চাঁদপুরের হাইমচরে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করেছেন ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। শনিবার (৭ নভেম্বর) তিনি চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ জিয়াউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে অতিথিরা প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্ভাবনা, ভৌগোলিক অবস্থান এবং শিল্পায়নের উপযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা এ অঞ্চলের সামগ্রিক সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে পরিকল্পিত শিল্পায়ন ও বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, সখীপুরের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, হাইমচর উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় উৎসুক জনতা।
পরিদর্শনকালে আগত অতিথিরা প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন। এ সময় তাঁরা হাইমচরের অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। উপস্থিত সবাই এ অঞ্চলে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে ইতিবাচকভাবে দেখেন এবং এর অপার সম্ভাবনার ব্যাপারে একমত পোষণ করেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, হাইমচরে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। শিল্পকারখানা ও বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি হলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ, যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং স্থানীয় উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া অর্থনৈতিক অঞ্চলটি বাস্তবায়িত হলে চাঁদপুরের পাশাপাশি বৃহত্তর দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নতুন গতি সঞ্চার হতে পারে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা। মেঘনা নদীবেষ্টিত হাইমচরের ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগব্যবস্থার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত শিল্পায়নের সুযোগ তৈরি করা গেলে অঞ্চলটি ভবিষ্যতে বিনিয়োগের অন্যতম আকর্ষণীয় কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে তুলনামূলকভাবে শিল্পায়নের বাইরে থাকা হাইমচরে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা স্থানীয় মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। এখন প্রস্তাবিত অঞ্চলটির সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অগ্রগতির দিকে তাকিয়ে রয়েছেন এলাকাবাসী।
সংশ্লিষ্টদের এই পরিদর্শন হাইমচরে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়ে নতুন করে আশাবাদ সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
চাঁদপুরের হাইমচরে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করেছেন ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। শনিবার (৭ নভেম্বর) তিনি চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ জিয়াউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে অতিথিরা প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্ভাবনা, ভৌগোলিক অবস্থান এবং শিল্পায়নের উপযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা এ অঞ্চলের সামগ্রিক সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে পরিকল্পিত শিল্পায়ন ও বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, সখীপুরের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, হাইমচর উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় উৎসুক জনতা।
পরিদর্শনকালে আগত অতিথিরা প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন। এ সময় তাঁরা হাইমচরের অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। উপস্থিত সবাই এ অঞ্চলে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে ইতিবাচকভাবে দেখেন এবং এর অপার সম্ভাবনার ব্যাপারে একমত পোষণ করেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, হাইমচরে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। শিল্পকারখানা ও বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি হলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ, যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং স্থানীয় উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া অর্থনৈতিক অঞ্চলটি বাস্তবায়িত হলে চাঁদপুরের পাশাপাশি বৃহত্তর দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নতুন গতি সঞ্চার হতে পারে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা। মেঘনা নদীবেষ্টিত হাইমচরের ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগব্যবস্থার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত শিল্পায়নের সুযোগ তৈরি করা গেলে অঞ্চলটি ভবিষ্যতে বিনিয়োগের অন্যতম আকর্ষণীয় কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে তুলনামূলকভাবে শিল্পায়নের বাইরে থাকা হাইমচরে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা স্থানীয় মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। এখন প্রস্তাবিত অঞ্চলটির সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অগ্রগতির দিকে তাকিয়ে রয়েছেন এলাকাবাসী।
সংশ্লিষ্টদের এই পরিদর্শন হাইমচরে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়ে নতুন করে আশাবাদ সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন