গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ীতে ৩০ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণের দাবীতে শ্রমিক আন্দোলনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ওপর হামলায় ২ নেতাকে মাথা ফাঠানোর ঘটনা ঘটেছে।এছাড়াও ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি বুল বুল আহমেদসহ অন্তত ৩ জন শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিকসেন্টার সহ স্থানীয় অন্যান্য ক্লিনিক ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।এর মধ্যে কোনাবাড়ী মেট্রো থানা স্বেচ্ছাসেবক সেবক দলের সদস্য সচিব রবিউল আলম রবি এবং কোনাবাড়ী থানা শ্রমিক দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাহাবউদ্দিন হিমুর মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হয়ে স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন
কোনাবাড়ী মেট্রো থানা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস আলী সরকার, কোনাবাড়ী মেট্রো থানা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি রবিউল আলম রবি,থানা বিএনপির সহ-সভাপতি মালেক শিকদার,সহ-সভাপতি আকবর আলী,হযরত আলী, আব্দুল বারেক সরকার,যুবদল নেতা ফয়সাল সরকার প্রমূখ। কোনাবাড়ী মেট্রো থানার স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রবিউল আলম রবি জানান,সকাল ৯ টার দিকে কোনাবাড়ী বিসিকের ১ নং গেটের পাশে আমরা বিএনপি নেতারা দাড়িয়েছিলাম।তখন হঠাৎ আন্দোলনকারীরা এসে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। তারা লাঠিশোঠা ও ইট- পাটকেল মারে। ফলে আমার মাথায় ইটের আঘাতে মাথা ফেটে যায়। আমি প্রচন্ড রক্তাক্ত ও আঘাতপ্রাপ্ত হই। পরে স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিই।আমার সামনেই কোনাবাড়ী মেট্রো থানা শ্রমিকদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাহাবউদ্দিন হিমুর মাথায়ও আঘাত করে আন্দোলনকারীরা।ওই সময় হিমুরও মাথা ফেটে যায়। এছাড়াও আন্দোলনকারীদের হামলায় অন্যান্য বিএনপি নেতারাও আঘাত প্রাপ্ত হন। এসময় তিনি জানান এই আন্দোলনে শ্রমিক নেতাদের দেখা যায়নি বরং অন্য কোনো দলের ইন্ধনে অন্য কোনো অপশক্তি আমাদের ওমর হামলা করে আঘাত করে।এসময় তিনি সুষ্ঠু তদন্ত করে এই হামলার বিচার ও এই অপশক্তির বিরোদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান তিনি।স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী কামরুল ইসলাম জানান,
আজ সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে কোনাবাড়ী বিসিক এলাকায় কিছু বিএনপি নেতা দাড়িয়েছিলো। কিছুক্ষণ পর শ্রমিক আন্দোলনকারী ২/৩ শত লোক এসে বিএনপি নেতাদের ওপর ইট-পাটকেল মারলে থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রবিউল আলম রবি এবং শ্রমিক দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণসম্পাদক সাহাবউদ্দিন হিমুর মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়।এই হামলায় বিএনপির অন্যান্য নেতাও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান। তিনি জানান এসময় সুরমা হোটেলেও ভাঙচোর চালানো হয়।পরে দ্রুত হোটেল বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে চলে যান হোটেল কর্তৃপক্ষ।এই বিষয়ে সুরমা হোটেলের ম্যানেজার রনি মীর বলেন সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে আমাদের হোটেলের সামনে আসে শ্রমিক আন্দোলনকারীরা। এসময় হোটেল বন্ধ করার জন্য
চাপ-সৃষ্টি ও হুমকি-ধমকি দিতে থাকে।পরে দ্রুত হেটেল বন্ধ করে আমরা চলে যাই। পরে পরিস্থিতি সাভাবিক হলে আজ সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে পুনরায় হোটেলের কার্যক্রম চালু করি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সকাল সাড়ে ১০ টার পর থেকে কোনাবাড়ী থানা পুলিশ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে কড়া নিরাপত্তার রয়েছেন এবং সকাল সাড়ে ১০ টার পর থেকে দুপুর পর্যন্ত পরিস্থিতি সাভাবিক রয়েছে।তবে এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে।
এই বিষয়ে কোনাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) ইফতেখার হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ীতে ৩০ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণের দাবীতে শ্রমিক আন্দোলনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ওপর হামলায় ২ নেতাকে মাথা ফাঠানোর ঘটনা ঘটেছে।এছাড়াও ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি বুল বুল আহমেদসহ অন্তত ৩ জন শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিকসেন্টার সহ স্থানীয় অন্যান্য ক্লিনিক ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।এর মধ্যে কোনাবাড়ী মেট্রো থানা স্বেচ্ছাসেবক সেবক দলের সদস্য সচিব রবিউল আলম রবি এবং কোনাবাড়ী থানা শ্রমিক দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাহাবউদ্দিন হিমুর মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হয়ে স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন
কোনাবাড়ী মেট্রো থানা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস আলী সরকার, কোনাবাড়ী মেট্রো থানা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি রবিউল আলম রবি,থানা বিএনপির সহ-সভাপতি মালেক শিকদার,সহ-সভাপতি আকবর আলী,হযরত আলী, আব্দুল বারেক সরকার,যুবদল নেতা ফয়সাল সরকার প্রমূখ। কোনাবাড়ী মেট্রো থানার স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রবিউল আলম রবি জানান,সকাল ৯ টার দিকে কোনাবাড়ী বিসিকের ১ নং গেটের পাশে আমরা বিএনপি নেতারা দাড়িয়েছিলাম।তখন হঠাৎ আন্দোলনকারীরা এসে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। তারা লাঠিশোঠা ও ইট- পাটকেল মারে। ফলে আমার মাথায় ইটের আঘাতে মাথা ফেটে যায়। আমি প্রচন্ড রক্তাক্ত ও আঘাতপ্রাপ্ত হই। পরে স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিই।আমার সামনেই কোনাবাড়ী মেট্রো থানা শ্রমিকদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাহাবউদ্দিন হিমুর মাথায়ও আঘাত করে আন্দোলনকারীরা।ওই সময় হিমুরও মাথা ফেটে যায়। এছাড়াও আন্দোলনকারীদের হামলায় অন্যান্য বিএনপি নেতারাও আঘাত প্রাপ্ত হন। এসময় তিনি জানান এই আন্দোলনে শ্রমিক নেতাদের দেখা যায়নি বরং অন্য কোনো দলের ইন্ধনে অন্য কোনো অপশক্তি আমাদের ওমর হামলা করে আঘাত করে।এসময় তিনি সুষ্ঠু তদন্ত করে এই হামলার বিচার ও এই অপশক্তির বিরোদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান তিনি।স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী কামরুল ইসলাম জানান,
আজ সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে কোনাবাড়ী বিসিক এলাকায় কিছু বিএনপি নেতা দাড়িয়েছিলো। কিছুক্ষণ পর শ্রমিক আন্দোলনকারী ২/৩ শত লোক এসে বিএনপি নেতাদের ওপর ইট-পাটকেল মারলে থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রবিউল আলম রবি এবং শ্রমিক দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণসম্পাদক সাহাবউদ্দিন হিমুর মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়।এই হামলায় বিএনপির অন্যান্য নেতাও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান। তিনি জানান এসময় সুরমা হোটেলেও ভাঙচোর চালানো হয়।পরে দ্রুত হোটেল বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে চলে যান হোটেল কর্তৃপক্ষ।এই বিষয়ে সুরমা হোটেলের ম্যানেজার রনি মীর বলেন সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে আমাদের হোটেলের সামনে আসে শ্রমিক আন্দোলনকারীরা। এসময় হোটেল বন্ধ করার জন্য
চাপ-সৃষ্টি ও হুমকি-ধমকি দিতে থাকে।পরে দ্রুত হেটেল বন্ধ করে আমরা চলে যাই। পরে পরিস্থিতি সাভাবিক হলে আজ সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে পুনরায় হোটেলের কার্যক্রম চালু করি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সকাল সাড়ে ১০ টার পর থেকে কোনাবাড়ী থানা পুলিশ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে কড়া নিরাপত্তার রয়েছেন এবং সকাল সাড়ে ১০ টার পর থেকে দুপুর পর্যন্ত পরিস্থিতি সাভাবিক রয়েছে।তবে এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে।
এই বিষয়ে কোনাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) ইফতেখার হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন