শফিকুল ইসলাম শামীম,নিজস্ব প্রতিবেদক:
গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী এলাকায় আগস্টের শেষে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২ জন,৪ সেপ্টেম্বরে ১ জন এবং ৬ সেপ্টেম্বর ইফতেখার হোসেন সিয়াম (১৪) নামে আরও এক শিক্ষার্থীসহ আগস্ট-সেপ্টেম্বরে এ পর্যন্ত মোট ৪ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
সর্বশেষ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ডেঙ্গু আক্রান্তহয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ইফতেখার হোসেন সিয়ামের।নিহত ইফতেখার হোসেন সিয়াম কুড়িগ্রামের রৌমারী থানার বন্দোবের গ্রামের নজরুল ইসলাম আকাশের ছেলে। বাবা-মায়ের সঙ্গে তিনি গাজীপুরের কোনাবাড়ী পারিজাত এলাকার ভান্ডারী গলির পাশে একটি আটতলা ভবনের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। সিয়াম কোনাবাড়ী আইডিয়াল হাইস্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে তীব্র জ্বরে ভুগছিল সিয়াম। জ্বরের তীব্রতা বেড়ে গেলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় তার শরীরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরে গত শুক্রবার তাকে কোনাবাড়ী শরীফ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রোববার রাত ১০টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত ১২টা ৫০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সিয়ামের চাচা মো. সেলিম মিয়া জানান, মৃত্যুর পর রাতেই তার মরদেহ কোনাবাড়ীর পারিজাত এলাকার ভাড়া বাসায় নিয়ে আসা হয়। এরপর রাতেই মরদেহ নিয়ে তারা কুড়িগ্রামের গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। সোমবার ভোরে তারা গ্রামের বাড়িতে পৌঁছান।
এদিকে, কোনাবাড়ীতে একের পর এক শিক্ষার্থীর ডেঙ্গুতে মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বেড়েছে। এর আগে গত ২৩ আগস্ট জরুন
দক্ষিণ কাশিমপুরে ৭ বছরের শিশু শিক্ষার্থী সাদিয়া, ২৫ আগস্ট কোনাবাড়ীর কুদ্দুস নগর এলাকায় সুমাইয়া আক্তার মিতু এবং ৪ সেপ্টেম্বর মোহনা আক্তার নামে আরও ১ শিক্ষার্থী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যান।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনাবাড়ীর বিভিন্ন অলিগলি ও আবাসিক এলাকায় মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বাড়লেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেনা কেউ। বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকা ময়লাযুক্ত পানি পরিষ্কার না করা এবং নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম না থাকায় ডেঙ্গুর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহতার রুপ নিচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।পরপর ৪ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় কোনাবাড়ীর বিভিন্ন এলাকায় শোকের পাশাপাশি ডেঙ্গু আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে পড়েছে এই অঞ্চলের মানুষ! এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত কার্যকর মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার ও জমে থাকা পানি অপসারণের দাবি জানান স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শফিকুল ইসলাম শামীম,নিজস্ব প্রতিবেদক:
গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী এলাকায় আগস্টের শেষে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২ জন,৪ সেপ্টেম্বরে ১ জন এবং ৬ সেপ্টেম্বর ইফতেখার হোসেন সিয়াম (১৪) নামে আরও এক শিক্ষার্থীসহ আগস্ট-সেপ্টেম্বরে এ পর্যন্ত মোট ৪ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
সর্বশেষ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ডেঙ্গু আক্রান্তহয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ইফতেখার হোসেন সিয়ামের।নিহত ইফতেখার হোসেন সিয়াম কুড়িগ্রামের রৌমারী থানার বন্দোবের গ্রামের নজরুল ইসলাম আকাশের ছেলে। বাবা-মায়ের সঙ্গে তিনি গাজীপুরের কোনাবাড়ী পারিজাত এলাকার ভান্ডারী গলির পাশে একটি আটতলা ভবনের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। সিয়াম কোনাবাড়ী আইডিয়াল হাইস্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে তীব্র জ্বরে ভুগছিল সিয়াম। জ্বরের তীব্রতা বেড়ে গেলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় তার শরীরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরে গত শুক্রবার তাকে কোনাবাড়ী শরীফ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রোববার রাত ১০টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত ১২টা ৫০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সিয়ামের চাচা মো. সেলিম মিয়া জানান, মৃত্যুর পর রাতেই তার মরদেহ কোনাবাড়ীর পারিজাত এলাকার ভাড়া বাসায় নিয়ে আসা হয়। এরপর রাতেই মরদেহ নিয়ে তারা কুড়িগ্রামের গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। সোমবার ভোরে তারা গ্রামের বাড়িতে পৌঁছান।
এদিকে, কোনাবাড়ীতে একের পর এক শিক্ষার্থীর ডেঙ্গুতে মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বেড়েছে। এর আগে গত ২৩ আগস্ট জরুন
দক্ষিণ কাশিমপুরে ৭ বছরের শিশু শিক্ষার্থী সাদিয়া, ২৫ আগস্ট কোনাবাড়ীর কুদ্দুস নগর এলাকায় সুমাইয়া আক্তার মিতু এবং ৪ সেপ্টেম্বর মোহনা আক্তার নামে আরও ১ শিক্ষার্থী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যান।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনাবাড়ীর বিভিন্ন অলিগলি ও আবাসিক এলাকায় মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বাড়লেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেনা কেউ। বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকা ময়লাযুক্ত পানি পরিষ্কার না করা এবং নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম না থাকায় ডেঙ্গুর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহতার রুপ নিচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।পরপর ৪ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় কোনাবাড়ীর বিভিন্ন এলাকায় শোকের পাশাপাশি ডেঙ্গু আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে পড়েছে এই অঞ্চলের মানুষ! এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত কার্যকর মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার ও জমে থাকা পানি অপসারণের দাবি জানান স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন