সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার নেশায় টিকটক ও বিভিন্ন ভিডিও প্ল্যাটফর্মে আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরির প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণীদের একটি অংশের এমন কর্মকাণ্ড সামাজিক মূল্যবোধ ও তরুণ প্রজন্মের ওপর কী প্রভাব ফেলছে, তা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন।
নওগাঁকে ঘিরে এমনই এক টিকটকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, জান নামের ওই যুবকের পৈতৃক বাড়ি নওগাঁয় না হলেও নানাবাড়ি এই এলাকায়। সেখানেই বেড়ে ওঠা তার।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগে থেকেই বিবাহিত ছিলেন জান। তার সংসারও ছিল। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও তৈরি ও বিভিন্ন নারীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে পারিবারিক বিরোধের অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে নওগাঁর বোয়ালিয়া এলাকার লিজা নামের এক তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় তার। পরবর্তী সময়ে তাকেও বিয়ে করার কথা জানা গেছে। এ ঘটনায় আগের স্ত্রীর সঙ্গে তার বিচ্ছেদ ঘটে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
তবে এখানেই শেষ নয়। অভিযোগ রয়েছে, লিজার সঙ্গে সংসার চলাকালেও বিভিন্ন নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে লিজার নাচের পরিবেশনা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশকে কেন্দ্র করেও আলোচনা রয়েছে।
সর্বশেষ নওগাঁ সদর উপজেলার ইদুর বটতলী এলাকার বৈশাখী নামের এক তরুণীর সঙ্গে জানের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে। স্থানীয়দের দাবি, তারা বর্তমানে স্বামী-স্ত্রীর মতো একসঙ্গে চলাফেরা ও বসবাস করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের বিভিন্ন ভিডিওতেও আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি দেখা যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নাচের পরিবেশনা এবং ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু ভিডিওর বিষয়বস্তু নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
অন্যদিকে, জানের অবস্থানরত বাসায় সন্ধ্যার পর বিভিন্ন তরুণ-তরুণীর আনাগোনা এবং মাদক সেবনের আসর বসার অভিযোগও পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
প্রশ্ন উঠছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জনের প্রতিযোগিতায় ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও সামাজিক দায়িত্ববোধ কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে? বিনোদনের নামে আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরি এবং তরুণ প্রজন্মের ওপর এর প্রভাব নিয়েও উদ্বিগ্ন সচেতন মহল।
ভাইরাল হওয়ার নেশা কি শেষ পর্যন্ত সামাজিক মূল্যবোধকেই প্রশ্নের মুখে ফেলছে? নওগাঁর এই ঘটনাকে ঘিরে এখন জনমনে এমনই প্রশ্ন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জান বলেন, বৈশাখীর সাথে আমার বিয়ে হয়নি তবে মানুষ মনে করে আমরা স্বামী-স্ত্রী। আমির সদর উপজেলার শিবপুর এলাকায় বসবাস করি। লিজা আমার স্ত্রী ছিল তাকে তালাক দিয়েছি। তবে মাদকের বিষয়গুলি অস্বীকার করে জান।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার নেশায় টিকটক ও বিভিন্ন ভিডিও প্ল্যাটফর্মে আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরির প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণীদের একটি অংশের এমন কর্মকাণ্ড সামাজিক মূল্যবোধ ও তরুণ প্রজন্মের ওপর কী প্রভাব ফেলছে, তা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন।
নওগাঁকে ঘিরে এমনই এক টিকটকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, জান নামের ওই যুবকের পৈতৃক বাড়ি নওগাঁয় না হলেও নানাবাড়ি এই এলাকায়। সেখানেই বেড়ে ওঠা তার।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগে থেকেই বিবাহিত ছিলেন জান। তার সংসারও ছিল। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও তৈরি ও বিভিন্ন নারীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে পারিবারিক বিরোধের অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে নওগাঁর বোয়ালিয়া এলাকার লিজা নামের এক তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় তার। পরবর্তী সময়ে তাকেও বিয়ে করার কথা জানা গেছে। এ ঘটনায় আগের স্ত্রীর সঙ্গে তার বিচ্ছেদ ঘটে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
তবে এখানেই শেষ নয়। অভিযোগ রয়েছে, লিজার সঙ্গে সংসার চলাকালেও বিভিন্ন নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে লিজার নাচের পরিবেশনা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশকে কেন্দ্র করেও আলোচনা রয়েছে।
সর্বশেষ নওগাঁ সদর উপজেলার ইদুর বটতলী এলাকার বৈশাখী নামের এক তরুণীর সঙ্গে জানের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে। স্থানীয়দের দাবি, তারা বর্তমানে স্বামী-স্ত্রীর মতো একসঙ্গে চলাফেরা ও বসবাস করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের বিভিন্ন ভিডিওতেও আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি দেখা যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নাচের পরিবেশনা এবং ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু ভিডিওর বিষয়বস্তু নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
অন্যদিকে, জানের অবস্থানরত বাসায় সন্ধ্যার পর বিভিন্ন তরুণ-তরুণীর আনাগোনা এবং মাদক সেবনের আসর বসার অভিযোগও পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
প্রশ্ন উঠছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জনের প্রতিযোগিতায় ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও সামাজিক দায়িত্ববোধ কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে? বিনোদনের নামে আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরি এবং তরুণ প্রজন্মের ওপর এর প্রভাব নিয়েও উদ্বিগ্ন সচেতন মহল।
ভাইরাল হওয়ার নেশা কি শেষ পর্যন্ত সামাজিক মূল্যবোধকেই প্রশ্নের মুখে ফেলছে? নওগাঁর এই ঘটনাকে ঘিরে এখন জনমনে এমনই প্রশ্ন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জান বলেন, বৈশাখীর সাথে আমার বিয়ে হয়নি তবে মানুষ মনে করে আমরা স্বামী-স্ত্রী। আমির সদর উপজেলার শিবপুর এলাকায় বসবাস করি। লিজা আমার স্ত্রী ছিল তাকে তালাক দিয়েছি। তবে মাদকের বিষয়গুলি অস্বীকার করে জান।

আপনার মতামত লিখুন