বিপ্লব মল্লিক মোংলা, বাগেরহাটঃ
সুন্দরবনে সক্রিয় জলদস্যু ‘আলিফ বাহিনীর’ দুটি গ্রুপের ১৫ সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে বাহিনীর আব্দুল্লাহ গ্রুপের ৮ জন এবং মজিদ গ্রুপের ৭ জন রয়েছেন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে এসআরবি-৬-এর কোম্পানি কমান্ডার নিস্তার আহমেদের কাছে তাঁরা আত্মসমর্পণ করেন।"
নিস্তার আহমেদ জানান, আত্মসমর্পণকারীদের সরকারি উদ্যোগে পুনর্বাসন করা হবে। তাঁদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। এ ছাড়া যেসব বনদস্যু ও জলদস্যু স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চান, তাঁদেরও এসআরবির পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।""
এসআরবি-৬ সূত্র জানায়, সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হয়েছে। ধারাবাহিক এ তৎপরতা, বনের প্রতিকূল পরিবেশ এবং অপরাধমূলক জীবনের অনিশ্চয়তার কারণে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর সদস্যরা অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন এবং আত্মসমর্পণে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।""
এরই ধারাবাহিকতায় ১৫ জন আত্মসমর্পণে আগ্রহ প্রকাশ করলে তাঁদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ করে দেয় এসআরবি।""
এসআরবি-৬-এর কোম্পানি কমান্ডার নিস্তার আহমেদ জানান, ‘আলিফ বাহিনীর’ ১৫ সদস্যের আত্মসমর্পণ সুন্দরবনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, বাওয়ালি, মৌয়াল ও অন্যান্য বনজীবীর নিরাপদে জীবিকা নির্বাহের পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে।""
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান এবং সরকারের পুনর্বাসন উদ্যোগের ফলে এর আগে সুন্দরবনের বিভিন্ন জলদস্যু বাহিনীর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সদস্য আত্মসমর্পণ করেছিলেন।"' তবে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন দস্যুচক্রের তৎপরতা এবং আগে আত্মসমর্পণ করা কয়েকজন দস্যুর পুনরায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে জেলে ও বনজীবীদের অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঘটনাও সামনে এসেছে।""
সুন্দরবনকে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপতৎপরতা থেকে মুক্ত রাখা এবং বননির্ভর জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এসআরবি-৬-এর অন্যতম অগ্রাধিকার। সুন্দরবনে জলদস্যুতা, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও অন্যান্য সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধে এসআরবি-৬-এর অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।""
এসআরবি-৬-এর মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আত্মসমর্পণকারী জলদস্যুদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পর তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
বিপ্লব মল্লিক মোংলা, বাগেরহাটঃ
সুন্দরবনে সক্রিয় জলদস্যু ‘আলিফ বাহিনীর’ দুটি গ্রুপের ১৫ সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে বাহিনীর আব্দুল্লাহ গ্রুপের ৮ জন এবং মজিদ গ্রুপের ৭ জন রয়েছেন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে এসআরবি-৬-এর কোম্পানি কমান্ডার নিস্তার আহমেদের কাছে তাঁরা আত্মসমর্পণ করেন।"
নিস্তার আহমেদ জানান, আত্মসমর্পণকারীদের সরকারি উদ্যোগে পুনর্বাসন করা হবে। তাঁদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। এ ছাড়া যেসব বনদস্যু ও জলদস্যু স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চান, তাঁদেরও এসআরবির পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।""
এসআরবি-৬ সূত্র জানায়, সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হয়েছে। ধারাবাহিক এ তৎপরতা, বনের প্রতিকূল পরিবেশ এবং অপরাধমূলক জীবনের অনিশ্চয়তার কারণে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর সদস্যরা অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন এবং আত্মসমর্পণে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।""
এরই ধারাবাহিকতায় ১৫ জন আত্মসমর্পণে আগ্রহ প্রকাশ করলে তাঁদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ করে দেয় এসআরবি।""
এসআরবি-৬-এর কোম্পানি কমান্ডার নিস্তার আহমেদ জানান, ‘আলিফ বাহিনীর’ ১৫ সদস্যের আত্মসমর্পণ সুন্দরবনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, বাওয়ালি, মৌয়াল ও অন্যান্য বনজীবীর নিরাপদে জীবিকা নির্বাহের পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে।""
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান এবং সরকারের পুনর্বাসন উদ্যোগের ফলে এর আগে সুন্দরবনের বিভিন্ন জলদস্যু বাহিনীর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সদস্য আত্মসমর্পণ করেছিলেন।"' তবে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন দস্যুচক্রের তৎপরতা এবং আগে আত্মসমর্পণ করা কয়েকজন দস্যুর পুনরায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে জেলে ও বনজীবীদের অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঘটনাও সামনে এসেছে।""
সুন্দরবনকে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপতৎপরতা থেকে মুক্ত রাখা এবং বননির্ভর জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এসআরবি-৬-এর অন্যতম অগ্রাধিকার। সুন্দরবনে জলদস্যুতা, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও অন্যান্য সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধে এসআরবি-৬-এর অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।""
এসআরবি-৬-এর মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আত্মসমর্পণকারী জলদস্যুদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পর তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন