পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের চরাপুটিয়া টহল ফাঁড়ির সদস্যরা এক সফল অভিযান চালিয়ে অবৈধ শুটকি তৈরির আস্তানা উচ্ছেদ করেছে ৩ মাস নিষিদ্ধ মেয়াদের দ্বিতীয় মাসের প্রথম দিনেই, ১লা জুলাই ২০২৬ তারিখে, এই চাঞ্চল্যকর অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ শুটকি তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম, ও (২৪ বোতল বিষ) এবং ৩টি ডিঙ্গি নৌকা জব্দ করা হয়েছে।
বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনে নিষিদ্ধের এই সময়ে একদল অসাধু চক্র শিয়ালা নদীর সাইট খালে অবস্থান নিয়ে অবৈধভাবে শুটকি তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চরাপূটিয়া টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান ফরেস্টারের নেতৃত্বে বনরক্ষীদের একটি চৌকস দল সেখানে অভিযান চালায়। বনবিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে অপরাধীরা বনের ভিতরে পালিয়ে গেলেও তাদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে বিষসহ মাছ ধরার বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
এ বিষয়ে পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে বলেন সুন্দরবন আমাদের অহংকার, একে রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের সবার। সুন্দরবনে যেকোনো মূল্যে বন্যপ্রাণী ও জলজ সম্পদ রক্ষা করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বনে অবৈধ অনুপ্রবেশ, হরিণ শিকার এবং বিষ দিয়ে মাছ শিকারের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে আমাদের এই কঠোর ও জিরো-টলারেন্স অভিযান অব্যাহত থাকবে। বনবিভাগের এমন তাৎক্ষণিক ও সফল অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশবাদী ও সচেতন মহল। তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বনবিভাগের এমন তৎপরতা আগামী দিনগুলোতেও বজায় থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের চরাপুটিয়া টহল ফাঁড়ির সদস্যরা এক সফল অভিযান চালিয়ে অবৈধ শুটকি তৈরির আস্তানা উচ্ছেদ করেছে ৩ মাস নিষিদ্ধ মেয়াদের দ্বিতীয় মাসের প্রথম দিনেই, ১লা জুলাই ২০২৬ তারিখে, এই চাঞ্চল্যকর অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ শুটকি তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম, ও (২৪ বোতল বিষ) এবং ৩টি ডিঙ্গি নৌকা জব্দ করা হয়েছে।
বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনে নিষিদ্ধের এই সময়ে একদল অসাধু চক্র শিয়ালা নদীর সাইট খালে অবস্থান নিয়ে অবৈধভাবে শুটকি তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চরাপূটিয়া টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান ফরেস্টারের নেতৃত্বে বনরক্ষীদের একটি চৌকস দল সেখানে অভিযান চালায়। বনবিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে অপরাধীরা বনের ভিতরে পালিয়ে গেলেও তাদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে বিষসহ মাছ ধরার বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
এ বিষয়ে পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে বলেন সুন্দরবন আমাদের অহংকার, একে রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের সবার। সুন্দরবনে যেকোনো মূল্যে বন্যপ্রাণী ও জলজ সম্পদ রক্ষা করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বনে অবৈধ অনুপ্রবেশ, হরিণ শিকার এবং বিষ দিয়ে মাছ শিকারের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে আমাদের এই কঠোর ও জিরো-টলারেন্স অভিযান অব্যাহত থাকবে। বনবিভাগের এমন তাৎক্ষণিক ও সফল অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশবাদী ও সচেতন মহল। তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বনবিভাগের এমন তৎপরতা আগামী দিনগুলোতেও বজায় থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন