গোপাল মালাকার,সাভার প্রতিনিধি।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাভারের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বেশকয়েকটি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন সাভার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মো.ফজলে বারী।
এ সময় তিঁনি হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত ইউনিক হাসপাতাল ও হেমায়েতপুর সেন্ট্রাল হাসপাতাল পরিদর্শন কালে প্যাথলোজি,এক্সরে ও ফার্মেসী বিভাগে কিছু অসঙ্গতি দেখতে পান। প্রাথমিক ভাবে সতর্কবার্তা হিসেবে ইউনিক হাসপাতালের ল্যাব ও এক্সরে বিভাগ এবং হেমায়েতপুর সেন্ট্রাল হাসপাতালের ফার্মেসী, ল্যাব ও অটি বিভাগ পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন।
ডা: মো.ফজলে বারী জানান দ্রুত উক্ত হাসপালগুলোকে তারা লিখিত দিক নির্দেশনা প্রদান করবে।এছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দিক নির্দেশনা মোতাবেক কার্যক্রম পরিচালনার শর্তে পরবর্তীতে আবারো হাসপাতাল গুলো খুলে দেওয়া হবে।
তিনি আরো জানান তারা হেমায়েতপুরের আরো দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক পরিদর্শন করেছেন তাদের কার্যক্রম মোটামুটি সন্তোষজনক তবুও তাদের কিছু নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। পরবর্তীতে নির্দেশনা অনুসরণ না করলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ পরিদর্শনে উপজেলা সেনেটারি পরিদর্শক মোজাম্মেল হকও উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) একইভাবে ডা: মো. ফজলে বারীর নেতৃত্বে উপজেলার আশুলিয়া এলাকায় আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে আরো বেশ কয়েকটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্যাথলোজি বিভাগ সিলগালা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
প্রতিষ্ঠান গুলো হলো নিউ সেবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আয়েশা হাসপাতাল, নাসির উদ্দিন মেমোরিয়াল হাসপাতাল, নিউ সুপার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, গাজী ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং শাহানা ডিজিটাল হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগ।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গোপাল মালাকার,সাভার প্রতিনিধি।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাভারের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বেশকয়েকটি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন সাভার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মো.ফজলে বারী।
এ সময় তিঁনি হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত ইউনিক হাসপাতাল ও হেমায়েতপুর সেন্ট্রাল হাসপাতাল পরিদর্শন কালে প্যাথলোজি,এক্সরে ও ফার্মেসী বিভাগে কিছু অসঙ্গতি দেখতে পান। প্রাথমিক ভাবে সতর্কবার্তা হিসেবে ইউনিক হাসপাতালের ল্যাব ও এক্সরে বিভাগ এবং হেমায়েতপুর সেন্ট্রাল হাসপাতালের ফার্মেসী, ল্যাব ও অটি বিভাগ পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন।
ডা: মো.ফজলে বারী জানান দ্রুত উক্ত হাসপালগুলোকে তারা লিখিত দিক নির্দেশনা প্রদান করবে।এছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দিক নির্দেশনা মোতাবেক কার্যক্রম পরিচালনার শর্তে পরবর্তীতে আবারো হাসপাতাল গুলো খুলে দেওয়া হবে।
তিনি আরো জানান তারা হেমায়েতপুরের আরো দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক পরিদর্শন করেছেন তাদের কার্যক্রম মোটামুটি সন্তোষজনক তবুও তাদের কিছু নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। পরবর্তীতে নির্দেশনা অনুসরণ না করলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ পরিদর্শনে উপজেলা সেনেটারি পরিদর্শক মোজাম্মেল হকও উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) একইভাবে ডা: মো. ফজলে বারীর নেতৃত্বে উপজেলার আশুলিয়া এলাকায় আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে আরো বেশ কয়েকটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্যাথলোজি বিভাগ সিলগালা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
প্রতিষ্ঠান গুলো হলো নিউ সেবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আয়েশা হাসপাতাল, নাসির উদ্দিন মেমোরিয়াল হাসপাতাল, নিউ সুপার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, গাজী ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং শাহানা ডিজিটাল হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগ।

আপনার মতামত লিখুন