পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে দ্বিতীয় স্ত্রী ফারহানা ইয়াসমিন শিলার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল মাহমুদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। সোমবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে থানার সামনে অবস্থান নিয়ে একপর্যায়ে থানা ঘেরাও করেন তাঁরা। এ সময় হত্যার অভিযোগ এনে মামলা গ্রহণ ও অভিযুক্ত রাসেলকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা। নিহত শীলা উপজেলা বিএনপির প্রায়াত সাধারণ সম্পাদক সাজাদুল ইসলাম সামিমের মেয়ে।
গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার সদরের বাহেরচর বাজার-সংলগ্ন নিজ বাসা থেকে শিলার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করতে চাওয়া হলেও পুলিশ অপমৃত্যুর মামলা নথিভুক্ত করে বলে অভিযোগ স্বজনদের।
পরিবারের দাবি, শিলার মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। তাঁকে হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে সন্দেহ তাঁদের। এ ঘটনায় হত্যা মামলা গ্রহণ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে তাঁরা রাজপথে নেমেছেন।
নিহত গৃহবধুর ছোটভাই উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি রাইসুল ইসলাম কমল অভিযোগ করেন, বিবাহের পর থেকেই তাঁর ভগ্নিপতি রাসেল মাহমুদ জমি, নগদ টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য তাঁর বোন শিলাকে চাপ দেয়ার পাশাপাশি নানাভাবে নির্যাতন করতেন। পরে বসতঘর ও দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলে নেয়ার পরেও আবার শিলার নামে থাকা জমি লিখে দিতে চাপ দেয়া হয়। এতে তাঁর কোন অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্নভাবে নির্যাতন শুরু করে।
এসব অভিযোগ তাঁদের জানালে পরিবারের শান্তির কথা বিবেচনা করে তাঁর বোনকে নিরব থাকার পরমর্শ দেয়ার পাশাপাশি আমরা নিরব থাকতে বাধ্য হয়েছি বলে জানান তিনি। তিনি অভিযোগ করেন,পরবর্তীতে শিলার নামে থাকার জমি লিখে নিতে ব্যর্থ হওয়ার পরিকল্পিতভাবে তাঁর বোনতে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা নাটক করা হয়েছে।
নিহত গৃহবধুর প্রথম ঘরের মেয়ে লাবিবা আক্তার(১১) অভিযোগ করেন, তাঁর বাবা রাসেল মাহমুদ বিভিন্ন ভাবে তাঁর মাকে নির্যাতন করতেন। নির্যাতনের অংশ হিসেবে গত বছর ধরে তাঁর মায়ের সঙ্গে ওঠবস এবং রাতে একা ঘুমাতে বাধ্য করা হতো এবং প্রায় গভীর রাতে তাঁর মাকে ঘর থেকে বেড় করে দেয়া হতো বলে অভিযোগ করেন লাবিবা। লাবিবা বলেণ,এসব কারণে তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে অথবা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
রাঙ্গাবালী থানার পুলিশ পরিদর্শক(ওসি তদন্ত) ইলিয়াস হোসেন মুন্সি বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে দ্বিতীয় স্ত্রী ফারহানা ইয়াসমিন শিলার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল মাহমুদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। সোমবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে থানার সামনে অবস্থান নিয়ে একপর্যায়ে থানা ঘেরাও করেন তাঁরা। এ সময় হত্যার অভিযোগ এনে মামলা গ্রহণ ও অভিযুক্ত রাসেলকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা। নিহত শীলা উপজেলা বিএনপির প্রায়াত সাধারণ সম্পাদক সাজাদুল ইসলাম সামিমের মেয়ে।
গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার সদরের বাহেরচর বাজার-সংলগ্ন নিজ বাসা থেকে শিলার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করতে চাওয়া হলেও পুলিশ অপমৃত্যুর মামলা নথিভুক্ত করে বলে অভিযোগ স্বজনদের।
পরিবারের দাবি, শিলার মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। তাঁকে হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে সন্দেহ তাঁদের। এ ঘটনায় হত্যা মামলা গ্রহণ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে তাঁরা রাজপথে নেমেছেন।
নিহত গৃহবধুর ছোটভাই উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি রাইসুল ইসলাম কমল অভিযোগ করেন, বিবাহের পর থেকেই তাঁর ভগ্নিপতি রাসেল মাহমুদ জমি, নগদ টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য তাঁর বোন শিলাকে চাপ দেয়ার পাশাপাশি নানাভাবে নির্যাতন করতেন। পরে বসতঘর ও দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলে নেয়ার পরেও আবার শিলার নামে থাকা জমি লিখে দিতে চাপ দেয়া হয়। এতে তাঁর কোন অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্নভাবে নির্যাতন শুরু করে।
এসব অভিযোগ তাঁদের জানালে পরিবারের শান্তির কথা বিবেচনা করে তাঁর বোনকে নিরব থাকার পরমর্শ দেয়ার পাশাপাশি আমরা নিরব থাকতে বাধ্য হয়েছি বলে জানান তিনি। তিনি অভিযোগ করেন,পরবর্তীতে শিলার নামে থাকার জমি লিখে নিতে ব্যর্থ হওয়ার পরিকল্পিতভাবে তাঁর বোনতে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা নাটক করা হয়েছে।
নিহত গৃহবধুর প্রথম ঘরের মেয়ে লাবিবা আক্তার(১১) অভিযোগ করেন, তাঁর বাবা রাসেল মাহমুদ বিভিন্ন ভাবে তাঁর মাকে নির্যাতন করতেন। নির্যাতনের অংশ হিসেবে গত বছর ধরে তাঁর মায়ের সঙ্গে ওঠবস এবং রাতে একা ঘুমাতে বাধ্য করা হতো এবং প্রায় গভীর রাতে তাঁর মাকে ঘর থেকে বেড় করে দেয়া হতো বলে অভিযোগ করেন লাবিবা। লাবিবা বলেণ,এসব কারণে তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে অথবা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
রাঙ্গাবালী থানার পুলিশ পরিদর্শক(ওসি তদন্ত) ইলিয়াস হোসেন মুন্সি বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন