বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে হট ফেবারিট ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ১৪ জুলাই রাত ১টায় অনুষ্ঠিত এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে ফরাসিদের বিপক্ষে দাপুটে জয় তুলে নেয় লা রোজারা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় দুই দল। ম্যাচের ২০ মিনিটে লামিনে ইয়ামালকে ফ্রান্সের বক্সের ভেতর ফাউল করা হলে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট কিক থেকে নিখুঁত শটে দলকে এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। এরপর ৩৬ মিনিটে আবাল বায়েনা বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। ফলে ১-০ ব্যবধানে প্রথমার্ধ শেষ হয়।
বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে স্প্যানিশরা। ৫৮ মিনিটে পেদ্রো পোরোর দুর্দান্ত গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্পেন। শেষ দিকে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ডেম্বেলেরা একের পর এক আক্রমণ চালালেও স্পেনের রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক উনাই সিমনের দৃঢ়তায় সফল হতে পারেনি।
শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন। ২০১০ সালে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর, আবারও শিরোপা জয়ের সোনালী স্বপ্ন নিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রাখলো লামিনে ইয়ামালদের স্পেন।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে হট ফেবারিট ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ১৪ জুলাই রাত ১টায় অনুষ্ঠিত এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে ফরাসিদের বিপক্ষে দাপুটে জয় তুলে নেয় লা রোজারা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় দুই দল। ম্যাচের ২০ মিনিটে লামিনে ইয়ামালকে ফ্রান্সের বক্সের ভেতর ফাউল করা হলে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট কিক থেকে নিখুঁত শটে দলকে এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। এরপর ৩৬ মিনিটে আবাল বায়েনা বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। ফলে ১-০ ব্যবধানে প্রথমার্ধ শেষ হয়।
বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে স্প্যানিশরা। ৫৮ মিনিটে পেদ্রো পোরোর দুর্দান্ত গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্পেন। শেষ দিকে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ডেম্বেলেরা একের পর এক আক্রমণ চালালেও স্পেনের রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক উনাই সিমনের দৃঢ়তায় সফল হতে পারেনি।
শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন। ২০১০ সালে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর, আবারও শিরোপা জয়ের সোনালী স্বপ্ন নিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রাখলো লামিনে ইয়ামালদের স্পেন।

আপনার মতামত লিখুন