আগামী ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬’ এবং ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। দিবস দুটি উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দপ্তরে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন। বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রণীত কর্মসূচির আলোকে দিবস দুটি উদযাপনের জন্য বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী— ১৬ জুলাই (জুলাই শহীদ দিবস): দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে বিশেষ আলোচনাসভার আয়োজন করা হবে। ৫ আগস্ট (জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস): ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনাসভার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এই কর্মসূচিগুলো মাঠপর্যায়ে যথাযথভাবে বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ), শিশুকল্যাণ ট্রাস্ট এবং বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট। সভায় গৃহীত কর্মসূচিগুলো সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
আগামী ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬’ এবং ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। দিবস দুটি উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দপ্তরে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন। বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রণীত কর্মসূচির আলোকে দিবস দুটি উদযাপনের জন্য বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী— ১৬ জুলাই (জুলাই শহীদ দিবস): দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে বিশেষ আলোচনাসভার আয়োজন করা হবে। ৫ আগস্ট (জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস): ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনাসভার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এই কর্মসূচিগুলো মাঠপর্যায়ে যথাযথভাবে বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ), শিশুকল্যাণ ট্রাস্ট এবং বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট। সভায় গৃহীত কর্মসূচিগুলো সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন