লগইন
প্রাইম টিভি
আপডেট : বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

গাজীপুরে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

গাজীপুরে  ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

‎

‎শফিকুল  ইসলাম শামীম,নিজস্ব প্রতিবেদক:

‎

‎গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ীতে ফারিয়া আক্তার(১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১২ টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে কোনাবাড়ী থানা পুলিশ। নিহত ফারিয়া ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার জোড়বাড়িয়া বাটিপাড়া এলাকার নাহীদ হাসান এর স্ত্রী।সে বর্তমান পর্যন্ত কোনাবাড়ীর আমবাগ পশ্চিম পাড়া হানিওয়েল গার্মেন্টস সংলগ্ন উল্লাস এর বাড়ীর ভাড়া ছিল।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,গত কোরবানী ঈদের সময় জীবিকার তাগিদে জন্মভূমি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া এলাকা থেকে এসে আমবাগ পশ্চিম পাড়া উল্লেখিত

ভাড়াবাসায় থেকে এখানে স্থানীয়  আমবাগ এইচ এন আর ক্লোথিং এন্ড প্রিন্টিং নামক এক মিনি গার্মেন্টসে স্বামী নাহীদ হাসান এর সাথে  চাকুরী করতো।এমতাবস্থায় আজ মঙ্গলবার সকালে  নাহীদ এর সাথে ভাড়া বাসায় ছিল।কিন্তু ফারিয়া অসুস্থতাবোধ করায় সে আজ কারখানায় যায়নি।কিন্তু ফারিয়ার স্বামী নাহীদ হাসান  সকাল বেলা তার নিজ কর্মস্থলে চলে যায়।এদিকে নিহত ফারিয়া  বাসায় শুয়ে ছিলো।সকাল ১১ টার পর্যন্ত ঘরের ভিতর দিয়ে আটকানো ছিলো ঘরের দরজা।পাশের বাসা থেকে একজন এসে ডাক দিলে ভিতর থেকে দরজা খুলেনা সে এবং তার কোনো সাড়া- শব্দ না পেয়ে আশপাশের অন্যদের বিষয়টি জানালে সবাই সেখানে ছুটে যায়।পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা কেটে ভিতরে প্রবেশ করে দেখতে পায়

‎ফ্যানের সাথে ঝুলানো গৃহবধূ নিথর দেহটি।পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে দুপুর  আড়াইটার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ

‎ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যায়।

‎এই বিষয়ে নিহত  ফারিয়ার স্বামী নাহীদ হাসান জানান,সকালে ফারিয়া বলেছিলো তার মাথা ব্যথা।তাই আজ সে কারখানায় যাবেনা।সে বলেছিল তুমি অফিসে চলে যাও।আমি আজ রান্নাও করতে পারবোনা,শরীরটা খুব খারাপ।পরে তার কথা শোনার পর আমি কারখানায় চলে যাই।কারখানা থেকে ১১ টার দিকে শুনি এরকম দুর্ঘটনার খবর।

‎ পাশের বাড়ীর স্থানীয় ফারুক জানান,আমরা ১১  টায় জানতে পেরে ওখানে যাই।গিয়ে দেখি জানালার পাশে দিয়ে দেখা যায় সাদা ওড়নায় ঝুলানো ফারিয়ার মরদেহ। পরে পুলিশ এসে দরজা কেটে ভিতরে প্রবেশ করে মরদেহটি উদ্ধার করে। সে জানায় একসপ্তাহ আগে তাদের মাঝে ঝগড়া ছিলো।তবে আজ কোনো সমস্যা ছিলোনা। ফারুক জানায় পূর্বে অন্য জায়গায় আরেকটি বিয়ে হয়েছিলো নিহত ফারিয়ার।নাহীদ তার ২য় স্বামী।গত কুরবানী ঈদের সময় পূর্বের স্বামীর কাছ থেকে পালিয়ে এসে নাহীদ এর কাছে এসে বিয়ে হয় তার।ওই পক্ষের কোনো চাপসৃষ্টি থাকতে পারে।

‎

‎এই বিষয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করা এস আই নাদিম জানান,খবর পেয়ে আমরা ১১ টার পর এসে ঘরের দরজা কেটে ভিতরে প্রবেশ করে দেখতে পাই ফ্যানের সাথে ওড়না দিয়ে ঝুলানো ফারিয়ার মরদেহ।আজ মঙ্গলবার সকাল ৮ থেকে ১১ টার

‎মধ্যে যেকোনো সময় এই ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি জানান,

‎ মরদেহটি উদ্ধার করে দুপুর আড়াইটার সময়  ময়না তদন্তের জন্য  শহীদ তাজ উদ্দিন আহমদ  মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
প্রাইম টিভি

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


গাজীপুরে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image


‎

‎শফিকুল  ইসলাম শামীম,নিজস্ব প্রতিবেদক:

‎

‎গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ীতে ফারিয়া আক্তার(১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১২ টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে কোনাবাড়ী থানা পুলিশ। নিহত ফারিয়া ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার জোড়বাড়িয়া বাটিপাড়া এলাকার নাহীদ হাসান এর স্ত্রী।সে বর্তমান পর্যন্ত কোনাবাড়ীর আমবাগ পশ্চিম পাড়া হানিওয়েল গার্মেন্টস সংলগ্ন উল্লাস এর বাড়ীর ভাড়া ছিল।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,গত কোরবানী ঈদের সময় জীবিকার তাগিদে জন্মভূমি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া এলাকা থেকে এসে আমবাগ পশ্চিম পাড়া উল্লেখিত

ভাড়াবাসায় থেকে এখানে স্থানীয়  আমবাগ এইচ এন আর ক্লোথিং এন্ড প্রিন্টিং নামক এক মিনি গার্মেন্টসে স্বামী নাহীদ হাসান এর সাথে  চাকুরী করতো।এমতাবস্থায় আজ মঙ্গলবার সকালে  নাহীদ এর সাথে ভাড়া বাসায় ছিল।কিন্তু ফারিয়া অসুস্থতাবোধ করায় সে আজ কারখানায় যায়নি।কিন্তু ফারিয়ার স্বামী নাহীদ হাসান  সকাল বেলা তার নিজ কর্মস্থলে চলে যায়।এদিকে নিহত ফারিয়া  বাসায় শুয়ে ছিলো।সকাল ১১ টার পর্যন্ত ঘরের ভিতর দিয়ে আটকানো ছিলো ঘরের দরজা।পাশের বাসা থেকে একজন এসে ডাক দিলে ভিতর থেকে দরজা খুলেনা সে এবং তার কোনো সাড়া- শব্দ না পেয়ে আশপাশের অন্যদের বিষয়টি জানালে সবাই সেখানে ছুটে যায়।পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা কেটে ভিতরে প্রবেশ করে দেখতে পায়

‎ফ্যানের সাথে ঝুলানো গৃহবধূ নিথর দেহটি।পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে দুপুর  আড়াইটার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ

‎ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যায়।

‎এই বিষয়ে নিহত  ফারিয়ার স্বামী নাহীদ হাসান জানান,সকালে ফারিয়া বলেছিলো তার মাথা ব্যথা।তাই আজ সে কারখানায় যাবেনা।সে বলেছিল তুমি অফিসে চলে যাও।আমি আজ রান্নাও করতে পারবোনা,শরীরটা খুব খারাপ।পরে তার কথা শোনার পর আমি কারখানায় চলে যাই।কারখানা থেকে ১১ টার দিকে শুনি এরকম দুর্ঘটনার খবর।

‎ পাশের বাড়ীর স্থানীয় ফারুক জানান,আমরা ১১  টায় জানতে পেরে ওখানে যাই।গিয়ে দেখি জানালার পাশে দিয়ে দেখা যায় সাদা ওড়নায় ঝুলানো ফারিয়ার মরদেহ। পরে পুলিশ এসে দরজা কেটে ভিতরে প্রবেশ করে মরদেহটি উদ্ধার করে। সে জানায় একসপ্তাহ আগে তাদের মাঝে ঝগড়া ছিলো।তবে আজ কোনো সমস্যা ছিলোনা। ফারুক জানায় পূর্বে অন্য জায়গায় আরেকটি বিয়ে হয়েছিলো নিহত ফারিয়ার।নাহীদ তার ২য় স্বামী।গত কুরবানী ঈদের সময় পূর্বের স্বামীর কাছ থেকে পালিয়ে এসে নাহীদ এর কাছে এসে বিয়ে হয় তার।ওই পক্ষের কোনো চাপসৃষ্টি থাকতে পারে।

‎

‎এই বিষয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করা এস আই নাদিম জানান,খবর পেয়ে আমরা ১১ টার পর এসে ঘরের দরজা কেটে ভিতরে প্রবেশ করে দেখতে পাই ফ্যানের সাথে ওড়না দিয়ে ঝুলানো ফারিয়ার মরদেহ।আজ মঙ্গলবার সকাল ৮ থেকে ১১ টার

‎মধ্যে যেকোনো সময় এই ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি জানান,

‎ মরদেহটি উদ্ধার করে দুপুর আড়াইটার সময়  ময়না তদন্তের জন্য  শহীদ তাজ উদ্দিন আহমদ  মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।


প্রাইম টিভি

নির্বাহী পরিচালক  

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত প্রাইম টিভি