আব্দুল্লাহ আল মাসুদ: টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলের বাসাইলে হত্যা মামলায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হাবলা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ৩ বারের ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম আফানুরের নাম দেওয়ার প্রতিবাদে
মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ভৈরপাড়া গ্রামে এলাকাবাসী ও ভূক্তভোগী পরিবারের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- আফানুর মেম্বারের বাবা মজিবুর রহমান, মা সখিনা বেগম, প্রথম সাবিনা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী নুরনাহার, ছেলে আবির মিয়া, স্থানীয় ব্যবসায়ী বাহাদুর, কলেজছাত্রী ঈশা আক্তারসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।
বক্তারা জানান, ‘সামনে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হবে। তাই উদ্দেশ্যপ্রনোদিতভাবে টানা ৩ বারের ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম আফানুরকে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। ঘটনার স্থান বিলপাড়া, আর ঘটনার একই সময়ে আফানুর মেম্বার তার শশুরবাড়ি ভৈরপাড়ায় ছিলেন, এটা সবাই জানে। মামলায় নিরপরাধ আফানুরের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক। ঘটনার সঙ্গে কোনো ধরনের সস্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে নিরপরাধ আফানুর মেম্বারের নাম মামলা থেকে কর্তনের দাবি জানান তারা।
প্রসঙ্গত, গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার বিলপাড়া এলাকায় হানিফ খান (৪০) নামের এক সাবেক আনসার সদস্যকে দুর্বৃত্তরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মনিরা সুলতানা বাদি হয়ে বাসাইল থানায় ২০ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৫/৬জন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। এ মামলায় আফানুর মেম্বারের নাম ৩ নম্বরে রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আব্দুল্লাহ আল মাসুদ: টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলের বাসাইলে হত্যা মামলায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হাবলা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ৩ বারের ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম আফানুরের নাম দেওয়ার প্রতিবাদে
মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ভৈরপাড়া গ্রামে এলাকাবাসী ও ভূক্তভোগী পরিবারের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- আফানুর মেম্বারের বাবা মজিবুর রহমান, মা সখিনা বেগম, প্রথম সাবিনা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী নুরনাহার, ছেলে আবির মিয়া, স্থানীয় ব্যবসায়ী বাহাদুর, কলেজছাত্রী ঈশা আক্তারসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।
বক্তারা জানান, ‘সামনে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হবে। তাই উদ্দেশ্যপ্রনোদিতভাবে টানা ৩ বারের ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম আফানুরকে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। ঘটনার স্থান বিলপাড়া, আর ঘটনার একই সময়ে আফানুর মেম্বার তার শশুরবাড়ি ভৈরপাড়ায় ছিলেন, এটা সবাই জানে। মামলায় নিরপরাধ আফানুরের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক। ঘটনার সঙ্গে কোনো ধরনের সস্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে নিরপরাধ আফানুর মেম্বারের নাম মামলা থেকে কর্তনের দাবি জানান তারা।
প্রসঙ্গত, গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার বিলপাড়া এলাকায় হানিফ খান (৪০) নামের এক সাবেক আনসার সদস্যকে দুর্বৃত্তরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মনিরা সুলতানা বাদি হয়ে বাসাইল থানায় ২০ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৫/৬জন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। এ মামলায় আফানুর মেম্বারের নাম ৩ নম্বরে রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন