লগইন
প্রাইম টিভি
প্রকাশ : শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

দুমকিতে সরকারি জমি দখল করে কবরস্থান নির্মান, অবরুদ্ধ সাংবাদিক পরিবার!

দুমকিতে সরকারি জমি দখল করে কবরস্থান নির্মান, অবরুদ্ধ সাংবাদিক পরিবার!

দুমকি(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকিতে সরকারি রেকর্ডীয় হালট দখল করে পারিবারিক কবরস্থানের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণেরঅভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার সিকদারসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এতে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা ও প্রেসক্লাব দুমকির সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো: কামাল হোসেন'র পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। 

শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার  লেবুখালী ইউনিয়নয়নের ৮নং ওয়ার্ডের আঠারগাছিয়া গ্রামের শিকদার বাড়িতে এ অমানবিক ঘটনাটি ঘটে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক কামাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আঠারগাছিয়া মৌজার ১৫০২ নম্বর প্লটের সরকারি হালটটি  কার্তিকপাশা ও আঠারোগাছিয়া গ্রামের জন সাধারনের চলাচলের রাস্তা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেখানে কবরস্থান নির্মাণ করে আমাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। আমি ৯৯৯ ফোন দিলে সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয় এবং বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে সমাধান করার কথা বলেন। কিন্তু পরদিন জব্বার শিকদার ও তার ভাই খোকন শিকদার লোকজন নিয়ে পুলিশি বাঁধা উপেক্ষা করে দেয়াল নির্মাণের কাজ অব্যাহত রাখে। এমতাবস্থায় আমার বৃদ্ধ মা, স্ত্রী সন্তান নিয়ে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এলাকার জনগনের দাবি, সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের  ফলে শুধু তাঁদের পরিবার নয়, ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষের চলাচলেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি হতে পারে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার না করে জমির মালিকানা ও ব্যবহারের বিষয়ে ভিন্ন দাবি করেছেন অভিযুক্ত

 বিএনপি নেতা আবদুল জব্বার সিকদার ও তার ভাই আবু সালেহ খোকন। তাদের দাবি সরকারি হালট হলেও জায়গাটি তাঁদের বাপ-দাদার আমলের পারিবারিক কবরস্থান, তাই কবরস্থানের নিরাপত্তায় সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা তাঁদের নৈতিক দায়িত্ব।

তারা আরও বলেন, জায়গাটি সরকারি হালট কিংবা খাস জমি হয়ে থাকলে ভূমি প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন।

দুমকি থানা অফিসার ইনচার্জ মো সেলিম উদ্দীন বলেন,  ৯৯৯ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে আমাদের নিষেধ অমান্য করে কাজ করলে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভারপ্রাপ্ত মো: আবু মুছা বলেন, বিষয়টি আমার নজরে  এসেছে ইতোমধ্যে আমি আমার তহশিলদারকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। পরবর্তীতে সরকারি জমির সীমানা নির্ধারণে যদি আমাদের যায়গায় স্থাপনা থাকে সাথে সাথে উচ্ছেদ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
প্রাইম টিভি

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬


দুমকিতে সরকারি জমি দখল করে কবরস্থান নির্মান, অবরুদ্ধ সাংবাদিক পরিবার!

প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

দুমকি(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকিতে সরকারি রেকর্ডীয় হালট দখল করে পারিবারিক কবরস্থানের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণেরঅভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার সিকদারসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এতে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা ও প্রেসক্লাব দুমকির সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো: কামাল হোসেন'র পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। 

শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার  লেবুখালী ইউনিয়নয়নের ৮নং ওয়ার্ডের আঠারগাছিয়া গ্রামের শিকদার বাড়িতে এ অমানবিক ঘটনাটি ঘটে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক কামাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আঠারগাছিয়া মৌজার ১৫০২ নম্বর প্লটের সরকারি হালটটি  কার্তিকপাশা ও আঠারোগাছিয়া গ্রামের জন সাধারনের চলাচলের রাস্তা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেখানে কবরস্থান নির্মাণ করে আমাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। আমি ৯৯৯ ফোন দিলে সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয় এবং বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে সমাধান করার কথা বলেন। কিন্তু পরদিন জব্বার শিকদার ও তার ভাই খোকন শিকদার লোকজন নিয়ে পুলিশি বাঁধা উপেক্ষা করে দেয়াল নির্মাণের কাজ অব্যাহত রাখে। এমতাবস্থায় আমার বৃদ্ধ মা, স্ত্রী সন্তান নিয়ে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এলাকার জনগনের দাবি, সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের  ফলে শুধু তাঁদের পরিবার নয়, ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষের চলাচলেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি হতে পারে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার না করে জমির মালিকানা ও ব্যবহারের বিষয়ে ভিন্ন দাবি করেছেন অভিযুক্ত

 বিএনপি নেতা আবদুল জব্বার সিকদার ও তার ভাই আবু সালেহ খোকন। তাদের দাবি সরকারি হালট হলেও জায়গাটি তাঁদের বাপ-দাদার আমলের পারিবারিক কবরস্থান, তাই কবরস্থানের নিরাপত্তায় সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা তাঁদের নৈতিক দায়িত্ব।

তারা আরও বলেন, জায়গাটি সরকারি হালট কিংবা খাস জমি হয়ে থাকলে ভূমি প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন।

দুমকি থানা অফিসার ইনচার্জ মো সেলিম উদ্দীন বলেন,  ৯৯৯ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে আমাদের নিষেধ অমান্য করে কাজ করলে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভারপ্রাপ্ত মো: আবু মুছা বলেন, বিষয়টি আমার নজরে  এসেছে ইতোমধ্যে আমি আমার তহশিলদারকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। পরবর্তীতে সরকারি জমির সীমানা নির্ধারণে যদি আমাদের যায়গায় স্থাপনা থাকে সাথে সাথে উচ্ছেদ করা হবে।







প্রাইম টিভি

নির্বাহী পরিচালক  

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত প্রাইম টিভি