লগইন
প্রাইম টিভি

মিরপুর বিআরটিএ-তে আনসার পিসি খোরশেদের কঠোর অ্যাকশন: আতঙ্কে দালাল চক্র, গ্রেপ্তার শতাধিক অপপ্রচারে লিপ্ত কিছু কুচক্রী মহল

মিরপুর বিআরটিএ-তে আনসার পিসি খোরশেদের কঠোর অ্যাকশন: আতঙ্কে দালাল চক্র, গ্রেপ্তার শতাধিক অপপ্রচারে লিপ্ত কিছু কুচক্রী মহল

 মো:জাকিরুল ইসলাম : 


বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মিরপুর কার্যালয়ে সাধারণ গ্রাহকদের হয়রানি ও ভোগান্তির দিন শেষ হতে চলেছে। মিরপুর বিআরটিএ ১৩ যোগদানের পর থেকেই অত্যন্ত দক্ষতা, সততা ও সাহসিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো. খোরশেদ আলম। তার নিয়মতান্ত্রিক ও কঠোর নজরদারির কারণে মিরপুর বিআরটিএ-এর চিরচেনা 'দালাল সাম্রাজ্যে' ধস নেমেছে। বর্তমানে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে সক্রিয় দালাল চক্রের সদস্যরা।ভুক্তভোগী গ্রাহক ও বিআরটিএ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে মিরপুর কার্যালয়ে লাইসেন্স, ফিটনেস সার্টিফিকেট বা গাড়ির নম্বর প্লেট তুলতে গিয়ে পদে পদে দালালের খপ্পরে পড়তে হতো সাধারণ মানুষকে। টাকা ছাড়া ফাইল না নড়া এবং সাধারণ গ্রাহকদের হেনস্তা করা ছিল নিত্যদিনের চিত্র। কিন্তু পিসি খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে আনসার বাহিনীর সতর্ক অবস্থান এবং ঝটিকা অভিযানের ফলে এই চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে।যোগদানের পর থেকেই তিনি পুরো কার্যালয় এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিজস্ব গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় নিয়ে আসেন। সরকারি সেবাকেন্দ্রে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে দালালবিরোধী বিশেষ অভিযান। গত কয়েক মাসে তার দূরদর্শী পরিকল্পনা ও আনসার সদস্যদের তৎপরতায় রেকর্ড সংখ্যক দালালকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের (মোবাইল কোর্ট) মাধ্যমে অনেককে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।বিআরটিএ-তে আসা সাধারণ সেবাগ্রহীতারা খোরশেদ আলমের এই ভূমিকাকে সাধুবাদ জানিয়ে বলছেন, "আগে এখানে দালালের উৎপাত ছাড়া পা ফেলার জায়গা ছিল না। এখন আনসার বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি অনেক স্বাভাবিক ও নিরাপদ মনে হচ্ছে।"এই বিষয়ে জানতে চাইলে পিসি মো. খোরশেদ আলম জানান, "সাধারণ মানুষ যাতে কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়া সরকারি সেবা পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল দায়িত্ব। কোনো দালাল বা প্রতারক চক্রকে বিআরটিএ-এর আশেপাশে ঘেঁষতে দেওয়া হবে না। এই কার্যালয়কে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত না করা পর্যন্ত আমাদের এই কঠোর অভিযান ও নিয়মিত স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।"

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
প্রাইম টিভি

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬


মিরপুর বিআরটিএ-তে আনসার পিসি খোরশেদের কঠোর অ্যাকশন: আতঙ্কে দালাল চক্র, গ্রেপ্তার শতাধিক অপপ্রচারে লিপ্ত কিছু কুচক্রী মহল

প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

 মো:জাকিরুল ইসলাম : 


বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মিরপুর কার্যালয়ে সাধারণ গ্রাহকদের হয়রানি ও ভোগান্তির দিন শেষ হতে চলেছে। মিরপুর বিআরটিএ ১৩ যোগদানের পর থেকেই অত্যন্ত দক্ষতা, সততা ও সাহসিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো. খোরশেদ আলম। তার নিয়মতান্ত্রিক ও কঠোর নজরদারির কারণে মিরপুর বিআরটিএ-এর চিরচেনা 'দালাল সাম্রাজ্যে' ধস নেমেছে। বর্তমানে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে সক্রিয় দালাল চক্রের সদস্যরা।ভুক্তভোগী গ্রাহক ও বিআরটিএ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে মিরপুর কার্যালয়ে লাইসেন্স, ফিটনেস সার্টিফিকেট বা গাড়ির নম্বর প্লেট তুলতে গিয়ে পদে পদে দালালের খপ্পরে পড়তে হতো সাধারণ মানুষকে। টাকা ছাড়া ফাইল না নড়া এবং সাধারণ গ্রাহকদের হেনস্তা করা ছিল নিত্যদিনের চিত্র। কিন্তু পিসি খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে আনসার বাহিনীর সতর্ক অবস্থান এবং ঝটিকা অভিযানের ফলে এই চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে।যোগদানের পর থেকেই তিনি পুরো কার্যালয় এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিজস্ব গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় নিয়ে আসেন। সরকারি সেবাকেন্দ্রে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে দালালবিরোধী বিশেষ অভিযান। গত কয়েক মাসে তার দূরদর্শী পরিকল্পনা ও আনসার সদস্যদের তৎপরতায় রেকর্ড সংখ্যক দালালকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের (মোবাইল কোর্ট) মাধ্যমে অনেককে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।বিআরটিএ-তে আসা সাধারণ সেবাগ্রহীতারা খোরশেদ আলমের এই ভূমিকাকে সাধুবাদ জানিয়ে বলছেন, "আগে এখানে দালালের উৎপাত ছাড়া পা ফেলার জায়গা ছিল না। এখন আনসার বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি অনেক স্বাভাবিক ও নিরাপদ মনে হচ্ছে।"এই বিষয়ে জানতে চাইলে পিসি মো. খোরশেদ আলম জানান, "সাধারণ মানুষ যাতে কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়া সরকারি সেবা পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল দায়িত্ব। কোনো দালাল বা প্রতারক চক্রকে বিআরটিএ-এর আশেপাশে ঘেঁষতে দেওয়া হবে না। এই কার্যালয়কে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত না করা পর্যন্ত আমাদের এই কঠোর অভিযান ও নিয়মিত স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।"


প্রাইম টিভি

নির্বাহী পরিচালক  

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত প্রাইম টিভি