আরিফ হোসেন : মান্দা নওগাঁ প্রতিনিধি
নওগাঁর মান্দায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী আশিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে গড়ে উঠেছে ঘুষ ও দুর্নীতির এক বিশাল সাম্রাজ্য। দীর্ঘদিন ধরে ওই অফিসে 'অফিস সহায়ক' পদে কর্মরত থাকার সুবাদে তিনি সেখানে একচ্ছত্র ক্ষমতার বলয় তৈরি করেছেন।
অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার এবং বিভিন্ন প্রকল্পের পিআইসি (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) বর্তমানে তার কাছে জিম্মি। ফাইলপ্রতি নির্ধারিত অঙ্কের টাকা না দিলে সেখানে কোনো কাজই সামনে এগোয় না। পিআইও কার্যালয়ে কোনো কাজ অনুমোদন করাতে হলে সোহাগকে ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে, উপজেলায় বাস্তবায়িত কাবিটা, কাবিখা, টিআর ও জিআর-সহ সর্বপ্রকার সরকারি প্রকল্পের ফাইল বিভিন্ন অজুহাতে আটকে রেখে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করেন তিনি। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বিভিন্ন প্রকল্পের মাস্টাররোল ছাড় করানোর নামে প্রতি লাখে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা, ক্ষেত্রবিশেষে আরও বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রমাণ মিলছে।
দুর্নীতির এই থাবা থেকে বাদ পড়েনি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও। সম্প্রতি প্রসাদপুর ঈদগাহের সংস্কার ও মেরামতের জন্য বরাদ্দ করা ২ লাখ টাকার সরকারি অনুদান থেকেও ৬ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে সোহাগের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মান্দা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আরিফুল ইসলাম জানান, "অভিযোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে তদন্ত সাপেক্ষে যদি তিনি কারো কাছ থেকে অনৈতিকভাবে টাকা নিয়ে থাকেন, তবে তা ফেরত দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
আরিফ হোসেন : মান্দা নওগাঁ প্রতিনিধি
নওগাঁর মান্দায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী আশিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে গড়ে উঠেছে ঘুষ ও দুর্নীতির এক বিশাল সাম্রাজ্য। দীর্ঘদিন ধরে ওই অফিসে 'অফিস সহায়ক' পদে কর্মরত থাকার সুবাদে তিনি সেখানে একচ্ছত্র ক্ষমতার বলয় তৈরি করেছেন।
অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার এবং বিভিন্ন প্রকল্পের পিআইসি (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) বর্তমানে তার কাছে জিম্মি। ফাইলপ্রতি নির্ধারিত অঙ্কের টাকা না দিলে সেখানে কোনো কাজই সামনে এগোয় না। পিআইও কার্যালয়ে কোনো কাজ অনুমোদন করাতে হলে সোহাগকে ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে, উপজেলায় বাস্তবায়িত কাবিটা, কাবিখা, টিআর ও জিআর-সহ সর্বপ্রকার সরকারি প্রকল্পের ফাইল বিভিন্ন অজুহাতে আটকে রেখে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করেন তিনি। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বিভিন্ন প্রকল্পের মাস্টাররোল ছাড় করানোর নামে প্রতি লাখে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা, ক্ষেত্রবিশেষে আরও বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রমাণ মিলছে।
দুর্নীতির এই থাবা থেকে বাদ পড়েনি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও। সম্প্রতি প্রসাদপুর ঈদগাহের সংস্কার ও মেরামতের জন্য বরাদ্দ করা ২ লাখ টাকার সরকারি অনুদান থেকেও ৬ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে সোহাগের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মান্দা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আরিফুল ইসলাম জানান, "অভিযোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে তদন্ত সাপেক্ষে যদি তিনি কারো কাছ থেকে অনৈতিকভাবে টাকা নিয়ে থাকেন, তবে তা ফেরত দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আপনার মতামত লিখুন