পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পলিথিন ও প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় পরিবেশবান্ধব ব্লক ইটের ব্যবহার বাড়ানো, বায়ু, পানি, মাটি ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম জোরদারসহ পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে চলমান কার্যক্রম আরও কার্যকর করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে দূষণ নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান যথাযথভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পলিথিন ও প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় পরিবেশবান্ধব ব্লক ইটের ব্যবহার বাড়ানো, বায়ু, পানি, মাটি ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম জোরদারসহ পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে চলমান কার্যক্রম আরও কার্যকর করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে দূষণ নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান যথাযথভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন