রী ও সাত বছর বয়সি এক মেয়ে রয়েছে।আহতরা হলেন—আশরাফ আলী (৫২) ও মুরাদ হোসেন (৩৪)।
ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
নিহতের খালাতো ভাই শেখ নাজমুল হাসান জানান, রাতে রাস্তার পাশে একটি দোকানে ঝালমুড়ি খাচ্ছিলেন রাফেজ। তখন পাশের আরেক ঝালমুড়ি বিক্রেতা পথচারীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা ও চিৎকার-চেঁচামেচি করছিল। রাফেজ এগিয়ে গিয়ে মীমাংসা করার চেষ্টা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই বিক্রেতা হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে রাফেজসহ আরও দুজনের ওপর হামলা চালায়। এতে রাফেজের পেটের ডান পাশে গভীরভাবে ছুরির আঘাত লাগে।স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাত ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
কাশিমপুর থানার ওসি মোল্লা মো. খালিদ হোসেন জানান, রাফেজের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে ঝালমুড়ি বিক্রেতা আতাউর হাতে থাকা ছুরি দিয়ে আশরাফ আলীর বাম বাহু ও বুকের নিচে বাম পাশে এবং মুরাদ হোসেনের বাম হাতের কুনুইয়ের নিচে এবং বুকের ডান পাশে আঘাত করেন। স্থানীয়রা গাজী রাফেজকে মূমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করেন। অপর দুই ভুক্তভোগীকে স্থানীয় ল্যাব ওয়ান হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে তাদেরকেও কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাফেজকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এসময় স্থানীয়রা ঝালমুড়ি বিক্রেতা আতাউর রহমানকে পুলিশ সোপর্দ করে।এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শফিকুল ইসলাম শামীম,নিজস্ব প্রতিবেদক:
গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুরে ঝালমুড়ি বিক্রেতার ছুরিকাঘাতে গাজী রাফেজ আহমেদ নামের এক পোশাকশ্রমিক নিহত হয়েছেন। এসময় ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন দুজন।
বুধবার রাত ৯টার দিকে চক্রবর্তীটেক এলাকায় বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের ২ নম্বর গেইট লাগোয়া নুরু মার্কেটের গেইটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের সহায়তায় ঝালমুড়ি বিক্রেতা আতাউর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
নিহত রাফেজ (৩৫) খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বাসাখালী এলাকার গাজী খোরশেদ আলমের ছেলে। তার স্ত্রী ও সাত বছর বয়সি এক মেয়ে রয়েছে।আহতরা হলেন—আশরাফ আলী (৫২) ও মুরাদ হোসেন (৩৪)।
ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
নিহতের খালাতো ভাই শেখ নাজমুল হাসান জানান, রাতে রাস্তার পাশে একটি দোকানে ঝালমুড়ি খাচ্ছিলেন রাফেজ। তখন পাশের আরেক ঝালমুড়ি বিক্রেতা পথচারীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা ও চিৎকার-চেঁচামেচি করছিল। রাফেজ এগিয়ে গিয়ে মীমাংসা করার চেষ্টা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই বিক্রেতা হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে রাফেজসহ আরও দুজনের ওপর হামলা চালায়। এতে রাফেজের পেটের ডান পাশে গভীরভাবে ছুরির আঘাত লাগে।স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাত ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
কাশিমপুর থানার ওসি মোল্লা মো. খালিদ হোসেন জানান, রাফেজের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে ঝালমুড়ি বিক্রেতা আতাউর হাতে থাকা ছুরি দিয়ে আশরাফ আলীর বাম বাহু ও বুকের নিচে বাম পাশে এবং মুরাদ হোসেনের বাম হাতের কুনুইয়ের নিচে এবং বুকের ডান পাশে আঘাত করেন। স্থানীয়রা গাজী রাফেজকে মূমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করেন। অপর দুই ভুক্তভোগীকে স্থানীয় ল্যাব ওয়ান হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে তাদেরকেও কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাফেজকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এসময় স্থানীয়রা ঝালমুড়ি বিক্রেতা আতাউর রহমানকে পুলিশ সোপর্দ করে।এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন