বেলজিয়ামের বিপক্ষে বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে জয়ের পাশাপাশি অনন্য এক ইতিহাস গড়েছে স্পেন। মাঠের ফলাফলের বাইরে ‘লা রোহা’রা আলোচনায় এসেছে ১৯৫৮ সালের পর প্রথম ঘটা বিরল এক রেকর্ডের কারণে।
ম্যাচটিতে স্পেনের শুরুর একাদশে জায়গা পান দুই তরুণ তারকা—লামিনে ইয়ামাল ও পাউ কুবারসি। দুজনেরই বয়স ১৯ বছরের কম। বিশ্বকাপের মতো বড় আসরের নকআউট পর্বে একসঙ্গে দুই কিশোর ফুটবলারকে প্রথম একাদশে খেলানোর এই সিদ্ধান্তই স্পেনকে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে দিয়েছে।
ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অপ্টার তথ্যমতে, বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল কিংবা তার পরবর্তী নকআউট পর্বে শুরুর একাদশে একসঙ্গে দুই কিশোরকে খেলানোর ঘটনা গত ৬৮ বছরের মধ্যে এটাই প্রথম।
এর আগে সর্বশেষ এমন দৃশ্য দেখা গিয়েছিল ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে। ওয়েলসের বিপক্ষে ব্রাজিলের সেই ম্যাচে একাদশে ছিলেন দুই কিশোর পেলে ও জোসে আলতাফিনি। পরবর্তীতে সেই আসর থেকেই শুরু হয়েছিল পেলের কিংবদন্তি হয়ে ওঠার যাত্রা।
প্রায় সাত দশক পর ইয়ামাল ও কুবারসিকে একসঙ্গে মাঠে নামিয়ে সেই বিরল ঘটনার পুনরাবৃত্তি করল স্পেন। তরুণদের ওপর আস্থা রেখে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত শুধু একটি রেকর্ডই গড়েনি, বরং দলটির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও আত্মবিশ্বাসেরও প্রমাণ দিয়েছে।
বিশ্বকাপের মতো সর্বোচ্চ পর্যায়ের মঞ্চে তরুণ ফুটবলারদের এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার ঘটনাটি ইতোমধ্যেই ফুটবলবিশ্বে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। স্পেনের এই পদক্ষেপকে অনেকেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আস্থার এক শক্ত বার্তা হিসেবে দেখছেন।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
বেলজিয়ামের বিপক্ষে বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে জয়ের পাশাপাশি অনন্য এক ইতিহাস গড়েছে স্পেন। মাঠের ফলাফলের বাইরে ‘লা রোহা’রা আলোচনায় এসেছে ১৯৫৮ সালের পর প্রথম ঘটা বিরল এক রেকর্ডের কারণে।
ম্যাচটিতে স্পেনের শুরুর একাদশে জায়গা পান দুই তরুণ তারকা—লামিনে ইয়ামাল ও পাউ কুবারসি। দুজনেরই বয়স ১৯ বছরের কম। বিশ্বকাপের মতো বড় আসরের নকআউট পর্বে একসঙ্গে দুই কিশোর ফুটবলারকে প্রথম একাদশে খেলানোর এই সিদ্ধান্তই স্পেনকে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে দিয়েছে।
ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অপ্টার তথ্যমতে, বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল কিংবা তার পরবর্তী নকআউট পর্বে শুরুর একাদশে একসঙ্গে দুই কিশোরকে খেলানোর ঘটনা গত ৬৮ বছরের মধ্যে এটাই প্রথম।
এর আগে সর্বশেষ এমন দৃশ্য দেখা গিয়েছিল ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে। ওয়েলসের বিপক্ষে ব্রাজিলের সেই ম্যাচে একাদশে ছিলেন দুই কিশোর পেলে ও জোসে আলতাফিনি। পরবর্তীতে সেই আসর থেকেই শুরু হয়েছিল পেলের কিংবদন্তি হয়ে ওঠার যাত্রা।
প্রায় সাত দশক পর ইয়ামাল ও কুবারসিকে একসঙ্গে মাঠে নামিয়ে সেই বিরল ঘটনার পুনরাবৃত্তি করল স্পেন। তরুণদের ওপর আস্থা রেখে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত শুধু একটি রেকর্ডই গড়েনি, বরং দলটির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও আত্মবিশ্বাসেরও প্রমাণ দিয়েছে।
বিশ্বকাপের মতো সর্বোচ্চ পর্যায়ের মঞ্চে তরুণ ফুটবলারদের এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার ঘটনাটি ইতোমধ্যেই ফুটবলবিশ্বে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। স্পেনের এই পদক্ষেপকে অনেকেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আস্থার এক শক্ত বার্তা হিসেবে দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন