রিপোর্ট - স্বপন সরকার : কালিয়াকৈর(গাজীপুর) প্রতিনিধি
গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার পূর্বচান্দরা মুন্সিরটেক এলাকায় রোববার সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় অরক্ষিত সেফটি ট্যাংকে পড়ে ঐশি রায় নামে (৬) বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত ওই শিশু দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার সমশ্যাম নগর এলাকার সাগর চন্দ্র রায়ের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি স্কুলের প্লে নার্সারীর শিক্ষার্থী। সে বাবা মার সাথে উপজেলার মুন্সির টেক এলাকার মোজাফর আলীর বাড়িতে ভাড়া থাকতো। বাবা পেশায় একজন চা দোকানদার।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্র জানায়, শিশুটি পাশের বাড়িতে প্রথম প্রাইভেট পড়ার জন্য যাচ্ছিল। পথি মধ্যে ওই এলাকার মাহমুদা বেগমের বহুতল ভবনের অরক্ষিত সেফটি ট্যাংকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পড়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সফিপুর তানহা হাসপাতালে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন। এলকাবাসীর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে সেফটি ট্যাংকটির ডাকনা না থাকায় অরক্ষিত হিসেবে পড়েছিল যার কারনে শিশুটি সেখানে পড়ে এ দূর্ঘটনা ঘটে। এতে বাড়ির মালিকের এমন উদাসিনতার বিষয়টি প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে দাড়িয়েছে। এদিকে খবর পেয়ে রাতের সাড়ে এগারোটার দিকে লাশ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয় পুলিশ।
এদিকে শিশুটির মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। দুই পক্ষ সমঝোতা হওয়ার কারনে ময়না তদন্ত ছাড়া পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
রিপোর্ট - স্বপন সরকার : কালিয়াকৈর(গাজীপুর) প্রতিনিধি
গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার পূর্বচান্দরা মুন্সিরটেক এলাকায় রোববার সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় অরক্ষিত সেফটি ট্যাংকে পড়ে ঐশি রায় নামে (৬) বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত ওই শিশু দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার সমশ্যাম নগর এলাকার সাগর চন্দ্র রায়ের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি স্কুলের প্লে নার্সারীর শিক্ষার্থী। সে বাবা মার সাথে উপজেলার মুন্সির টেক এলাকার মোজাফর আলীর বাড়িতে ভাড়া থাকতো। বাবা পেশায় একজন চা দোকানদার।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্র জানায়, শিশুটি পাশের বাড়িতে প্রথম প্রাইভেট পড়ার জন্য যাচ্ছিল। পথি মধ্যে ওই এলাকার মাহমুদা বেগমের বহুতল ভবনের অরক্ষিত সেফটি ট্যাংকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পড়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সফিপুর তানহা হাসপাতালে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন। এলকাবাসীর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে সেফটি ট্যাংকটির ডাকনা না থাকায় অরক্ষিত হিসেবে পড়েছিল যার কারনে শিশুটি সেখানে পড়ে এ দূর্ঘটনা ঘটে। এতে বাড়ির মালিকের এমন উদাসিনতার বিষয়টি প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে দাড়িয়েছে। এদিকে খবর পেয়ে রাতের সাড়ে এগারোটার দিকে লাশ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয় পুলিশ।
এদিকে শিশুটির মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। দুই পক্ষ সমঝোতা হওয়ার কারনে ময়না তদন্ত ছাড়া পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন