মাহমুদুল হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে ঘূর্ণিঝড় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে দ্রুত উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১৮০ জন সিপিপি সদস্য ও ৯০ জন যুব স্বেচ্ছাসেবকের মধ্যে সুরক্ষা ও উদ্ধার উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
গতকাল চালিতাবুনিয়া ইউনিয়ন প্রাঙ্গণে এ আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গাবালি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হাসান।
সুরক্ষা ও উদ্ধার উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, কেয়ার বাংলাদেশের কর্মসূচি ব্যবস্থাপক, মোঃ বায়েজীদ বোস্তামী এবং প্রদৃপ্ত প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মোঃ জাফর আলম।
কেয়ার বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় এবং জাগোনারী কতৃক বাস্তবায়িত ‘প্রদৃপ্ত’ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার চালিতাবুনিয়া এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।
ইউনয়নের ১৮টি সিপিপি ইউনিটের ১৮০ জন সদস্যের জন্য দেওয়া হয়েছে ভেস্ট, লাইফ জ্যাকেট, হেলমেট, হেডল্যাম্প, রেইনকোট, গামবুট, রাবারের গ্লাভস, বাঁশি, লাইফ বয়া, স্ট্রেচার, মেগাফোন, সংকেত পতাকা, কুঠার, হাত করাত, রশি ও টর্চলাইটসহ বিভিন্ন উদ্ধার সরঞ্জাম। পাশাপাশি দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক চিকিৎসার কিট ও প্রয়োজনীয় ওষুধ।
এছাড়াও, ইউনিয়নের ৯টি গ্রুপের ৯০ জন যুব স্বেচ্ছাসেবকের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে ভেস্ট, রেইনকোট, হেলমেট, হেডল্যাম্প, বাঁশি, লাইফ বয়া ও মেগাফোন।
আয়োজকেরা জানান, দুর্যোগের সময় স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত সাড়াদান, অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা এবং আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রে এসব সরঞ্জাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবকদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।
উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ রাঙ্গাবালীতে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সক্ষমতা বাড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাহমুদুল হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে ঘূর্ণিঝড় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে দ্রুত উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১৮০ জন সিপিপি সদস্য ও ৯০ জন যুব স্বেচ্ছাসেবকের মধ্যে সুরক্ষা ও উদ্ধার উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
গতকাল চালিতাবুনিয়া ইউনিয়ন প্রাঙ্গণে এ আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গাবালি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হাসান।
সুরক্ষা ও উদ্ধার উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, কেয়ার বাংলাদেশের কর্মসূচি ব্যবস্থাপক, মোঃ বায়েজীদ বোস্তামী এবং প্রদৃপ্ত প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মোঃ জাফর আলম।
কেয়ার বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় এবং জাগোনারী কতৃক বাস্তবায়িত ‘প্রদৃপ্ত’ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার চালিতাবুনিয়া এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।
ইউনয়নের ১৮টি সিপিপি ইউনিটের ১৮০ জন সদস্যের জন্য দেওয়া হয়েছে ভেস্ট, লাইফ জ্যাকেট, হেলমেট, হেডল্যাম্প, রেইনকোট, গামবুট, রাবারের গ্লাভস, বাঁশি, লাইফ বয়া, স্ট্রেচার, মেগাফোন, সংকেত পতাকা, কুঠার, হাত করাত, রশি ও টর্চলাইটসহ বিভিন্ন উদ্ধার সরঞ্জাম। পাশাপাশি দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক চিকিৎসার কিট ও প্রয়োজনীয় ওষুধ।
এছাড়াও, ইউনিয়নের ৯টি গ্রুপের ৯০ জন যুব স্বেচ্ছাসেবকের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে ভেস্ট, রেইনকোট, হেলমেট, হেডল্যাম্প, বাঁশি, লাইফ বয়া ও মেগাফোন।
আয়োজকেরা জানান, দুর্যোগের সময় স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত সাড়াদান, অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা এবং আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রে এসব সরঞ্জাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবকদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।
উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ রাঙ্গাবালীতে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সক্ষমতা বাড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন